প্রবাসী বন্ডে যেভাবে বিনিয়োগ করবেন

  যুগান্তর রিপোর্ট ০৪ ডিসেম্বর ২০১৮, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

বিদেশে অবস্থানরত বাংলাদেশি প্রবাসীদের জন্য দেশে তিনটি বন্ডে বিনিয়োগের সুযোগ রয়েছে। এর মধ্যে ‘ওয়েজ আর্নার ডেভেলপমেন্ট বন্ড’ নামে একটি বন্ড চালু আছে, যা খুবই জনপ্রিয়। এছাড়া ইউএস ইনভেস্টমেন্ট ডলার বন্ড ও ইউএস প্রিমিয়ার বন্ডেও বিনিয়োগ করতে পারবেন তারা।

ওয়েজ আর্নার ডেভেলপমেন্ট বন্ড : ওয়েজ আর্নার ডেভেলপমেন্ট বন্ডের যাত্রা ১৯৮১ সালে। পাঁচ বছর মেয়াদি এ বন্ডে সর্বনিু ২৫ হাজার টাকা থেকে সর্বোচ্চ ৫০ লাখ টাকা পর্যন্ত বিনিয়োগ করা যায়। মেয়াদ শেষে মুনাফা ১২ শতাংশ। প্রতি ছয় মাস অন্তর মুনাফা তোলার সুযোগ রয়েছে। কেউ যদি ছয় মাসে মুনাফা না তোলে তবে মেয়াদপূর্তিতে মূল অঙ্কের সঙ্গে ষান্মাসিক ভিত্তিতে ১২ শতাংশ চক্রবৃদ্ধি হারে মুনাফা প্রদান করা হবে। এ বন্ডে বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধার অন্যতম হচ্ছে- মৃত্যুঝুঁকি ও সিআইপি সুবিধা। আট কোটি টাকা বা তার চেয়ে বেশি বিনিয়োগ করলে সিআইপি সুবিধা পাওয়া যাবে। প্রবাসীরা ‘ওয়েজ আর্নার’ নিজ নামে বা আবেদনপত্রে উল্লিখিত তার মনোনীত ব্যক্তি অথবা প্রেরিত বৈদেশিক মুদ্রার সুবিধাভোগীর নামে এ বন্ড কিনতে পারেন। বিদেশে লিয়েনে কর্মরত বাংলাদেশি সরকারি, সংবিধিবদ্ধ সংস্থা, স্বায়ত্তশাসিত ও আধা স্বায়ত্তশাসিত সংস্থার কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং বিদেশে বাংলাদেশি দূতাবাসে কর্মরত সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী, যারা বৈদেশিক মুদ্রায় ভেতন-ভাতা পেয়ে থাকেন; তারা ওয়েজ আর্নার ডেভেলপমেন্ট বন্ডে বিনিয়োগ করতে পারবেন। দেশে তফসিলি ব্যাংকের যেসব প্রধান কার্যালয় এবং শাখায় ওয়েজ আর্নারদের বৈদেশিক মুদ্রার অ্যাকাউন্ট আছে, সেসব শাখায় এ বন্ড পাওয়া যাবে। এছাড়া বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশি ব্যাংক বা প্রতিনিধিত্বকারী ব্যাংকেও এটি পাওয়া যাবে।

ইউএস প্রিমিয়ার বন্ড: ইউএস প্রিমিয়ার বন্ড প্রবর্তন হয় ২০০২ সালে। তিন বছর মেয়াদি এ বন্ডে সর্বনিু ৫০০ ডলার থেকে সর্বোচ্চ ৫০ হাজার ডলার পর্যন্ত বিনিয়োগ করা যায়। মেয়াদ শেষে মুনাফা সাড়ে ৭ শতাংশ। প্রতি ছয় মাস অন্তর সরল সুদে মুনাফা তোলা যায়। তবে মেয়াদপূর্তির আগে বন্ড ভাঙতে চাইলে ১ থেকে দেড় শতাংশ সুদ কমে যাবে। এছাড়া এ বন্ডের ক্ষেত্রেও মৃত্যুঝুঁকি ও সিআইপি সুবিধা পাওয়া যাবে। অনিবাসী হিসাবধারীর নামে বন্ড ইস্যু করা যাবে, যার হিসাবে বিদেশ থেকে রেমিটেন্স পাওয়া যায়। এছাড়া অনিবাসী হিসাবে জমাকৃত রেমিটেন্সের বিপরীতে ফরেন কারেন্সি হিসাব ধারকের নামে ইউএস প্রিমিয়ার বন্ড ইস্যু করা যাবে। দেশের সকল তফসিলি ব্যাংকের অথরাইজড ডিলার (এডি) শাখা, বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশি ব্যাংক বা প্রতিনিধিত্বকারী ব্যাংক এবং বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশি ব্যাংকের আওতাধীন এক্সচেঞ্জ কোম্পানির মাধ্যমে ইউএস প্রিমিয়ার বন্ড ক্রয় করা যাবে। এছাড়া ইউএস ইনভেস্টমেন্ট ডলার বন্ডের ক্ষেত্রেও ইউএস প্রিমিয়ার বন্ডের উল্লিখিত নিয়মগুলো প্রযোজ্য।

জানতে চাইলে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র সিরাজুল ইসলাম যুগান্তরকে বলেন, প্রবাসীদের জন্য তিন ধরনের বন্ড চালু করা হয়েছে।

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

converter
×