পায়রা গভীর সমুদ্রবন্দর

অবকাঠামো উন্নয়নে ধীরগতি

স্টিয়ারিং কমিটির সভা

  হামিদ-উজ-জামান ২৫ মার্চ ২০১৯, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

সমুদ্রবন্দর

ধীরগতিতে চলছে পায়রা গভীর সমুদ্রবন্দরের অবকাঠামো উন্নয়নের কাজ। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ভূমি অধিগ্রহণ এবং পুনর্বাসন কাজে বিলম্ব হওয়ায় প্রকল্পের কাজে তিন বছরে অগ্রগতি ৩৮ দশমিক ৭২ শতাংশ। শুরু থেকে অর্থাৎ ২০১৫ সালের জুলাই থেকে গত বছরের ডিসেম্বর পর্যন্ত ব্যয় হয়েছে ১ হাজার ১২৮ কোটি ৪৩ লাখ টাকা।

‘পায়রা গভীর সমুদ্রবন্দরের কার্যক্রম পরিচালনার লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় অবকাঠামো সুবিধাদির উন্নয়ন’ শীর্ষক ফাস্টট্র্যাকভুক্ত প্রকল্পটির স্টিয়ারিং কমিটির তৃতীয় সভায় অগ্রগতির এ চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। গত ২২ জানুয়ারি নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আবদুস সামাদের সভাপতিত্বে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভার কার্যবিবরণী সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

তবে পায়রা বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান কমোডর জাহাঙ্গীর আলম প্রকল্পের ধীরগতির বিষয় মানতে নারাজ। বৃহস্পতিবার তিনি যুগান্তরকে বলেন, ৩৮ দশমিক ৭২ শতাংশ ঠিক নয়। বাস্তবে অগ্রগতি আরও অনেক বেশি। তবে সামান্য ধীরগতি রয়েছে মূলত ভূমি অধিগ্রহণ এবং পুনর্বাসন কাজের কারণে। ভূমি অধিগ্রহণ একটি দীর্ঘ মেয়াদি প্রক্রিয়া। প্রকল্পের ৬০ হাজার একর ভূমি অধিগ্রহণ করতে হচ্ছে। এর মধ্যে ২ হাজার ৪০০ একর ভূমি অধিগ্রহণ হয়েছে। বাকি জমির অধিগ্রহণ প্রক্রিয়ার বিভিন্ন ধাপে রয়েছে।

আর পুনর্বাসনের জন্য জনগণকে একতলা বাড়ি করে দিতে হবে। এসব তৈরিতে সময় লাগবে। তবে চেয়ারম্যান হিসেবে আমি মনে করি প্রকল্পটি সন্তোষজনকভাবে বাস্তবায়ন হচ্ছে। এ প্রসঙ্গে প্রকল্প তদারকির দায়িত্বপ্রাপ্ত পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের বাস্তবায়ন, পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগের (আইএমইডি) মহাপরিচালক মো. কামরুজ্জামান বৃহস্পতিবার যুগান্তরকে জানান, এ প্রকল্পটিসহ ফাস্টট্র্যাক প্রকল্পগুলোর বিষয়ে আগামী আগামী কয়েদিনের মধ্যে পরিকল্পনামন্ত্রী এমএ মান্নানের সভাপতিত্বে একটি পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে। সেখানেই প্রকল্পটি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনার পর জানা যাবে বাস্তবায়নের কি অবস্থা।

সভায় জানানো হয়, পায়রা বন্দর কর্তৃপক্ষের বাস্তবায়নাধীন এ প্রকল্পটির মূল ব্যয় ধরা হয়েছিল ১ হাজার ১২৮ কোটি ৪৩ লাখ টাকা। বাস্তবায়নের মেয়াদ ধরা হয় ২০১৫ সালের জুলাই থেকে ২০১৮ সালের জুন পর্যন্ত। পরবর্তীতে ব্যয় বাড়িয়ে ৩ হাজার ৩৫০ কোটি ৫১ লাখ টাকা এবং মেয়াদ বাড়িয়ে করা হয় ২০২০ সালের জুন পর্যন্ত। সভায় জানানো হয়, প্রকল্পের কার্যক্রম সম্পাদনের জন্য রজপাড়া, ইটবাড়িয়া, নিশানবাড়িয়ায় জমি অধিগ্রহণে চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য একটি প্রস্তাব ভূমি মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে।

এছাড়া রজপাড়া ইটবাড়িয়া লালুয়া ও বানাতিপাড়ায় ৩৪৭ দশমিক ১১ একর ভূমির সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের জন্য কার্যক্রম শেষ করে প্রস্তাবটি জেলা ভূমি বরাদ্দ কমিটির সভায় গত ২০ জানুয়ারি উপস্থাপন করা হয়েছে। প্রকল্পের ভূমি অধিগ্রহণ সংক্রান্ত কার্যক্রম দ্রুত করতে পটুয়াখালীর জেলা প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট সবার সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখতে সভায় নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

converter
×