জিএসপি ফিরে পাওয়ার আশা বিজিএমইএ’র
jugantor
জিএসপি ফিরে পাওয়ার আশা বিজিএমইএ’র
যুক্তরাষ্ট্রে নতুন বাজার তৈরির চেষ্টা

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

০৩ অক্টোবর ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

জিএসপি ফিরে পাওয়ার আশা বিজিএমইএ’র

দেশের পোশাক খাতকে আরও এগিয়ে নিতে নতুন বাজারের সন্ধানে প্রায় এক মাস যুক্তরাষ্ট্র সফর করেছেন বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ) প্রতিনিধি দল। ক্রেতাদের আকৃষ্ট করা, নতুন দেশের বাজার তৈরি এবং পোশাক খাতের ব্র্যান্ডিং করাই ছিল সফরের মুখ্য উদ্দেশ্য। একই সঙ্গে দেশীয় শিল্পের ইমেজ তৈরিতেও এ সফর বড় ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সমিতিসংশ্লিষ্টরা। সফরে সমিতির নেতারা ক্রেতা বা ব্র্যান্ডের সঙ্গে বিভিন্ন সভা-সেমিনার করেছেন। যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে স্থগিত অগ্রাধিকার বাণিজ্য সুবিধা (জিএসপি) ফিরে পাওয়ার ব্যাপারেও আশার সঞ্চার হয়েছে।

রাজধানীর একটি হোটেলে শনিবার এ সফর নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা তুলে ধরেন বিজিএমইএ সভাপতি ফারুক হাসান।

তিনি বলেন, মহামারি করোনাভাইরাস পরিস্থিতির উন্নতির সঙ্গে পোশাকশিল্পও ঘুরে দাঁড়াতে সমর্থ হবে। ২০১৮ সালে আমাদের রপ্তানি যেখানে ৩৪ বিলিয়ন ডলারে উঠেছিল, সেটাই পরের বছর ২৭ বিলিয়ন ডলারে নামে। আবারও রপ্তানি বাড়ছে, অর্ডার আসছে। তবে করোনার নতুন ভ্যারিয়েন্টের বিস্তার ও সংক্রমণ দেশের পোশাকশিল্পকে আবারও নতুন চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন করে। এ অবস্থায় মহামারির চ্যালেঞ্জগুলো কাটতে সরকারের সহায়তা, দূতাবাসের আন্তরিকতা এবং গণমাধ্যমের সহযোগিতা প্রয়োজন। সেটা হলে পোশাক খাতে বিশ্ববাজারে নেতৃত্ব দেবে বাংলাদেশ।

বিজিএমইএ সভাপতি বলেন, করোনার কারণে গত দুই অর্থবছরে রপ্তানি কমেছে। বিশ্বব্যাপী ফ্রেইট ব্যবস্থাপনা বিপর্যস্ত হয়ে পড়ায় কনটেইনার ভাড়া ২০০ থেকে ৩০০ গুণ বেড়েছে। এছাড়া আমাদের সামনে বেশ কিছু চ্যালেঞ্জ আছে, যার মধ্যে অন্যতম পণ্যের দরপতন এবং স্থানীয় পর্যায়ে কিছু সমস্যা। এগুলোর সমাধান হলেও আবারও আগের অবস্থানে সহজেই ফিরতে পারবে তৈরি পোশাকশিল্প। সংবাদ সম্মেলনে কয়েকটি দাবি তুলে ধরেন তিনি। এর মধ্যে রয়েছে শ্রমিক-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা প্রদানের জন্য দেওয়া ঋণ পরিশোধের কিস্তি ১৮টির পরিবর্তে ৩৬টি করা। লোকাল ব্যাক টু ব্যাক ঋণপত্রের মাধ্যমে স্থানীয়ভাবে সংগৃহীত কাঁচামাল, সুতা ও আনুষঙ্গিক দ্রব্যাদির ক্ষেত্রে বন্ডেড ওয়্যারহাউজ লাইসেন্স থাকার বাধ্যবাধকতা রহিত করা। গ্রুপ অব কোম্পানির একটি প্রতিষ্ঠানের ঋণখেলাপি হলে সহযোগী অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের ব্যাংকিং কার্যক্রম বন্ধ না করা।

জিএসপি ফিরে পাওয়ার আশা বিজিএমইএ’র

যুক্তরাষ্ট্রে নতুন বাজার তৈরির চেষ্টা
 যুগান্তর প্রতিবেদন 
০৩ অক্টোবর ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ
জিএসপি ফিরে পাওয়ার আশা বিজিএমইএ’র
ফাইল ছবি

দেশের পোশাক খাতকে আরও এগিয়ে নিতে নতুন বাজারের সন্ধানে প্রায় এক মাস যুক্তরাষ্ট্র সফর করেছেন বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ) প্রতিনিধি দল। ক্রেতাদের আকৃষ্ট করা, নতুন দেশের বাজার তৈরি এবং পোশাক খাতের ব্র্যান্ডিং করাই ছিল সফরের মুখ্য উদ্দেশ্য। একই সঙ্গে দেশীয় শিল্পের ইমেজ তৈরিতেও এ সফর বড় ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সমিতিসংশ্লিষ্টরা। সফরে সমিতির নেতারা ক্রেতা বা ব্র্যান্ডের সঙ্গে বিভিন্ন সভা-সেমিনার করেছেন। যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে স্থগিত অগ্রাধিকার বাণিজ্য সুবিধা (জিএসপি) ফিরে পাওয়ার ব্যাপারেও আশার সঞ্চার হয়েছে।

রাজধানীর একটি হোটেলে শনিবার এ সফর নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা তুলে ধরেন বিজিএমইএ সভাপতি ফারুক হাসান।

তিনি বলেন, মহামারি করোনাভাইরাস পরিস্থিতির উন্নতির সঙ্গে পোশাকশিল্পও ঘুরে দাঁড়াতে সমর্থ হবে। ২০১৮ সালে আমাদের রপ্তানি যেখানে ৩৪ বিলিয়ন ডলারে উঠেছিল, সেটাই পরের বছর ২৭ বিলিয়ন ডলারে নামে। আবারও রপ্তানি বাড়ছে, অর্ডার আসছে। তবে করোনার নতুন ভ্যারিয়েন্টের বিস্তার ও সংক্রমণ দেশের পোশাকশিল্পকে আবারও নতুন চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন করে। এ অবস্থায় মহামারির চ্যালেঞ্জগুলো কাটতে সরকারের সহায়তা, দূতাবাসের আন্তরিকতা এবং গণমাধ্যমের সহযোগিতা প্রয়োজন। সেটা হলে পোশাক খাতে বিশ্ববাজারে নেতৃত্ব দেবে বাংলাদেশ।

বিজিএমইএ সভাপতি বলেন, করোনার কারণে গত দুই অর্থবছরে রপ্তানি কমেছে। বিশ্বব্যাপী ফ্রেইট ব্যবস্থাপনা বিপর্যস্ত হয়ে পড়ায় কনটেইনার ভাড়া ২০০ থেকে ৩০০ গুণ বেড়েছে। এছাড়া আমাদের সামনে বেশ কিছু চ্যালেঞ্জ আছে, যার মধ্যে অন্যতম পণ্যের দরপতন এবং স্থানীয় পর্যায়ে কিছু সমস্যা। এগুলোর সমাধান হলেও আবারও আগের অবস্থানে সহজেই ফিরতে পারবে তৈরি পোশাকশিল্প। সংবাদ সম্মেলনে কয়েকটি দাবি তুলে ধরেন তিনি। এর মধ্যে রয়েছে শ্রমিক-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা প্রদানের জন্য দেওয়া ঋণ পরিশোধের কিস্তি ১৮টির পরিবর্তে ৩৬টি করা। লোকাল ব্যাক টু ব্যাক ঋণপত্রের মাধ্যমে স্থানীয়ভাবে সংগৃহীত কাঁচামাল, সুতা ও আনুষঙ্গিক দ্রব্যাদির ক্ষেত্রে বন্ডেড ওয়্যারহাউজ লাইসেন্স থাকার বাধ্যবাধকতা রহিত করা। গ্রুপ অব কোম্পানির একটি প্রতিষ্ঠানের ঋণখেলাপি হলে সহযোগী অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের ব্যাংকিং কার্যক্রম বন্ধ না করা।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন