ভোজ্যতেলের আমদানি বেড়েছে ২৮ শতাংশ
jugantor
ভোজ্যতেলের আমদানি বেড়েছে ২৮ শতাংশ

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

৩১ আগস্ট ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

দেশের বাজারে ভোজ্যতেলের চাহিদা মেটাতে বেসরকারি খাতে এর আমদানি বেড়েছে। গত ২০১৯-২০ অর্থবছরের তুলনায় ২০২০-২১ অর্থবছরে ভোজ্যতেলের আমদানি বেড়েছে ২৮ দশমিক ২৫ শতাংশ। একই সময়ে এলসি খোলা বেড়েছে ১০ দশমিক ৩৭ শতাংশ। আমদানির পর্যায়ে থাকা এলসির পরিমাণও বেড়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য পাওয়া গেছে। আন্তর্জাতিক বাজারে ভোজ্যতেলের দাম বাড়ার কারণে করোনার মধ্যেও এর আমদানি বেড়েছে। তবে পরিমাণগত হিসাবে আমদানি খুব বেশি বাড়েনি।

গত অর্থবছর (২০২০-২০২১) জুলাই থেকে জুন পর্যন্ত ভোজ্যতেলের এলসি ও আমদানি দুটোই বেড়েছে। এ সময় এলসি খোলা হয়েছে ১৪২ কোটি ৫৪ লাখ ডলারের ভোজ্যতেল। এর বিপরীতে ভোজ্যতেল আমদানি হয়েছে ১৪৩ কেটি ১৬ লাখ ডলার। এ সময় আগের অর্থবছরের বকেয়া এলসি থেকে ১৫ কোটি ৭৮ লাখ ডলারের তেল আমদানি হয়েছে। ফলে আলোচ্য বছরে খোলা এলসির চেয়ে আমদানি বেড়েছে বেশি। আলোচ্য বছরে ৪৫ কোটি ৩৪ লাখ ডলারে অপরিশোধিত তেলের এলসি খোলা হয়। এর মধ্যে ৫০ কোটি ৪২ লাখ ডলারের আমদানি হয়। এ সময় আগের অর্থবছরের আমদানি বাকি থাকা দুই কোটি ৬৮ লাখ ডলারের তেল দেশে আনা হয়। পাশাপাশি এ সময় ৯৭ কোটি ১৯ লাখ ডলারের পরিশোধিত তেল আমদানির এলসি খোলা হয়। আমদানি হয় ৯২ কোটি ৭৪ লাখ ডলারের। আগের অর্থবছরের আমদানি বাকি থাকা ১৩ কোটি ১০ লাখ ডলারের তেল দেশে আনা হয়।

এ ছাড়া ২০১৯-২০২০ অর্থবছরে ভোজ্যতেল এলসি খোলা হয়েছে ১২৯ কোটি ১৫ ডলার। আমদানি হয়েছে ১১১ কোটি ৬২ লাখ ডলার। সে সময় এলসি খোলা বেড়েছিল ১০ দশমিক ৩৭ শতাংশ আর আমদানি বেড়েছে ২৮ দশমিক ২৫ শতাংশ।

ভোজ্যতেলের আমদানি বেড়েছে ২৮ শতাংশ

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
৩১ আগস্ট ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

দেশের বাজারে ভোজ্যতেলের চাহিদা মেটাতে বেসরকারি খাতে এর আমদানি বেড়েছে। গত ২০১৯-২০ অর্থবছরের তুলনায় ২০২০-২১ অর্থবছরে ভোজ্যতেলের আমদানি বেড়েছে ২৮ দশমিক ২৫ শতাংশ। একই সময়ে এলসি খোলা বেড়েছে ১০ দশমিক ৩৭ শতাংশ। আমদানির পর্যায়ে থাকা এলসির পরিমাণও বেড়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য পাওয়া গেছে। আন্তর্জাতিক বাজারে ভোজ্যতেলের দাম বাড়ার কারণে করোনার মধ্যেও এর আমদানি বেড়েছে। তবে পরিমাণগত হিসাবে আমদানি খুব বেশি বাড়েনি।

গত অর্থবছর (২০২০-২০২১) জুলাই থেকে জুন পর্যন্ত ভোজ্যতেলের এলসি ও আমদানি দুটোই বেড়েছে। এ সময় এলসি খোলা হয়েছে ১৪২ কোটি ৫৪ লাখ ডলারের ভোজ্যতেল। এর বিপরীতে ভোজ্যতেল আমদানি হয়েছে ১৪৩ কেটি ১৬ লাখ ডলার। এ সময় আগের অর্থবছরের বকেয়া এলসি থেকে ১৫ কোটি ৭৮ লাখ ডলারের তেল আমদানি হয়েছে। ফলে আলোচ্য বছরে খোলা এলসির চেয়ে আমদানি বেড়েছে বেশি। আলোচ্য বছরে ৪৫ কোটি ৩৪ লাখ ডলারে অপরিশোধিত তেলের এলসি খোলা হয়। এর মধ্যে ৫০ কোটি ৪২ লাখ ডলারের আমদানি হয়। এ সময় আগের অর্থবছরের আমদানি বাকি থাকা দুই কোটি ৬৮ লাখ ডলারের তেল দেশে আনা হয়। পাশাপাশি এ সময় ৯৭ কোটি ১৯ লাখ ডলারের পরিশোধিত তেল আমদানির এলসি খোলা হয়। আমদানি হয় ৯২ কোটি ৭৪ লাখ ডলারের। আগের অর্থবছরের আমদানি বাকি থাকা ১৩ কোটি ১০ লাখ ডলারের তেল দেশে আনা হয়।

এ ছাড়া ২০১৯-২০২০ অর্থবছরে ভোজ্যতেল এলসি খোলা হয়েছে ১২৯ কোটি ১৫ ডলার। আমদানি হয়েছে ১১১ কোটি ৬২ লাখ ডলার। সে সময় এলসি খোলা বেড়েছিল ১০ দশমিক ৩৭ শতাংশ আর আমদানি বেড়েছে ২৮ দশমিক ২৫ শতাংশ।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন