বাংলাদেশের গ্রন্থমেলার অঙ্কুরকথন

  খান মাহবুব ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৮, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

বাংলাদেশের গ্রন্থমেলার অঙ্কুরকথন

১৯৬৪ সালে সরদার জয়েনউদদীনের উদ্যোগে পূর্ববঙ্গের প্রথম গ্রন্থমেলা আয়োজিত হয়। ১৯৬৪ সালের ১৮-২৪ অক্টোবর পর্যন্ত আয়োজিত এ গ্রন্থমেলার ভেন্যু ছিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় গ্রন্থাগার ভবনের নিচতলায়। সেসময়ে এই ভবনের নিচতলা পাবলিক লাইব্রেরি হিসেবে ব্যবহার হতো। সরদার জয়েনউদদীনের নেতৃত্বে ৭ দিনব্যাপী আয়োজিত এ মেলায় প্রতিদিন বইবিষয়ক প্রবন্ধ পাঠ ও আলোচনার অনুষ্ঠান ছিল।

উল্লেখ্য, ওই সময় সরদার জয়েনউদদীন ন্যাশনাল বুক সেন্টার অব পাকিস্তানের ঢাকা কেন্দ্রের রিসার্চ অফিসার ও গ্রন্থমেলা আয়োজক কমিটির সেক্রেটারি ছিলেন। আয়োজক কমিটির সভাপতি ছিলেন ড. মুহাম্মদ এনামুল হক। গ্রন্থমেলা উদ্বোধন করেছিলেন বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরী। গ্রন্থমেলা উপলক্ষে অয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রবন্ধকার ও আলোচকদের মধ্যে ছিলেন ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ, আবদুল কাদির, মোহাম্মদ নাসির আলী, জুলফিকার আলী, সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী, মুহম্মদ সিদ্দিক খান, সৈয়দ আলী আহসান, মোহাম্মদ মাহফুজ উল্লাহ, মোহাম্মদ মুর্তজা, ফজলে রাব্বী, জিয়া হায়দার, হুমায়ুন খান প্রমুখ। পঠিত প্রবন্ধের শিরোনাম ছিল- মুদ্রণ ও প্রকাশন : প্রতিবন্ধক ও প্রতিকার (মুহম্মদ সফিয়ুল্লাহ) বইয়ের বাজার (মোহাম্মদ নাসির আলী) গ্রন্থাগার সম্প্রসারণ ও জনপ্রিয়তা বৃদ্ধির উপায় (মোহাম্মদ সিদ্দিক খান) জীবন রস আস্বাদনে গ্রন্থের ভূমিকা (জুলফিকার আলী)।

পূর্ববঙ্গের প্রথম এই গ্রন্থমেলায় আলাদা করে শিশু বিভাগে নানা বর্ণের, আকাশের গল্প-কাহিনী, ছড়া ও ছবির বই ছিল মেলার উল্লেখযোগ্য দিক। কবি সুফিয়া কামালের নেতৃত্বে বেশকিছু মহিলা পাঠক বই কিনেছিল। এই গ্রন্থমেলা সম্পর্কে সমাপ্তি দিনে মেলার আয়োজক কমিটির সভাপতি ড. মুহম্মদ এনামুল হক বলেন,”গ্রন্থমেলার জনপ্রিয়তা ও সাফল্য লক্ষ্য করে আমরা অভিভূত হয়েছি। এ কথা স্বীকার করতে দ্বিধা নেই যে, গ্রন্থমেলা আয়োজনের সময় আমরা এর জনপ্রিয়তা ও সাফল্য সম্পর্কে দ্বিধামুক্ত ছিলাম না। আমাদের ধারণা ছিল, হয়তো এজাতীয় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান জনসমাজের মনোরঞ্জনে সমর্থ হবে না। কিন্তু গত এক সপ্তাহ ধরে গ্রন্থমেলায় যে বিপুলসংখ্যক দর্শক সমবেত হয়েছেন এবং নিজেদের দেশের গ্রন্থ ও প্রকাশনা শিল্প সম্পর্কে উৎসাহ প্রকাশ করেছেন তাতে আমরা বিস্ময়াভিভূত হয়েছি। আমাদের দেশের সংস্কৃতিসেবীদের এই আগ্রহ আমাদেরকে ভবিষ্যতের জন্য আশাবাদী করে তুলেছে [সূত্র: পূর্বালী ৫ম বর্ষ ২য় সংখ্যা, কার্তিক ১৩৭১ বাং]। গ্রন্থচিন্তক সরদার জয়েনউদদীনের গ্রন্থমেলার উদ্যোগ ১৯৬৪ সালের আগেও ছিল। ১৯৬৪ সালের প্রারম্ভেও একটি গ্রন্থমেলা ঢাকার টিচার্স ট্রেনিং কলেজে অয়োজন করা হয়েছিল। ওই গ্রন্থমেলার উদ্বোধন করেন তৎকালীন ডিপিআই শামসুল হক। তবে টিচার্স কলেজের গ্রন্থমেলা সম্পর্কে বিস্তৃত জানা যায়নি। পূর্ববঙ্গে বইমেলার সূত্রপাত ঘটিয়ে সরদার জয়েনউদদীন প্রাণিত হন।

সরদার জয়েনউদদীনের উদ্যোগে ১৯৭০ সালে নারায়ণগঞ্জ ক্লাবের সহায়তায় নারায়ণগঞ্জেও একটি গ্রন্থমেলার আয়োজন হয়। এই বইমেলার আলোচনা পর্বে অংশ নেন অধ্যাপক আবদুল হাই, মুনীর চৌধুরী, সরদার ফজলুল করিম প্রমুখ। বাংলাদেশে গ্রন্থমেলা নিয়ে সাংগঠনিক কর্মের চিন্তন ও কর্মপ্রয়াস সরদার জয়েনউদদীনের মস্তিষ্কপ্রসূত।

স্বাধীনতার পর ১ জুলাই ১৯৭২ স্বাধীন দেশের জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্রের পরিচালক হিসেবে নিয়োগ পেয়ে তিনি স্বাধীন ও সার্বভৌম দৃষ্টিতে বই আন্দোলনকে এগিয়ে নেন। এ প্রসঙ্গে ১৯৭২ সালে সাপ্তাহিক বিচিত্রা পত্রিকায় এক সাক্ষাৎকারে সরদার বলেন, আমরা পুরো পরিকল্পনাটিকে একটি আন্দোলন বলছি, কারণ সবাই যেন এতে আন্দোলিত হয়, সবাই যেন জাগ্রত হয়। বইয়ের জন্য, জ্ঞানের জন্য আরও উৎসাহী হয়। দেশের বিভিন্ন স্তরের লোকের মধ্যে শিক্ষার আলোক যদি স্পর্শ করাতে হয়, তবে সবাইকে বই পড়ার সুযোগ করে দিতে হবে। বাংলাদেশের ট্রিপিক্যাল প্যারাডক্স হচ্ছে যে, যাদের বই কেনার পয়সা আছে তাদের বই পড়ার ইচ্ছে নেই। যাদের বই পড়ার চাহিদা আছে তাদের বই কেনার ক্ষমতা নেই।” [সূত্র: ১ম বর্ষ, ১৫ সংখ্যা সাপ্তাহিক বিচিত্রা ১৯৭২]

স্বাধীন দেশের এমন বইবান্ধব চিন্তক মানুষটি ইউনেস্কো ঘোষিত আন্তর্জাতিক গ্রন্থবর্ষ হিসেবে ১৯৭২ সালকে সামনে পেয়ে জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্রের উদ্যোগে বাংলা একাডেমিতে একটি আন্তর্জাতিক বইমেলার আয়োজন করেন। ১৯৭২ সালের ২০-২৬ ডিসেম্বর সপ্তাহব্যাপী এই গ্রন্থমেলা বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে আয়োজিত হয়েছিল। গ্রন্থমেলার উদ্বোধন করেন রাষ্ট্রপতি আবু সাঈদ চৌধুরী। গ্রন্থমেলার স্লোগান ছিল ‘বই সবার জন্য’। এই গ্রন্থমেলায় ইউনস্কোসহ ভারত, জাপান, ফ্রান্স, অস্ট্রেলিয়া, ভিয়েতনাম, সোভিয়েত ইউনিয়ন, ব্রিটেন, বুলগেরিয়া অংশ নেয়। এ অনুষ্ঠানের সময় বাংলা একাডেমির দেয়ালের বাইরে স্ট্যান্ডার্ড পাবলিশার্সের রুহুল আমিন নিজামী তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়নের প্রগতি প্রকাশনীর কিছু বইয়ের পসরা সাজিয়ে বসেন। তার দেখাদেখি পরদিন যুক্ত হন মুক্তধারা প্রকাশনীর প্রকাশক চিত্তরঞ্জন সাহা ও বর্ণমিছিলের কর্ণধার তাজুল ইসলাম। সেই তার বিছানো বইয়ের পসরাই নানা অনুষঙ্গের মিছিলে আজকের অমর একুশে গ্রন্থমেলার মহীরূহে পরিণত হয়েছে। যে চট বিছিয়ে সেট আয়োজনের প্রেক্ষাপট ও পরিবেশ সৃজন করেছিলেন সরদার জয়েনউদদীন- এ কথা ইতিহাসের স্মারক। তা আমাদের মনে রাখতে হবে এবং মান্য করতে হবে। চিত্তরঞ্জন সাহা ছাড়া অন্য দু’জন পরবর্তী সময় প্রকাশনার ক্ষেত্রে কর্মতৎপরতা প্রাণিধানযোগ্য না হওয়ায় পাশাপাশি চিত্তরঞ্জন সাহার স্বাধীনতা-পরবর্তীকালে প্রকাশনার জগতে ব্যাপক তৎপরতার ফলে অমর একুশে গ্রন্থমেলার আঁতুরঘরের আলোচনায় তিনিই সবচেয়ে স্মরণযোগ্য। চিত্তরঞ্জন সাহা প্রকাশনাকে প্রতিষ্ঠানিক কাঠামোতে রূপ দিতে এশিয়ান কালচার ফর ইউনেস্কোর বুক ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রামে প্রশিক্ষণ নিয়ে আসেন। তিনি তার প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান মুক্তধারা থেকে ‘বইয়ের খবর’ নামে একটি পত্রিকা নিয়মিত প্রকাশ করেন। বই প্রকাশনার জন্য একটি রিভিউয়ার প্যানেল তৈরি করেন। এই প্যানেলে ছিলেন অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী, সুব্রত বড়ুয়া, শামসুজ্জামান খান, হাশেম খান, আবুল হাসনাত প্রমুখ। সারা দেশে গ্রন্থমেলা সেমিনার, সিম্পোজিয়ামসহ নানামুখী বইবান্ধব কর্মপ্রয়াস চালিয়ে বাংলাদেশের প্রকাশনার প্রতিষ্ঠানিকতায় কিছুটা ভিত তৈরি করে সৃজনশীল প্রকাশনাকে লোকপ্রিয় করেন তিনি। আজ গ্রন্থমেলা ও বাংলাদেশের প্রকাশনার জগতের আলোচনায় প্রসাদগুণেই চিত্তরঞ্জন সাহা স্মরণযোগ্য।

১৯৭২ সালের আন্তর্জাতিক গ্রন্থমেলার উৎসব লোগো এবং গ্রন্থমেলা উপলক্ষে পাঠকের উচ্চারণ নামে ছোট একটি নান্দনিক পুস্তিকা প্রকাশ করেছিলেন সরদার জয়েনউদদীন। গ্রন্থমেলার নিমন্ত্রণ কার্ড ও খামের ডিজাইনেও নান্দনিকতা ছিল। এ মেলার পুস্তিকা ২৪ পৃষ্ঠার ও মোহাম্মদ মহসীনের আঁকা প্রচ্ছদপট ছিল। পুস্তিকাটি বই নিয়ে বিভিন্ন মনীষীর বাণী ও বইসংক্রান্ত বিভিন্ন তথ্যের সন্নিবেশ ছিল।

স্বাধীন বাংলাদেশে ১৯৭২ সালের গ্রন্থমেলার অব্যবহতি পর ১৯৭৩ ও ১৯৭৪ সালে এপ্রিলে (বাংলা বৈশাখ মাসে) সরদার জয়েনউদদীন বর্তমান শিল্পকলা একডেমিতে একটি জাতীয় গ্রন্থমেলার আয়োজন করেন। [সূত্র: দৈনিক সমকাল ৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৪] জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্রের আয়োজনে জেলায় জেলায় বইমেলার আয়োজনের প্রসার ঘটান। এসব মেলায় শুধু বইয়ের পসরা নয়, আলোচনা, আড্ডা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের সহযোগ থাকত। অভিনেতা ও আবৃত্তি শিল্পী গোলাম মোস্তফা, হাসান ইমাম, হাসান আজিজুল হকসহ শিল্পী, সাহিত্যিক ও বহু বুদ্ধিজীবী এতে অংশ নেন।

সরদার জয়েনউদদীন অনুধাবন করতেন তৃণমূলের গ্রন্থমেলা হচ্ছে সমাজ জাগরণের বাতিঘর। তাই তিনি চট্টগ্রাম, রাজশাহী, খুলনা, সিলেট, ময়মনসিংহ, দিনাজপুর, বরিশাল, বগুড়া শহরে বাৎসরিক মেলার আয়োজন করেন। এর মধ্যে আঞ্চলিক মেলার আয়োজন করেন জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্র যশোর ও মাদারীপুরে। তিনি জেলায় জেলায় গ্রন্থমেলা করেই থামতে চাননি তার চিন্তার ক্যানভাসে ছিল থানাগুলোতে এ মেলার আয়োজন করা । কিন্তু তার সে উদ্যোগ তিনি নানা প্রতিকূল পরিস্থিতিতে বাস্তব রূপদান করতে পারেননি।

ঢাকার বাইরের বইমেলার বিভিন্ন পর্বে অংশ নেন কবি শামসুর রাহমান, আবু হেনা মোস্তফা কামাল, অভিনেতা গোলাম মোস্তাফা, হাসান আজিজুল হক প্রমুখ। সরদার জয়েনউদ্দীনের তৃণমূলের গ্রন্থমেলার মাধ্যমে পাঠাভ্যাস বৃদ্ধির আন্দোলনে উজ্জীবিত হয়ে ঢাকার বাইরে সেসময় কয়েকজন গ্রন্থকর্মী সৃজন হয়েছিল যাদের মধ্যে যশোরের অধ্যাপক শহীদ হোসেন ও আমীর উল ইসলাম খান, মাদারীপুরের কামাল উজ্জামান প্রমুখ উল্লেখযোগ্য। [সূত্র : বই পত্রিকা মার্চ-২০০৮ সংখ্যা, জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্র, ঢাকা]

সরদার জয়েনউদদীনের কর্মপ্রয়াসে জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্রে নব-আঙ্গিকে ভিন্ন মাত্রা পায়। বইমেলা আয়োজনের পাশাপাশি বই পড়ার আয়োজনও করেন। বই পড়ার হার ও মান নির্ণয়ের জন্য সারা দেশে জরিপ কাজ চালান। বাংলাদেশের লেখকদের গ্রন্থপঞ্জিও প্রকাশ করেছিল জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্র। স্কুলের ছাত্রছাত্রীদের গ্রন্থপাঠের অভ্যাস গড়ে তুলতে স্কুলে স্কুলে বক্তৃতামালার আয়োজন করা হয়েছিল। জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্রের পরিচালক হিসেবে সরদার জয়েনউদ্দীন ভারত, শ্রীলংকা, জার্মানি প্রভৃতি দেশে অনুষ্ঠিত গ্রন্থমেলায় অংশগ্রহণ করেন। জার্মানির ফ্রাঙ্কফুটে গ্রন্থমেলায় অংশ নিয়ে বাংলাদেশের স্টল রৌপ্য পদক পায়। সরদার জয়েনউদদীন ফ্রাঙ্কফুট গ্রন্থমেলায় ব্যক্তিগতভাবে একটি পদকও লাভ করেন। ১৯৭৮ সালে রাশিয়াতে যাওয়া স্থির হয়েছিল সরদার জয়েনউদদীনের, কিন্তু তার পূর্বেই সরকার এই প্রাগ্রসর চিন্তার মানুষটিকে অযাচিতভাবে অব্যাহতি দেন জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্রের পরিচালকের দায়িত্ব থেকে। তৎকালীন সরকার তাদের চিন্তা ও পরিকল্পনের সঙ্গে সরদারের সাজুয্য মনঃপুত হয়নি বিধায় অসময়ে জয়েনউদদীনকে জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্র ছাড়তে হয়। ফলে গ্রন্থকেন্দ্র বঞ্চিত হয় সরদারের কর্মকুশলতার সুফল লাভে।

আজ অমর একুশে গ্রন্থমেলা বাঙালি সংস্কৃতি লালনের এক তীর্থভূমি। ফেব্রুয়ারিতে মেগাসিটি ঢাকার সব চলার পথের মোহনা যেন গ্রন্থমেলার মাঠ। বইমেলার প্রারম্ভে এর আঁতুরঘরে যেসব কুশীলব শ্রম নিবেদন করেছেন তাদের সম্মান জানানো জরুরি। গ্রন্থমেলার দীর্ঘদিনের চলার পথ পরিক্রমণে বিভিন্ন ব্যক্তি, গোষ্ঠী বিশেষ করে অমর একুশে গ্রন্থমেলার নামে ১৯৮৪ সাল থেকে বাংলা একাডেমির গ্রন্থমলার মূল কাণ্ডারী হিসেবে ধন্যবাদের দাবিদার। গ্রন্থমেলায় যেমন নতুন নতুন সুযোগ-সুবিধার সংযোগ ঘটছে তেমনই সমস্যারও নব মাত্রিকতা নিয়ে হাজির হচ্ছে। গ্রন্থমেলার অংশীজনদের আন্তরিক উদ্যোগই পারে মেলা আরও লোকপ্রিয় ও পাঠকবান্ধব করতে।

লেখক : গবেষক, প্রকাশক ও খণ্ডকালীন শিক্ষক, প্রিন্টিং অ্যান্ড পাবলিকেশন স্টাডিজ বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

শিল্প সংস্কৃতি

লিখেছেন

সেলিনা হোসেন

আবদুস সেলিম

গাজী মাজহারুল আনোয়ার

মতিন বৈরাগী

বিমল গুহ

রাজু আলাউদ্দিন

এ কে এম শাহনাওয়াজ

মিলন কান্তি দে

খান মাহবুব

রেজাউল করীম

ঘটনাপ্রবাহ : যুগান্তর বর্ষপূর্তি-১৮

 

 

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৮

converter
.