হায়রে দুনিয়া

  গ্রন্থনা : সজীব রায় ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১৮, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

উটের সুন্দরী প্রতিযোগিতা

জমকালো অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে বিশ্বে প্রতিবছর সেরা সুন্দরীদের খোঁজে মিস ওয়ার্ল্ডস, মিস ইউনিভার্সসহ নানা ধরনের প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। যেখানে সেরা সুন্দরীর খেতাব পান অনেকে। তবে বিশ্বে অন্যরকম কিছু সুন্দরী প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয় যা জানলে অনেকেই অবাক হবেন। এমনই অবাক করা একটি সুন্দরী প্রতিযোগিতা প্রতিবছরই অনুষ্ঠিত হয় সৌদি আরবে। দেশটিতে জমকালো আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয় উট সুন্দরী প্রতিযোগিতা!

ডেইলি মেইলের এক প্রতিবেদন থেকে জানা যায় ২০০০ সাল থেকে ‘কিং আব্দুল আজিজ ক্যামেল ফেস্টিভাল’ নামে প্রতিবছর অনুষ্ঠিত হচ্ছে উট সুন্দরী প্রতিযোগিতা। উট সুন্দরী প্রতিযোগিতায় এ বছর মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন রাষ্ট্র থেকে প্রায় ৩০ হাজার উট অংশ নিচ্ছে। প্রতিযোগিতাটি অনুষ্ঠিত হচ্ছে সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদের অদূরে আল ধানায়।

প্রতিযোগিতায় চূড়ান্তভাবে জিততে হলে অনেকগুলো ধাপ পার হতে হবে। সুন্দরী উটকে দৌড়ে জিততে হবে, সুন্দরী উটের মাথার আকার, নাক, কান, দাঁত চোয়ালের গঠন কেমন তাও পরখ করবেন বিচারকরা। শরীরে চামড়া ভাঁজ পড়েছে কিনা সেগুলোও যাচাই করা হবে। আর সবকিছুতে উতরে যাওয়ার পরই মিলবে সেরা সুন্দরীর খেতাব। সেই সঙ্গে বিজয়ী উট পাবে প্রায় ২৬১ কোটি টাকা।

ব্যাগে নিজের হৃদপিণ্ড নিয়ে ঘুরছেন তিনি

শিরোনাম দেখে চোখ কপালে উঠেছে নিশ্চই। ভাবছেন এটা কিভাবে সম্ভব! শুনতে অবিশ্বাস্য লাগলেও এটাই সত্যি, ব্রিটেনের বাসিন্দা সেলহা হোসেইনের শরীরে সত্যিকারের কোনো হৃদপিণ্ড নেই। সেটি থাকে তার সঙ্গে থাকা ব্যাগে। সালহা হচ্ছেন যুক্তরাজ্যের প্রথম নারী যার শরীরের বাইরে একটি কৃত্রিম হৃদপিণ্ড লাগানো হয়েছে।

বিবিসির এক সংবাদ থেকে আরও জানা যায় হৃদপিণ্ডের সমস্যায় আক্রান্ত হওয়ার পর ব্রিটেনের চিকিৎসকরা তার শরীরে একটি কৃত্রিম হৃদপিণ্ড লাগিয়ে দিয়েছেন। যতদিন তিনি একজন হৃদপিণ্ডের ডোনার না পাচ্ছেন, ততদিন তাকে এটি বয়ে বেড়াতে হবে।

সালহা হোসেইন বলেন, ‘আমার মেয়ের বয়স যখন ছয় বছর, একদিন সকালে বুকে ভয়াবহ ব্যথা শুরু হয়। সেই সঙ্গে শ্বাসকষ্ট। আমি বুঝতে পারছিলাম এটা মারাÍক কিছু হয়েছে। দ্রুত হাসপাতালে যাওয়ার পর চিকিৎসকরা জানালেন, আমার হৃদপিণ্ড প্রতিস্থাপন করতে হবে। কিন্তু আমি এতটাই অসুস্থ ছিলাম, তারা আমার আমাকে একটি কৃত্রিম হৃদপিণ্ড সংযোজন করে দিতে বাধ্য হয়।’ এই বহনযোগ্য যন্ত্রটি তার শরীরের রক্ত সরবরাহ ঠিক রাখে।

ডিম ছোড়ার প্রতিযোগিতা

ছোটবেলা থেকেই কত রকম প্রতিযোগিতার কথাই না শুনেছেন। তবে এবার মজার একটি প্রতিযোগিতার কথা জানাব। ‘ওয়ার্ল্ড এগ থ্রোয়িং ফেডারেশন’ নামে একটা সংস্থা প্রতি বছর ডিম ছোড়ার প্রতিযোগিতার আয়োজন করে থাকে। যেখানে মজার ছলে একে অপরকে ডিম ছুড়েন।

ধারণা করা হয়ে থাকে, ১৩২২ সাল থেকে ব্রিটেনের লাঙ্কাশায়ারের কোনো কোনো গ্রামে মজার ছলে এই খেলা অনুষ্ঠিত হতো ইস্টারের সময়। ধীরে ধীরে এটি খেলায় রূপ নেয়। কে কতদূর ডিম ছুড়তে পারে তার প্রতিযোগিতা হয় এখন। পাশাপাশি কাউকে অপছন্দ হলে তাকে ডিম ছুড়ে ঝালও মেটানো হয়। এই খেলায় জিতলে চ্যাম্পিয়ন হওয়ারও সুযোগ আছে। ২০০৬ সাল থেকে এই খেলার প্রচলন শুরু। প্রতি বছর জুনে এটি অনুষ্ঠিত হয়। ডিম খেলা প্রতিযোগিতায় অনেক ধরনের নিয়ম আছে। দু’টি দল ভাগ হয়ে একে অন্যকে ডিম ছুড়তে থাকেন। বিপরীত দলের কেউ যদি ডিম ধরতে পারেন তাহলে তিনি আবার পাল্টা ডিম ছোড়েন বিপক্ষ দলের দিকে। এভাবেই খেলা এগোতে থাকে। নিউজটি প্রকাশিত হয়েছে বিবিসি নিউজে।

 
আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

 

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৮৪১৯২১১-৫, রিপোর্টিং : ৮৪১৯২২৮, বিজ্ঞাপন : ৮৪১৯২১৬, ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৭, সার্কুলেশন : ৮৪১৯২২৯। ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৮, ৮৪১৯২১৯, ৮৪১৯২২০

E-mail: [email protected], [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৮

converter