মেগা প্রকল্প নিয়ে বৈঠকে বসছেন অর্থমন্ত্রী

  যুগান্তর রিপোর্ট ১৮ জানুয়ারি ২০১৯, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

মেগা প্রকল্প নিয়ে বৈঠকে বসছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। আগামী রোববার এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা। অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) সচিব মনোয়ার আহমেদ এ তথ্য জানিয়েছেন। বৃহস্পতিবার ইআরডিতে সাংবাদিকদের জন্য আয়োজিত এক কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, মেগা প্রকল্পগুলোর বাস্তবায়ন দ্রুত হলে দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে সেগুলো বিশেষ ভূমিকা রাখতে পারে। তাই মেগা প্রকল্পে বিশেষ গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে। সে কারণেই প্রকল্পসংশ্লিষ্টদের সঙ্গে বৈঠক করবেন অর্থমন্ত্রী।

এতে ফাস্টট্র্যাকভুক্ত সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার প্রাপ্ত প্রকল্পরগুলোর অগ্রগতির অবস্থা এবং বাস্তবায়নের গতি বাড়াতে করণীয় ইত্যাদি বিষয় সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা হতে পারে বলে ইআরডি সূত্র জানিয়েছে। ফাস্টট্র্যাকভুক্ত প্রকল্পগুলো হচ্ছে- পদ্মা সেতু, রূপপুর পরমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র, রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্র, ‘মাতারবাড়ি বিদ্যুৎ প্রকল্প, মেট্রোরেল, এলএনজি টার্মিনাল, গভীর সমুদ্র বন্দর, পায়রা গভীর সমুদ্র বন্দর, পদ্মা সেতুতে রেল সংযোগ প্রকল্প এবং দোহাজারী-রামু হয়ে কক্সবাজার এবং রামু-মিয়ানমারের নিকটে ঘুমধুম পর্যন্ত সিংগেল লাইন ডুয়েলগেজ ট্র্যাক নির্মাণ প্রকল্প। রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ইআরডির অতিরিক্ত সচিব আনোয়ার হোসেন। বক্তব্য রাখেন এইড ইনফরমেশন ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (এইমস) প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক ড. রেজাউল বাশার সিদ্দিকী এবং যুগ্ম-প্রধান আবদুল আখের। কর্মশালায় জানানো হয়, স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে বাংলাদেশ বেরিয়ে গেলেও খুব বেশি সমস্যা হবে না। বিশ্বব্যাংক এবং জাইকার ঋণের সুদের হার কিছুটা বাড়ালেও চীন, রাশিয়া এবং ভারতসহ বিভিন্ন দেশের কাছ থেকে যেসব ঋণ নেয়া হচ্ছে সেগুলোর সুদের হার আপাতত বাড়ছে না। তবে সুদবিহীন বা স্বল্প সুদের ঋণ কমে যাবে। কিন্তু অন্যান্য ঋণের সুযোগ অনেক বেড়ে যাবে। সেই সঙ্গে প্রথাগত উন্নয়ন সহযোগীর বাইরেও বিভিন্ন নতুন নতুন উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা ও দেশের কাছ থেকে ঋণ পাওয়া যাবে। তবে পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে বেশ কিছু ঝুঁকি রয়েছে বলেও উল্লেখ করা হয়। সেগুলোর মধ্যে অন্যতম হচ্ছে- অনুদান কমে যাওয়া, ঋণের খরচ বেড়ে যাওয়া ইত্যাদি।

বৈদেশিক সহায়তার পাইপলাইন সম্পর্কে বলা হয়েছে, বর্তমানে পাইপলাইনে রয়েছে ৪৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। এই অর্থ গত কয়েক বছরেই প্রতিশ্রুতি হিসেবে জমা হয়েছে। এটা ভালো দিক। অর্থাৎ প্রতিশ্রুতি বেশি হয়েছে বলেই পাইপলাইন বড় হয়েছে। কেন না, কোনো ঋণ চুক্তি হলেই সেটি পাইপলাইনে যুক্ত হয়। কিন্তু সব অর্থ এক বছরে ছাড় করার কথা নয়। প্রকল্প মেয়াদে এই টাকা ছাড় করার প্রতিশ্রুতি দেয় উন্নয়ন সহযোগীরা। তাছাড়া দেশের স্বার্থেই একটি স্বাস্থ্যকর পাইপলাইন থাকা প্রয়োজন।

আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

converter
×