হীরার বৈশ্বিক উত্তোলন বৃদ্ধির পূর্বাভাস
jugantor
হীরার বৈশ্বিক উত্তোলন বৃদ্ধির পূর্বাভাস

  যুগান্তর ডেস্ক  

১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

হীরার বৈশ্বিক উত্তোলন বৃদ্ধির পূর্বাভাস

স্থবিরতা কাটিয়ে চলতি বছর ঘুরে দাঁড়াতে শুরু করেছে হীরার বৈশ্বিক উত্তোলন খাত। বছর শেষে অমসৃণ হীরার বৈশ্বিক উত্তোলন ১ দশমিক ৪ শতাংশ বৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে। শীর্ষস্থানীয় তথ্য সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান গ্লোবাল ডাটার প্রতিবেদনে এ তথ্য ওঠে এসেছে।

প্রতিষ্ঠানটি জানায়, ২০২০ সালে মহামারি দেখা দেওয়ার পর নিুমুখী প্রবণতা দেখা দেয় হীরা উত্তোলনে। ওই বছর উত্তোলন ১৯ দশমিক ৪ শতাংশ কমে ১১ কোটি ১৪ লাখ ক্যারেটে নেমে আসে। তবে চলতি বছর বৈশ্বিক উত্তোলন ওই বছরের তুলনায় ১ দশমিক ৪ শতাংশ বেড়ে ১১ কোটি ২৯ লাখ ৯০ হাজার ক্যারেটে উন্নীত হতে পারে। প্রধান দেশগুলোর মধ্যে বতসোয়ানা, কানাডা ও অ্যাঙ্গোলায় লক্ষ্যণীয় মাত্রায় পুনরুদ্ধার হবে। গ্লোবাল ডাটার সহযোগী প্রকল্প ব্যবস্থাপক বিনিথ বাজাজ বলেন, বৈশ্বিক উত্তোলন বাড়লেও সেটির মাত্রা হবে স্বল্প। এর পেছনে তিনি গত বছরের নভেম্বরে অস্ট্রেলিয়ার আরগেইল খনি বন্ধ হয়ে যাওয়াকে দায়ী করেন। পাশাপাশি রাশিয়ার উত্তোলন প্রবৃদ্ধির হারও থাকবে মাঝামাঝি। তবে এ বছরও বৈশ্বিক উত্তোলনে দেশটির আধিপত্য বজায় থাকবে। গ্লোবাল ডাটার পূর্বাভাস অনুযায়ী, চলতি বছর থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত হীরা উত্তোলনে যৌগিক বার্ষিক (সিএজিআর) প্রবৃদ্ধি দাঁড়াবে ২ দশমিক ৫ শতাংশে। ২০২৫ সালে বৈশ্বিক উত্তোলনের পরিমাণ দাঁড়াবে ১২ কোটি ৪৮ লাখ ক্যারেটে।

গ্লোবাল ডাটা বলছে, গত বছর করোনা মহামারি হীরার বৈশ্বিক বাজারে ভয়াবহ আঘাত হানে। এতে খনিতে উত্তোলন কার্যক্রম এবং সীমান্ত পারাপার বড় ধরনের বাধার মুখে পড়ে। মহামারি ছাড়াও বাজারকে আরও নানামুখী চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হচ্ছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য যুক্তরাষ্ট্র-চীন বাণিজ্যযুদ্ধ। বাণিজ্যিক হীরার অন্যতম প্রধান কেন্দ্র হংকংয়ের রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতাও বাজারে নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে।

হীরার বৈশ্বিক উত্তোলন বৃদ্ধির পূর্বাভাস

 যুগান্তর ডেস্ক 
১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ
হীরার বৈশ্বিক উত্তোলন বৃদ্ধির পূর্বাভাস
ফাইল ছবি

স্থবিরতা কাটিয়ে চলতি বছর ঘুরে দাঁড়াতে শুরু করেছে হীরার বৈশ্বিক উত্তোলন খাত। বছর শেষে অমসৃণ হীরার বৈশ্বিক উত্তোলন ১ দশমিক ৪ শতাংশ বৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে। শীর্ষস্থানীয় তথ্য সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান গ্লোবাল ডাটার প্রতিবেদনে এ তথ্য ওঠে এসেছে।

প্রতিষ্ঠানটি জানায়, ২০২০ সালে মহামারি দেখা দেওয়ার পর নিুমুখী প্রবণতা দেখা দেয় হীরা উত্তোলনে। ওই বছর উত্তোলন ১৯ দশমিক ৪ শতাংশ কমে ১১ কোটি ১৪ লাখ ক্যারেটে নেমে আসে। তবে চলতি বছর বৈশ্বিক উত্তোলন ওই বছরের তুলনায় ১ দশমিক ৪ শতাংশ বেড়ে ১১ কোটি ২৯ লাখ ৯০ হাজার ক্যারেটে উন্নীত হতে পারে। প্রধান দেশগুলোর মধ্যে বতসোয়ানা, কানাডা ও অ্যাঙ্গোলায় লক্ষ্যণীয় মাত্রায় পুনরুদ্ধার হবে। গ্লোবাল ডাটার সহযোগী প্রকল্প ব্যবস্থাপক বিনিথ বাজাজ বলেন, বৈশ্বিক উত্তোলন বাড়লেও সেটির মাত্রা হবে স্বল্প। এর পেছনে তিনি গত বছরের নভেম্বরে অস্ট্রেলিয়ার আরগেইল খনি বন্ধ হয়ে যাওয়াকে দায়ী করেন। পাশাপাশি রাশিয়ার উত্তোলন প্রবৃদ্ধির হারও থাকবে মাঝামাঝি। তবে এ বছরও বৈশ্বিক উত্তোলনে দেশটির আধিপত্য বজায় থাকবে। গ্লোবাল ডাটার পূর্বাভাস অনুযায়ী, চলতি বছর থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত হীরা উত্তোলনে যৌগিক বার্ষিক (সিএজিআর) প্রবৃদ্ধি দাঁড়াবে ২ দশমিক ৫ শতাংশে। ২০২৫ সালে বৈশ্বিক উত্তোলনের পরিমাণ দাঁড়াবে ১২ কোটি ৪৮ লাখ ক্যারেটে।

গ্লোবাল ডাটা বলছে, গত বছর করোনা মহামারি হীরার বৈশ্বিক বাজারে ভয়াবহ আঘাত হানে। এতে খনিতে উত্তোলন কার্যক্রম এবং সীমান্ত পারাপার বড় ধরনের বাধার মুখে পড়ে। মহামারি ছাড়াও বাজারকে আরও নানামুখী চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হচ্ছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য যুক্তরাষ্ট্র-চীন বাণিজ্যযুদ্ধ। বাণিজ্যিক হীরার অন্যতম প্রধান কেন্দ্র হংকংয়ের রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতাও বাজারে নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন