লেদার ওয়ার্কিং গ্রুপের সনদ পেল অস্টান লিমিটেড
jugantor
লেদার ওয়ার্কিং গ্রুপের সনদ পেল অস্টান লিমিটেড

  যুগান্তর রিপোর্ট  

২৩ আগস্ট ২০১৯, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

বৈশ্বিক সংস্থা লেদার ওয়ার্কিং গ্রুপের (এলডব্লিউজি) মানদণ্ডে নিরীক্ষিত সনদ পেয়েছে ঢাকা রফতানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চলের (ডিইপিজেড) পুরনো জোনের চামড়া প্রক্রিয়াকরণ কারখানা অস্টান লিমিটেড। সম্প্রতি প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইবনুল ওয়ারা এ সনদ গ্রহণ করেন। যুক্তরাজ্যের ইউরোফিনস বিএলসি বিভিন্ন মানদণ্ডের বিবেচনায় এ সনদ প্রদান করে থাকে। বাংলাদেশে ইতিহাসে অস্টান লিমিটেড বাণিজ্যিকভাবে চামড়া প্রক্রিয়াকরণ এবং বেপজার অন্তর্ভুক্ত কারখানা হিসেবেও প্রথম এ সনদ পেল। কারখানার কর্মকর্তারা জানান, অস্টান লিমিটেড শুরু থেকেই টেকসই পরিবেশ উন্নয়নে ও সঠিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় সচেতন এবং এ প্রক্রিয়া কীভাবে উন্নত করা যায়, তা নিয়ে কাজ করে আসছে। সেই সঙ্গে পানি, বিদ্যুৎ, গ্যাসসহ অন্যান্য জ্বালানি সঠিক ব্যবহার করছে।

প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইবনুল ওয়ারা বলেন, সনদ পাওয়া শেষ কথা নয়। আমরা আমাদের সম্পদের সর্বোচ্চ ব্যবহার করব এবং টেকসই পরিবেশ বাস্তবায়নে কাজ করে যাচ্ছি। সেই সঙ্গে অর্জিত সনদের নির্ধারিত মানদণ্ড ধরে রাখাটাই আমাদের মূল লক্ষ্য। এজন্য আমাদের প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।

লেদার ওয়ার্কিং গ্রুপের সনদ পেল অস্টান লিমিটেড

 যুগান্তর রিপোর্ট 
২৩ আগস্ট ২০১৯, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

বৈশ্বিক সংস্থা লেদার ওয়ার্কিং গ্রুপের (এলডব্লিউজি) মানদণ্ডে নিরীক্ষিত সনদ পেয়েছে ঢাকা রফতানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চলের (ডিইপিজেড) পুরনো জোনের চামড়া প্রক্রিয়াকরণ কারখানা অস্টান লিমিটেড। সম্প্রতি প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইবনুল ওয়ারা এ সনদ গ্রহণ করেন। যুক্তরাজ্যের ইউরোফিনস বিএলসি বিভিন্ন মানদণ্ডের বিবেচনায় এ সনদ প্রদান করে থাকে। বাংলাদেশে ইতিহাসে অস্টান লিমিটেড বাণিজ্যিকভাবে চামড়া প্রক্রিয়াকরণ এবং বেপজার অন্তর্ভুক্ত কারখানা হিসেবেও প্রথম এ সনদ পেল। কারখানার কর্মকর্তারা জানান, অস্টান লিমিটেড শুরু থেকেই টেকসই পরিবেশ উন্নয়নে ও সঠিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় সচেতন এবং এ প্রক্রিয়া কীভাবে উন্নত করা যায়, তা নিয়ে কাজ করে আসছে। সেই সঙ্গে পানি, বিদ্যুৎ, গ্যাসসহ অন্যান্য জ্বালানি সঠিক ব্যবহার করছে।

প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইবনুল ওয়ারা বলেন, সনদ পাওয়া শেষ কথা নয়। আমরা আমাদের সম্পদের সর্বোচ্চ ব্যবহার করব এবং টেকসই পরিবেশ বাস্তবায়নে কাজ করে যাচ্ছি। সেই সঙ্গে অর্জিত সনদের নির্ধারিত মানদণ্ড ধরে রাখাটাই আমাদের মূল লক্ষ্য। এজন্য আমাদের প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।

 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন