শেয়ারবাজারে বড় উত্থান
jugantor
শেয়ারবাজারে বড় উত্থান
ডিএসইএক্স ৬৫ বেড়ে ৭১৪০ পয়েন্টে

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

০৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

শেয়ারবাজারে বড় উত্থান

শেয়ারবাজারে প্রতিদিনই সৃষ্টি হচ্ছে একের পর এক রেকর্ড। বাজার মূলধন ও মূল্যসূচক একের পর এক মাইলফলক স্পর্শ করছে। এরই ধারবাহিকতায় সূচকের বড় উত্থানে মঙ্গলবার লেনদেন শেষ হয়েছে দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই)। এদিন লেনদেন শেষে ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ৬৫ পয়েন্ট বেড়ে ৭ হাজার ১৪০ পয়েন্ট ছাড়িয়েছে। অপর শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সার্বিক সূচক সিএএসপিআই বেড়েছে ১৩৫ পয়েন্ট।

ডিএসইতে এদিন দুই হাজার ৮৬৬ কোটি টাকার লেনদেন হয়েছে, যা আগের দিনের চেয়ে ৩৫ কোটি ৩৫ লাখ টাকা কম। ডিএসইতে সোমবার লেনদেন হয় দুই হাজার ৯০১ কোটি টাকার। এই বাজারে লেনদেনে অংশ নেওয়া যে কটি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম বেড়েছে, প্রায় তার সমানসংখ্যক প্রতিষ্ঠানের দরপতন হয়েছে। দিনের লেনদেন শেষে ডিএসইতে ১৭৭টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিট দাম বৃদ্ধির তালিকায় নাম লেখায়। বিপরীতে দাম কমেছে ১৬৭টির। ৩০টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। মূল্যসূচকের ভুল গণনা বন্ধ করতে ২০১৩ সালের ২৭ জানুয়ারি নতুন সূচক ডিএসইএক্স চালু করে ডিএসই। ৪০৫৫ দশমিক ৯০ পয়েন্ট দিয়ে শুরু হওয়া সূচকটি এই প্রথম সাত হাজার ১০০ পয়েন্টের মাইলফলক ছাড়াল। ডিএসইর অন্য দুই সূচকের মধ্যে বাছাই করা ভালো কোম্পানি নিয়ে গঠিত ডিএসই-৩০ সূচক ৩৭ পয়েন্ট বেড়ে দুই হাজার ৫৮৩ পয়েন্টে অবস্থান করছে। ডিএসইর শরিয়াহ্ সূচক ১৫ পয়েন্ট বেড়ে এক হাজার ৫৫১ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। এ দুটি সূচকও এ যাবতকালের মধ্যে সর্বোচ্চ অবস্থানে অবস্থান করছে।

সবকটি মূল্যসূচক রেকর্ড অবস্থানে উঠে আসার পাশাপাশি বাজার মূলধনও ইতিহাসের সর্বোচ্চ অবস্থানে উঠে এসেছে। ডিএসইর বাজার মূলধন দাঁড়িয়েছে পাঁচ লাখ ৮০ হাজার পাঁচ কোটি টাকায়। এর আগে কখনো ডিএসইর বাজার মূলধন পাঁচ লাখ ৮০ হাজার কোটি টাকায় পৌঁছাতে পারেনি।

টাকার অংকে ডিএসইতে সব থেকে বেশি লেনদেন হয়েছে বেক্সিমকোর শেয়ার। কোম্পানিটির ১৩২ কোটি ৩৪ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। দ্বিতীয় স্থানে থাকা ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকোর ১২২ কোটি ৪১ লাখ টাকার লেনদেন হয়েছে। ৭৫ কোটি ৪৪ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেনের মাধ্যমে তৃতীয় স্থানে রয়েছে সামিট পাওয়ার। এ ছাড়া ডিএসইতে লেনদেনের দিক থেকে শীর্ষ ১০ প্রতিষ্ঠানের তালিকায় রয়েছে সাইফ পাওয়ার টেক, লাফার্জহোলসিম বাংলাদেশ, ওরিয়ন ফার্মা, বাংলাদেশ সাবমেরিন ক্যাবলস, স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস, বিবিএস ক্যাবলস এবং ডরিন পাওয়ার। দর বাড়ার শীর্ষে থাকা কোম্পানিগুলো হলো সমতা লেদার কমপ্লেক্স লিমিটেড, খুলনা পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড, ডমিনেজ স্টিল বিল্ডিং সিস্টেমস লিমিটেড, ফ্যাস ফিন্যান্স, ইন্টারন্যাশনাল লিজিং, এনভয় টেক্সটাইল, বাংলাদেশ সাবমেরিন কেব্ল, প্রিমিয়ার লিজিং, আইসিবি এএমসিএল সেকেন্ড মিউচুয়াল ফান্ড ও বাটা সু লিমিটেড। অন্য শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) লেনদেন হয়েছে ১০৪ কোটি ১৬ লাখ টাকা। লেনদেনে অংশ নেওয়া ৩২৮টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ১৩৮টির দাম বেড়েছে। বিপরীতে দাম কমেছে ১৫২টির এবং ৩৮টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। বাজার বিশ্লেষকরা বলছেন, যদিও কিছুু প্রতিষ্ঠানের শেয়ার দাম সম্প্রতি অস্বাভাবিক বেড়েছে। তার পরও সার্বিকভাবে শেয়ারবাজার এখনো বিনিয়োগের জন্য যথেষ্ট উপযুক্ত।

শেয়ারবাজারে বড় উত্থান

ডিএসইএক্স ৬৫ বেড়ে ৭১৪০ পয়েন্টে
 যুগান্তর প্রতিবেদন 
০৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ
শেয়ারবাজারে বড় উত্থান
ফাইল ছবি

শেয়ারবাজারে প্রতিদিনই সৃষ্টি হচ্ছে একের পর এক রেকর্ড। বাজার মূলধন ও মূল্যসূচক একের পর এক মাইলফলক স্পর্শ করছে। এরই ধারবাহিকতায় সূচকের বড় উত্থানে মঙ্গলবার লেনদেন শেষ হয়েছে দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই)। এদিন লেনদেন শেষে ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ৬৫ পয়েন্ট বেড়ে ৭ হাজার ১৪০ পয়েন্ট ছাড়িয়েছে। অপর শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সার্বিক সূচক সিএএসপিআই বেড়েছে ১৩৫ পয়েন্ট।

ডিএসইতে এদিন দুই হাজার ৮৬৬ কোটি টাকার লেনদেন হয়েছে, যা আগের দিনের চেয়ে ৩৫ কোটি ৩৫ লাখ টাকা কম। ডিএসইতে সোমবার লেনদেন হয় দুই হাজার ৯০১ কোটি টাকার। এই বাজারে লেনদেনে অংশ নেওয়া যে কটি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম বেড়েছে, প্রায় তার সমানসংখ্যক প্রতিষ্ঠানের দরপতন হয়েছে। দিনের লেনদেন শেষে ডিএসইতে ১৭৭টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিট দাম বৃদ্ধির তালিকায় নাম লেখায়। বিপরীতে দাম কমেছে ১৬৭টির। ৩০টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। মূল্যসূচকের ভুল গণনা বন্ধ করতে ২০১৩ সালের ২৭ জানুয়ারি নতুন সূচক ডিএসইএক্স চালু করে ডিএসই। ৪০৫৫ দশমিক ৯০ পয়েন্ট দিয়ে শুরু হওয়া সূচকটি এই প্রথম সাত হাজার ১০০ পয়েন্টের মাইলফলক ছাড়াল। ডিএসইর অন্য দুই সূচকের মধ্যে বাছাই করা ভালো কোম্পানি নিয়ে গঠিত ডিএসই-৩০ সূচক ৩৭ পয়েন্ট বেড়ে দুই হাজার ৫৮৩ পয়েন্টে অবস্থান করছে। ডিএসইর শরিয়াহ্ সূচক ১৫ পয়েন্ট বেড়ে এক হাজার ৫৫১ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। এ দুটি সূচকও এ যাবতকালের মধ্যে সর্বোচ্চ অবস্থানে অবস্থান করছে।

সবকটি মূল্যসূচক রেকর্ড অবস্থানে উঠে আসার পাশাপাশি বাজার মূলধনও ইতিহাসের সর্বোচ্চ অবস্থানে উঠে এসেছে। ডিএসইর বাজার মূলধন দাঁড়িয়েছে পাঁচ লাখ ৮০ হাজার পাঁচ কোটি টাকায়। এর আগে কখনো ডিএসইর বাজার মূলধন পাঁচ লাখ ৮০ হাজার কোটি টাকায় পৌঁছাতে পারেনি।

টাকার অংকে ডিএসইতে সব থেকে বেশি লেনদেন হয়েছে বেক্সিমকোর শেয়ার। কোম্পানিটির ১৩২ কোটি ৩৪ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। দ্বিতীয় স্থানে থাকা ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকোর ১২২ কোটি ৪১ লাখ টাকার লেনদেন হয়েছে। ৭৫ কোটি ৪৪ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেনের মাধ্যমে তৃতীয় স্থানে রয়েছে সামিট পাওয়ার। এ ছাড়া ডিএসইতে লেনদেনের দিক থেকে শীর্ষ ১০ প্রতিষ্ঠানের তালিকায় রয়েছে সাইফ পাওয়ার টেক, লাফার্জহোলসিম বাংলাদেশ, ওরিয়ন ফার্মা, বাংলাদেশ সাবমেরিন ক্যাবলস, স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস, বিবিএস ক্যাবলস এবং ডরিন পাওয়ার। দর বাড়ার শীর্ষে থাকা কোম্পানিগুলো হলো সমতা লেদার কমপ্লেক্স লিমিটেড, খুলনা পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড, ডমিনেজ স্টিল বিল্ডিং সিস্টেমস লিমিটেড, ফ্যাস ফিন্যান্স, ইন্টারন্যাশনাল লিজিং, এনভয় টেক্সটাইল, বাংলাদেশ সাবমেরিন কেব্ল, প্রিমিয়ার লিজিং, আইসিবি এএমসিএল সেকেন্ড মিউচুয়াল ফান্ড ও বাটা সু লিমিটেড। অন্য শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) লেনদেন হয়েছে ১০৪ কোটি ১৬ লাখ টাকা। লেনদেনে অংশ নেওয়া ৩২৮টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ১৩৮টির দাম বেড়েছে। বিপরীতে দাম কমেছে ১৫২টির এবং ৩৮টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। বাজার বিশ্লেষকরা বলছেন, যদিও কিছুু প্রতিষ্ঠানের শেয়ার দাম সম্প্রতি অস্বাভাবিক বেড়েছে। তার পরও সার্বিকভাবে শেয়ারবাজার এখনো বিনিয়োগের জন্য যথেষ্ট উপযুক্ত।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন