পণ্য সরবরাহে ঘাটতির শঙ্কা নাইকির
jugantor
পণ্য সরবরাহে ঘাটতির শঙ্কা নাইকির

  বিবিসি  

২৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

পণ্য সরবরাহে ঘাটতির শঙ্কা নাইকির

সাপ্লাই চেইন সমস্যার কারণে পণ্যের ঘাটতি এবং গ্রাহকদের কাছে পণ্য সরবরাহে বিলম্ব হচ্ছে ক্রীড়া সামগ্রী বিক্রেতা প্রতিষ্ঠান নাইকি ও যুক্তরাষ্ট্রের খুচরা বিক্রয় প্রতিষ্ঠান কোস্টকোর। প্রতিষ্ঠান দুটিকে এশিয়ায় পণ্য পরিবহণ এবং কর্মী সংকটের মতো সমস্যার সঙ্গে লড়াই করতে হচ্ছে।

নাইকি বলেছে, চলমান পরিস্থিতি আগামী বসন্ত পর্যন্ত তাদের জুতা উৎপাদন ও ডেলিভারিতে বিরূপ প্রভাব ফেলবে। গত বৃহস্পতিবার প্রতিষ্ঠানটি বলেছে, এ পরিস্থিতিতে তাদের বিক্রি হ্রাস পেয়েছে। নাইকির প্রধান অর্থনৈতিক কর্মকর্তা ম্যাথিউ ফ্রেন্ড বলেন, বিশ্বব্যাপী সাপ্লাই চেইনের হেডওয়াইন্ডস থেকে আমরা মুক্ত নই। যে কারণে এটি বিশ্বজুড়ে উৎপাদন ও বিপণন ব্যবস্থাকে চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলে দিয়েছে।

আমরা মনে করি, এটি সর্বস্তরেই প্রভাব ফেলবে। সংকটসময় পরিস্থিতিতে টয়লেট পেপারের মতো কিছু পণ্যের উৎপাদন সীমিত করেছে কোস্টকো। নাইকির ভিয়েতনাম ও ইন্দোনেশিয়ার কারখানাগুলোতে মোট উৎপাদনের তিন-চতুর্থাংশ জুতা তৈরি হয়।

করোনার কারণে জারি করা লকডাউনে কারখানাগুলোর উৎপাদন ব্যাহত হয়। চলতি বছর ভিয়েতনামে কেবল ৭০ দিন জুতা উৎপাদন করতে পেরেছে নাইকি। লকডাউনের কারণে এশিয়া থেকে উত্তর আমেরিকাতে পণ্য যেতে স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে দ্বিগুণ (৪০ থেকে ৮০ দিন) সময় লাগছে।

অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের খুচরা বিক্রেতা প্রতিষ্ঠান কোস্টকো জানিয়েছে, টয়লেট রোল, বোতলজাত পানি ও কিছু পরিচ্ছন্নতা সামগ্রীর মতো মূল পণ্যসামগ্রী বিক্রি পুনরায় সীমিত করেছে তারা।

পণ্য সরবরাহে ঘাটতির শঙ্কা নাইকির

 বিবিসি 
২৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ
পণ্য সরবরাহে ঘাটতির শঙ্কা নাইকির
ছবি: সংগৃহীত

সাপ্লাই চেইন সমস্যার কারণে পণ্যের ঘাটতি এবং গ্রাহকদের কাছে পণ্য সরবরাহে বিলম্ব হচ্ছে ক্রীড়া সামগ্রী বিক্রেতা প্রতিষ্ঠান নাইকি ও যুক্তরাষ্ট্রের খুচরা বিক্রয় প্রতিষ্ঠান কোস্টকোর। প্রতিষ্ঠান দুটিকে এশিয়ায় পণ্য পরিবহণ এবং কর্মী সংকটের মতো সমস্যার সঙ্গে লড়াই করতে হচ্ছে।

নাইকি বলেছে, চলমান পরিস্থিতি আগামী বসন্ত পর্যন্ত তাদের জুতা উৎপাদন ও ডেলিভারিতে বিরূপ প্রভাব ফেলবে। গত বৃহস্পতিবার প্রতিষ্ঠানটি বলেছে, এ পরিস্থিতিতে তাদের বিক্রি হ্রাস পেয়েছে। নাইকির প্রধান অর্থনৈতিক কর্মকর্তা ম্যাথিউ ফ্রেন্ড বলেন, বিশ্বব্যাপী সাপ্লাই চেইনের হেডওয়াইন্ডস থেকে আমরা মুক্ত নই। যে কারণে এটি বিশ্বজুড়ে উৎপাদন ও বিপণন ব্যবস্থাকে চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলে দিয়েছে।

আমরা মনে করি, এটি সর্বস্তরেই প্রভাব ফেলবে। সংকটসময় পরিস্থিতিতে টয়লেট পেপারের মতো কিছু পণ্যের উৎপাদন সীমিত করেছে কোস্টকো। নাইকির ভিয়েতনাম ও ইন্দোনেশিয়ার কারখানাগুলোতে মোট উৎপাদনের তিন-চতুর্থাংশ জুতা তৈরি হয়।

করোনার কারণে জারি করা লকডাউনে কারখানাগুলোর উৎপাদন ব্যাহত হয়। চলতি বছর ভিয়েতনামে কেবল ৭০ দিন জুতা উৎপাদন করতে পেরেছে নাইকি। লকডাউনের কারণে এশিয়া থেকে উত্তর আমেরিকাতে পণ্য যেতে স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে দ্বিগুণ (৪০ থেকে ৮০ দিন) সময় লাগছে।

অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের খুচরা বিক্রেতা প্রতিষ্ঠান কোস্টকো জানিয়েছে, টয়লেট রোল, বোতলজাত পানি ও কিছু পরিচ্ছন্নতা সামগ্রীর মতো মূল পণ্যসামগ্রী বিক্রি পুনরায় সীমিত করেছে তারা।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন