শেয়ারবাজারে টানা দরপতন

ডিএসইর প্রধান সূচক ৩৬ পয়েন্ট কমে ৫৩৮৪ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে

প্রকাশ : ০৩ জুলাই ২০১৯, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

  যুগান্তর রিপোর্ট

শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানির রিজার্ভের ওপর কর আরোপ সংক্রান্ত সিদ্ধান্তে বড় ধরনের পরিবর্তন আনা হলেও, দেশের শেয়ারবাজারে দরপতন থামছে না। উল্টো টানা দরপতন দেখা দিয়েছে।

আগের কার্যদিবসের ধারাবাহিকতায় মঙ্গলবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) এবং চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) দরপতন হয়েছে। এর মাধ্যমে নতুন অর্থবছরের (২০১৯-২০) প্রথম কার্যদিবসেই শেয়ারবাজারে দরপতন ঘটল।

এদিন ডিএসইর প্রধান সূচকটি আগের কার্যদিবসের তুলনায় ৩৬ পয়েন্ট কমে দাঁড়িয়েছে ৫ হাজার ৩৮৪ পয়েন্টে। অপর দুই সূচকের মধ্যে ডিএসই শরিয়াহ সূচক ৯ পয়েন্ট কমে দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ২৩৫ পয়েন্টে। আর ডিএসই-৩০ সূচক ১৬ পয়েন্ট কমে ১ হাজার ৯১২ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে।

শেয়ারবাজারে দরপতনের কারণ হিসেবে বিশ্লেষক বলছেন, বাজেটে বেশ কিছু প্রণোদনা দেয়া হলেও বাজারে তারল্য সংকট রয়েছে। এর পাশাপাশি সঞ্চয়পত্রের সুদ হারও বেশি। মূলত এই দুই কারণে শেয়ারবাজারে দরপতন হচ্ছে।

এদিকে মূল্যসূচক পতনের পাশাপাশি মঙ্গলবার ডিএসইতে লেনদেনে অংশ নেয়া বেশির ভাগ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম কমেছে। ডিএসইতে লেনদেন হওয়া ১৪৩ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম বেড়েছে। বিপরীতে দাম কমেছে ১৭৪টি এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৩৬টির। তবে লেনদেনের পরিমাণ কিছুটা বেড়েছে। দিনভর ডিএসইতে ৪৮২ কোটি ৭১ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। আগের কার্যদিবসে লেনদেন হয়েছিল ৪৬৯ কোটি ৭৫ লাখ। অর্থাৎ লেনদেন বেড়েছে ১২ কোটি ৯৬ লাখ টাকা।

টাকার অংকে ডিএসইতে সবচেয়ে বেশি লেনদেন হয়েছে রানার অটোমোবাইলের শেয়ার। কোম্পানিটির ১৩ কোটি ৭৩ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। লেনদেনে দ্বিতীয় স্থানে থাকা ন্যাশনাল পলিমারের ১৩ কোটি ৪৭ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। ১৩ কোটি ২ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেনের মাধ্যমে তৃতীয় স্থানে উঠে এসেছে ইউনাইটেড পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানি।

এছাড়া বাজারটিতে লেনদেনের দিক থেকে শীর্ষ ১০ প্রতিষ্ঠানের তালিকায় রয়েছে- বসুন্ধরা পেপার মিল, এস্কয়ার নিট কম্পোজিট, জিনেক্স ইনফোসিস, স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যাল, জেএমআই সিরিঞ্জ, সিনো বাংলা এবং নিউ লাইন ক্লোথিং।

অন্যদিকে, চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের সার্বিক সূচক ১২২ পয়েন্ট কমে দাঁড়িয়েছে ১৬ হাজার ৫১২ পয়েন্টে। বাজারটিতে হাত বদল হওয়া ২৬৪টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে দাম বেড়েছে ১১৫টির, কমেছে ১২৬টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ২৩টির দর। লেনদেন হয়েছে ৫৪ কোটি ১৬ লাখ টাকা।