রঙে রঙিন রাঙা মুনিয়া

প্রকাশ : ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৮, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

  ড. আ ন ম আমিনুর রহমান

দৃষ্টিনন্দন মুনিয়া পাখি

কেরালার কোচি সিটির এয়ারপোর্ট থেকে প্লেনে চড়ে নয়াদিল্লির ইন্দিরা গান্ধী ন্যাশনাল এয়ারপোর্ট। দীর্ঘ প্লেন জার্নির পর বেশ দেহ-মন খুবই ক্লান্ত।

সে ক্লান্তি আরও বেড়ে গেল ট্যাক্সি ড্রাইভারের অজ্ঞতার কারণে। জওহরলাল নেহেরু বিশ্ববিদ্যালয়ের রেস্ট হাউস খুঁজতেই তার দ্বিগুণ সময় লেগে গেল। প্রচণ্ড ক্ষুধায় রেস্ট হাউসের ডাইনিংয়ে যা পেলাম তাই পেট পুড়ে খেলাম। তারপর শান্তির ঘুম।

ভোরে ঘুম ভাঙার পর বাইরে তাকিয়ে দেখি চারদিক কুয়াশার চাদরে ঢাকা পড়ে আছে! বন্ধু আনোয়ারকে সঙ্গে নিয়ে ক্যামেরা হাতে বের হলাম। ক্যাম্পাসটা বেশ প্রাকৃতিক। চারদিকে নানা প্রজাতির উদ্ভিদের সমারোহ। কুয়াশার চাদর আস্তে আস্তে সরে যাচ্ছে।

দূর আকাশে সূর্যি মামা উঁকিও দিচ্ছে। প্রথমেই চোখে পড়ল একটি স্ত্রী নীলটুনির চমৎকার ভঙ্গিমায় নাম না জানা ফুলের রস পানের দৃশ্য। উল্টো হয়ে ঝুলে যেভাবে সে ফুলের রস পান করছিল তাতে মুগ্ধ না হয়ে পারা যায় না! বন্ধু আনোয়ার এর আগে কখনও এমন দৃশ্য দেখেনি।

দালানের ফাঁক-ফোকর থেকে কান ফাটানো ‘টি... টি... টি... শব্দে কয়েকটা টিয়ে বের হয়ে চমৎকার ভঙ্গিতে সামনের বাগান বিলাস গাছের ফুলের পাপড়ি খেতে শুরু করল। চমৎকার সে দৃশ্য! এবার গেস্ট হাউসের পেছনের দরজা দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক এলাকার দিকে এগিয়ে গেলাম।

গেস্ট হাউস ও আবাসিক এলাকার মাঝে ঘন জঙ্গল। বড় বড় গাছের মাঝে কাঁটাঝোপ। ঝোপগুলোতে যেন ছোট ছোট পাখির মেলা বসেছে! বেশ কিছুক্ষণ ধরে পাখিগুলোর ছবি তুললাম। এমন সময় কোত্থেকে এক ঝাঁক ছোট পাখি দ্রুতগতিতে উড়ে এসে কাঁটাঝোপে বসল।

ওদের সারা গা যেন কেউ লাল রঙে রাঙিয়ে দিয়েছে! টকটকে লাল পাখিগুলো দেখে মনটা আনন্দে নেচে উঠল। ক্যামেরার ভিউ ফাইন্ডারে চোখ রেখে একটা পাখিকে ফোকাস করে যেই না সাটারে ক্লিক করেছি অমনি পাখিটা ঝোপের নিচে নেমে গেল। প্রায় আধা ঘণ্টা অপেক্ষা করেও ওর কোনো হদিস পেলাম না। শেষে রণে ভঙ্গ দিয়ে গেস্ট হাউসমুখো হলাম। ২০১০ সালের নভেম্বরের ঘটনা এটা।

ইতিমধ্যে ছয় বছর পার হয়েছে। সিলেট বিভাগের হাওর ও ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় রাঙা ওই পাখি দেখা গেছে। অনেকে ছবিও তুলেছি। এবছর এপ্রিলে রাজশাহীর পদ্মার চরে গিয়ে কালোবুক বাবুইয়ের দেখা পেলাম।

তখনই আমার মন বলছিল এরকম শরৎ শীতে অবশ্যই নয়াদিল্লিতে দেখা ওই রাঙা পাখিগুলোর সন্ধান পাওয়া যাবে। রাজশাহীতে আমার পাখি দেখার সহচর ব্যাংকার কাম পক্ষী আলোকচিত্রী মো. মারুফ রানাকে বললাম খোঁজ রাখতে। গত সেপ্টেম্বরের শেষের দিকে তার ফোন পেলাম এবং ফেসবুকে তার দেয়া রাঙা সেই পাখিগুলোর সুন্দর সুন্দর সব ছবির পোস্ট দেখলাম। দেখেই মনটা ভরে গেল।

যথারীতি ওদের দেখার জন্য মনটা আনচান করে উঠল! তবে ব্যস্ততার কারণে দ্রুত সময় করতে পারলাম না। প্রায় মাসখানেক পর ২০ অক্টোবর সকালের বাসে ভাগ্নে সাদমানকে সঙ্গে নিয়ে রাজশাহীর উদ্দেশ্যে রওনা হলাম।

পরদিন ভোরে সাদমান, মারুফ ও আমি পদ্মার পাড়ে গেলাম। আগে থেকেই এখানে অপেক্ষা করছিল আরিফ ও ডা. শাওন। পুরোদিনের জন্য খাবার ও পানি সঙ্গে নিয়ে নুরু মাঝির ইঞ্জিন বোটে চেপে চর মাজারদিয়ারের উদ্দেশ্যে রওনা দিলাম। নদীতে এখনও বেশ পানি আছে।

চরের মাটি এখনও শক্ত হয়নি। পথে একটা চরে নেমে কিছুক্ষণ হাঁটাহাঁটি করলাম। কাছ থেকে বালু ভারতের ছবি তোলার জন্য একটু সামনে এগোতেই চরের নরম মাটিতে পা ডুবে গেল। এ যেন চোরাবালি! শেষমেষ অনেক কষ্টে এখান থেকে উদ্ধার পেলাম। প্রায় আধঘণ্টা পর চর মাজারদিয়ারে পৌঁছে রাঙা পাখিগুলোর বিচরণ এলাকার দিকে ছুটলাম। কিন্তু একি! ওরা যে জংলি পাটক্ষেতে বিচরণ করত বলে জেনেছি সে পাটক্ষেত কোথায়? জমি তো একদম পরিষ্কার। কিছু কাঁটা গাছ পড়ে আছে সেখানে।

ডা. শাওন ও আরিফ বলল, ওরা শেষবার গাছগুলোতে দুটো বাসা দেখেছিল। ওই বাসাগুলোর ভাগ্যে কি ঘটেছে তা বুঝতে আর অসুবিধা হল না। মনটা বেশ খারাপ হয়ে গেল। এরপর ওদের সঙ্গে পাশের কলমিবন পার হয়ে জলার পাশের কাশবনে গেলাম। পাশেই রয়েছে ঘাসবন।

রাঙা পাখিগুলোর থাকা ও খাওয়ার জন্য উপযুক্ত জায়গাই বটে। মিনিট পনেরো চুপচাপ বসে থাকলাম। দু’তিনবার ‘সিপ...সিপ... সিপ...’ শব্দও শুনলাম। তবে ডাক শুনলেও ওদের টিকিটির দেখাও পেলাম না। কিছুটা পিছিয়ে এসে লুকিয়ে থাকলাম। কিন্তু ওরা এলো না। বেশ গরম, পিপাসায় গলা শুকিয়ে যাচ্ছে। তাই উপায় না পেয়ে নৌকায় ফিরে যেতে হল।

আরিফ আগেই চলে এসেছে। মারুফ গেছে মাজারদিয়ারের উল্টো দিকের চরে। ডা. শাওনও ওখানে যেতে চায়। আমিও বললাম, ‘ঠিক আছে তাহলে, চল’। নুরু মাঝি বোট ছেড়ে দিল। ‘আরিফ কোথায়?’ নুরুলকে জিজ্ঞেস করতেই বলল, ‘উনি সামনের কাশবনে গেছেন।’ ‘কাশবন! এক্ষুণি বোট ঘুরাও, আমার মন বলছে কাশবনে রাঙা পাখির দেখা পাব। ঠিক আছে স্যার, বলেই নুরুল বোট ঘুরাল। ‘আপনি যেতে চাইলে পায়ে চলা সরু পথ ধরে সামনের দিকে চলে যান, জায়গামতো পৌঁছে যাবেন’। বোট থামতেই দ্রুত নেমে হাঁটা ধরলাম। মিনিট পাঁচেকের মধ্যে আরিফের দেখা পেলাম। কাশবনটা দেখেই বললাম, ‘আরিফ, দিস ইজ দ্য পারফেক্ট প্লেস ফর দিজ বিউটিফুল বার্ডস’। আর ঠিক কিছুক্ষণের মধ্যেই একটা রাঙা পাখিকে উড়ে এসে কাশবনের ভেতরে হারিয়ে যেতে দেখলাম। তারপর আরও একটা এলো। তারপর আরও একটা।

আশ্চর্যের ব্যাপার হল, তিনটা পাখি এসে কাশবনে বসলেও একটারও ছবি তুলতে পারলাম না। ওদের দিকে ক্যামেরা তাক করে ভিউফাইন্ডারে কাশফুল, কাশের ডাঁটি এবং ঝাউ গাছের ডাল ছাড়া আর কিছুই দেখতে পাচ্ছিলাম না। ওরা কাশ ও ঝাউগাছের ডালে এমনভাবে বসেছে যেন নিজেকে গোপন করে আছে। কিছুক্ষণ পর একজোড়া পাখি এসে আমার সামনের কাশঝোপে নামল।

ভিউ ফাইন্ডারে ওদের পুরোপুরি দেখতে পাচ্ছিলাম না। তারপরেও চারটা ক্লিক করলাম। তিনটা ছবিই খারাপ হল। একটাতে স্ত্রী-পুরুষ দুটোকেই দেখা গেল আধো আধো। তবে আমার দৃষ্টিতে এটাই সঠিক ছবি। এভাবেই ওরা প্রকৃতির সঙ্গে মিলেমিশে থেকে নিজেদের রক্ষা করে চলেছে মানুষের লোলুপ দৃষ্টি থেকে, অন্যান্য শিকারি প্রাণী-পাখির হাত থেকেও।

এরপর বেশ কিছুক্ষণ ওদের দেখা নেই। কাজেই আশপাশের অন্যান্য কাশবন ও ফসলের ক্ষেতের দিকে গেলাম। দুই জোড়া পাখি কিছুক্ষণ পর পর আসা-যাওয়া করছে। কিন্তু কাশঝোপে বসলেই আর দেখা যাচ্ছে না। ঘাপটি মেরে প্রায় ঘণ্টাখানেক বসে থেকেও একটা ছবিও তুলতে পারলাম না। হতাশ হয়ে পড়লাম। এদিকে পানিও শেষ। প্রচণ্ড গরমে অস্থির। আবার আগের কাশবনের দিকে পা বাড়ালাম।

এবার আমাদের সঙ্গে মারুফ, সাদমান ও ডা. শাওনও যোগ দিল। সবাই একসঙ্গে না থেকে ভাগ ভাগ হয়ে কাশঝোপে লুকিয়ে পড়লাম। পুরো গা কাশফুলে মাখামাখি। চুপচাপ বসে থাকলাম অনেকক্ষণ। হঠাৎ ‘সিপ... সিপ... সিপ...’ ডাক। খানিক পরে আবারও সেই ডাক। আর যায় কোথায়? ক্লিকের বন্যা বয়ে গেল। রাঙা পুরুষটা পেলাম। স্ত্রীটা পেলাম না।

আরও আধঘণ্টা অপেক্ষা করেও কোনো লাভ হল না। তৃষ্ণায় বুকের ছাতি ফেটে যাচ্ছে। শরীর দুর্বল হয়ে গেছে। সেদিনের মতো সবকিছু গুটিয়ে চলে এলাম।

পরদিন আবারও গেলাম। এবার টার্গেট স্ত্রী পাখি। কিন্তু প্রায় দুই ঘণ্টা অপেক্ষা করেও দেখা পেলাম না। নৌকার উদ্দেশ্যে রওয়ানা দেব, এমন সময় একটা স্ত্রী পাখি এসে এত দূরে বসল যে তোলা ছবিটা দেখতে অনুবীক্ষণ যন্ত্রের সাহায্য নিতে হবে। সবাই ক্লান্ত থাকায় আর অপেক্ষা না করে ফিরে এলাম। নৌকায় চলে এলাম।

এতক্ষণের গল্পে যে পাখিটার কথা বললাম সেটা আমাদের দেশের আবাসিক পাখি রাঙা মুনিয়া। আলতা মুনিয়া, লাল মুনিয়া বা সোনামুনে নামেও পরিচিত। এদের ইংরেজি নামেরও অভাব নেই, Red Avadavat, Avadavat, Bombay Avadavat, Red Munia, Red Waxbill, Indian Strawberry, Strawberry Finch, Tiger Finch, Scarlet Amandava. Estrildidae cwiev পরিবারের এই সদস্যের বৈজ্ঞানিক নাম Amandava amandava.

রাঙা মুনিয়া লম্বায় ১০ সেন্টিমিটার ও ওজনে ৯ গ্রাম। প্রজনন মৌসুম ছাড়া অন্য সময় স্ত্রী-পুরুষ দেখতে প্রায় একই রকম।

কিন্তু প্রজননকালে পুরুষের পুরো দেহের পালক লাল রঙে রাঙিয়ে যায়। মাথা ঘাড় বাদে দেহের এই লাল রঙের ওপর থাকে সাদা সাদা ফোঁটা, বিশেষত ডানা ও পেটে এই ফোঁটা বেশি দেখা যায়। মাথার চাঁদি গাঢ় জলপাই বাদামি ও তার ওপর লালের আভা।

ডানাও গাঢ় লালচে বাদামি। ডানার গোড়ার দিকের পালকের আগা সাদা। লেজ খাটো ও গাঢ় কালচে বাদামি এবং লেজের আগা গাঢ় বাদামি। চোখ টকটকে লাল ও চোখের নিচে সাদা টান।

খাটো, মজবুত ও ত্রিকোনাকার ঠোঁটের রঙ প্রবাল লাল। স্ত্রী এবং প্রজননকাল বাদে অন্য সময়ের পুরুষের মাথা, পিঠ ও ডানার ওপরটা বাদামি। গলা বুক পেট সাদাটে। চোখ লালচে বাদামি। পা ও পায়ের পাতা হালকা গোলাপি বা সামান্য বাদামি। বাচ্চার দেহের পালক বাদামি। ডানায় হালকা হলদে লম্বা দাগ থাকে। লেজ কালচে। ঠোঁট হলদে ও ঠোঁটের গোড়া গোলাপি। পা ও পায়ের পাতা হালকা বাদামি।

রাঙা মুনিয়া বাংলাদেশের দুর্লভ আবাসিক পাখি। দেশের প্রায় সব জায়গায় এদের দেখা মেলে। কিন্তু অন্যান্য মুনিয়ার তুলনায় সংখ্যায় অনেক কম। এরা বেশ নিরীহ ও ভীত। তবে চঞ্চল এবং চতুরও বটে। ঘাসবন, জলাভূমি বা ক্ষেতের আশপাশের ঝোপঝাড়ে বিচরণ করে।

সচরাচর ছোট ছোট দলে থাকে। বেশ দ্রুত ওড়ে। উড়ে এসে ঘাসঝাড়, কাশঝাড়, নলখাগড়ার ঝাড় বা ঝাউ গাছে এমনভাবে বসে যে সহজে চোখে পড়ে না।

একেবারে যেন নিজেকে আড়াল করে থাকে! ওদের নড়তে চড়তে দেখা গেলেও পুরোদেহ দেখা যায় না। এরা ঘাস, নলখাগড়া, হোগলাবন, কাশবন ও আখক্ষেতে খাবার খোঁজে। মূল খাবার বিভিন্ন প্রজাতির ঘাসের বীচি। এছাড়া ধান, কাউন, তিল, সরষে, চিনাদানা, ডাল, মটর ইত্যাদিও খায়। আবার পোকামাকড়েও অরুচি নেই। এরা তীব্র কণ্ঠে ‘সিপ... সিপ... সিপ...’ স্বরে ডাকে।

মূলত বর্ষা শরতে রাঙা মুনিয়া প্রজনন করে। তবে প্রয়োজনে যেমন- বাসা বা ডিম বাচ্চা নষ্ট হলে ও উপযুক্ত পরিবেশ পেলে শীতেও ডিম বাচ্চা তোলে। প্রজননকালে লাল রঙে রাঙানো পুরুষ পাখিটা ঘাস বা নলখাগড়ার ওপর বসে মধুর স্বরে গান গায়। তার গানে স্ত্রী পাখি সাড়া দিলে জোড় বাঁধে।

এরপর নলখাগড়া, হোগলাবন, ঘাসবন, উলুঘাস, কাশবনে গোলাকৃতির বাসা বোনে। অনেক সময় তাল খেজুরের চারার মাথায় এবং গোলগাছের মাথার ভেতরেও বাসা করতে দেখা যায়। সরু ঘাস লতা ধান পাতা দিয়ে সুন্দর, নরম বাসার ভিত্তি রচনা করে। কাশফুল দিয়ে চারপাশ মুড়ে নেয়।

বাসার ভেতরে থাকে কাশফুল বা তুলোর গদি। বাসায় ঢোকার জন্য গোপন সরু পথ বানায় যেন শত্রুরা না দেখে। বাসার উপকরণ হিসেবে যখন সরু লম্বা ঘাস লতা বা কাশফুলের ডগা ঠোঁটে পায়ে নিয়ে দুলতে দুলতে উড়ে যায়, তখন যেন কোনো উড়ন্ত সাপের মতো মনে হয়!

স্ত্রী পাখি প্রতিবারে ৪ থেকে ৭টি ডিম পাড়ে। ছোট গোল গোল ডিমগুলো যেন মুক্তোর মতো সাদা। ডিম ফোটে ১২-১৬ দিনে। উড়তে শিখতে ও বাসা ছাড়তে বাচ্চার ১৯ থেকে ২৪ দিন লাগে। সদ্য উড়তে শেখা বাচ্চার প্রধান শত্রু সোনাব্যাঙ। বাচ্চা যখন ধানক্ষেত বা ঘাসবনে গিয়ে বসে তখন আগে থেকে লুকিয়ে থাকা সোনাব্যাঙ লাফ দিয়ে মুখে পুরে ফেলে। বাচ্চাদের নিয়মিত ধুলো ও পানিতে গোসল করতে দেখা যায়।

লেখক : অধ্যাপক, বন্যপ্রাণী জীববিজ্ঞানী ও প্রাণিচিকিৎসা বিশেষজ্ঞ, বন্যপ্রাণী প্রজনন ও সংরক্ষণ কেন্দ্র, গাইনিকোলজি, অবস্টেট্রিক্স অ্যান্ড রিপ্রোডাক্টিভ হেলথ বিভাগ, বশেমুরকৃবি