দুই মাসে ৬৭৯ কোটি ডলারের পণ্য রফতানি

  যুগান্তর রিপোর্ট ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

চলতি অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে (জুলাই-আগস্ট) ৬৭৯ কোটি ৫০ লাখ মার্কিন ডলারের পণ্য রফতানি হয়েছে। এটি লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৩ দশমিক ২৪ শতাংশ বেশি। এ ক্ষেত্রে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ২ দশমিক ৫১ শতাংশ। গত অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে রফতানি হয়েছিল ৬৬২ কোটি ৮৬ লাখ ডলারের পণ্য। রফতানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) সর্বশেষ প্রকাশিত মাসওয়ারি প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।

প্রসঙ্গত, চলতি ২০১৮-১৯ অর্থবছরে পণ্য রফতানি খাত থেকে আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৩ হাজার ৯০০ কোটি ডলার। গত ২০১৭-১৮ অর্থবছর ৩৬৬৬ কোটি ৮১ লাখ মার্কিন ডলারের পণ্য রফতানি করেছিল বাংলাদেশ।

এদিকে রফতানি আয়ের সর্বোচ্চ খাত হচ্ছে তৈরি পোশাক। গত দুই মাসে ৫৭৩ কোটি ৫১ লাখ ডলারের তৈরি পোশাক রফতানি হয়েছে। যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ৩.৮২ শতাংশ বেশি। এর মধ্যে নিট পোশাক রফতানি হয়েছে ২৯১ কোটি ২৮ লাখ ডলারের, যা আগের বছরের তুলনায় ১.৫৩ শতাংশ বেশি। আর ওভেন পোশাক রফতানি হয়েছে ২৮২ কোটি ২২ লাখ মার্কিন ডলারের। যা আগের বছরের তুলনায় ৬.২৮ শতাংশ বেশি। চলতি অর্থবছরে পোশাক রফতানির লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৩ হাজার ২৬৮ কোটি ডলার। গত অর্থবছর রফতানি হয়েছে ৩ হাজার ৬১ কোটি ডলারের পোশাক।

পোশাক রফতানিতে পৌনে ৪ শতাংশ প্রবৃদ্ধি থাকলেও দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রফতানি খাত চামড়া ও চামড়াজাত পণ্যের রফতানি ২৬ শতাংশের বেশি কমে গেছে। অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে ১৮ কোটি ডলারের চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য রফতানি হয়েছে। গত অর্থবছর একই সময়ে রফতানি হয়েছিল ২৪ কোটি ডলারের চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য।

অন্যদিকে মাসওয়ারি হিসাবে সার্বিক খাতে শুধু আগস্টে ৩২৩ কোটি ৩০ লাখ মার্কিন ডলার রফতানি আয়ের লক্ষ্য ধরে এগোলেও মাস শেষে আয় এসেছে ৩২১ কোটি ৩৫ লাখ ডলার, যা লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় শূন্য দশমিক ৬০ শতাংশ কম।

ফলে ২০১৭-১৮ অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় মাসওয়ারি রফতানি খাতে প্রবৃদ্ধি কমেছে ১১ দশমিক ৭৪ শতাংশ। প্রথম মাস জুলাইয়ে এ প্রবৃদ্ধি ছিল ১৯.৮৮ শতাংশ। তবে বছরের প্রথম প্রান্তিকের দুই মাসের (জুলাই-আগস্ট) সমন্বিত আয় লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৩ দশমিক ২৪ শতাংশ এবং প্রবৃদ্ধি ২ দশমিক ৫১ শতাংশ বেশি।

তবে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য রফতানি ধারাবাহিকভাবেই কমছে। গত দুই মাসে এ পণ্য বিক্রি করে বাংলাদেশের আয় হয়েছে ১৮ কোটি ৩০ লাখ ডলার। শুধু চামড়া রফতানির অবস্থা আরও করুণ। গত দুই মাসে আয় হয়েছে ২ কোটি ২৪ লাখ ডলার। অথচ গত বছর এ সময়ে আয় হয়েছিল ৩ কোটি ৩২ লাখ ডলার। অর্থাৎ এ পণ্য থেকে আয় কমেছে ৩২.৪২ শতাংশ। আয় কমে যাওয়ার কারণ হিসেবে উদ্যোক্তারা বলেন, কোরবানির ঈদের কারণে আগস্টের শেষ ১০-১২ দিন কারখানাগুলো বন্ধ ছিল। চলতি মাস সেপ্টেম্বরের শুরুতেও কয়েক দিন কারখানা বন্ধ ছিল। তারই প্রভাব পড়েছে রফতানি আয়ে। তবে এতে আশঙ্কার কোনো কারণ নেই। প্রকৃত অবস্থা বুঝতে আরও দুই-এক মাস সময় লাগবে।

আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৮

converter