২০১৮ : প্রযুক্তি খাতের সালতামামি

  সাইফ আহমাদ ২৮ ডিসেম্বর ২০১৮, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

২০১৮ : প্রযুক্তি খাতের সালতামামি

প্রযুক্তির বিস্ময়কর অগ্রযাত্রার নানা উদ্ভাবন দেখতে দেখতে আরও একটি বছর প্রায় শেষের পথে। হাতেগোনা কয়েকদিন পরই শেষ হতে যাচ্ছে ইংরেজি ক্যালেন্ডারের একটি সাল ২০১৮। অন্যান্য খাতের মতো দেশের তথ্যপ্রযুক্তি খাতের জন্যও একটি গুরুত্বপূর্ণ বছর ছিল এ বছরটি।

এ বছরই মহাকাশে বাংলাদেশের প্রথম স্যাটেলাইটসহ কয়েকটি বড় প্রাপ্তি বিশ্ববাসীর কাছে বাংলাদেশকে নিয়ে গেছে অন্যরকম উচ্চতায়। বাংলাদেশ প্রযুক্তি বিশ্বে অর্জন করে নিয়েছে নিজেদের একটি সম্মানজনক স্থান। ২০১৮ সালের এমনই কিছু সাফল্য নিয়ে আজকের আয়োজন।

ডিজিটাল বাংলাদেশ দিবস

২০১৮ সালের ১২ ডিসেম্বর রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে সরকারের ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের আয়োজনে প্রথমবারের মতো ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ দিবস ২০১৮’ উদযাপন করা হয়।

২০১৭ সালে প্রথমবার এ দিনটি জাতীয় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি দিবস হিসেবে উদযাপিত হয়। এখন এ দিবসটির নাম বদল করে ডিজিটাল বাংলাদেশ দিবস করা হল।

ব্যক্তি পর্যায়ে ৬ জন ও প্রতিষ্ঠান ক্যাটাগরিতে ৩টি সংস্থাকে ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ-২০১৮’ সম্মাননা দেয়া হয়। যার মধ্যে ২০০৮ সালের ১২ ডিসেম্বর ‘রূপকল্প ২০২১’ এবং ডিজিটাল বাংলাদেশের ঘোষণাপত্র প্রণয়নে ভূমিকা রাখা ও ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণে সহযোগিতা করায় অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত, তথ্যপ্রযুক্তির উন্নয়ন ও ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণে অবদান রাখায় প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা এইচটি ইমাম, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়, সাবেক ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার, সাবেক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী ইয়াফেস ওসমান ও আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য নূহ-উল আলম লেনিন এবং প্রাতিষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি), ওয়ালটন, বাংলাদেশ হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষ এবং ডিএমপির সাইবার নিরাপত্তা ও অপরাধ দমন বিভাগকে সম্মাননা দেওয়া।

মহাকাশে বাংলাদেশ

যুক্তরাষ্ট্রের কেনেডি স্পেস সেন্টার থেকে এ বছরের ১২ মে দিবাগত রাত ২টা ১৪ মিনিটে মহাকাশের পথে উড়ে যায় বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১।

এর মধ্য দিয়ে পৃথিবীর স্যাটেলাইটের এলিট ক্লাবে ঢোকে বাংলাদেশের নাম। সেই সঙ্গে ২০১৮ সাল জায়গা করে নেয় বাংলাদেশের মহাকাশ ইতিহাসে। মহাকাশ যান নির্মাতা প্রতিষ্ঠান স্পেস এক্সের রকেট ফ্যালকন-৯ এ চেপে এ যাত্রা করে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট। যাত্রার ১০ দিন পর ২২ মে স্যাটেলাইটটি ১১৯ দশমিক ১ ডিগ্রি পূর্ব দ্রাঘিমায় নিজ কক্ষপথে অবস্থান নেয়।

চলতি বছরের সেপ্টেম্বর দক্ষিণ এশিয়ার শীর্ষ ফুটবল প্রতিযোগিতা সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের সফল সম্প্র্রচারের মাধ্যমে সেবা সক্ষমতার প্রমাণ দেয় বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১।

বর্তমানে বিটিভির তিনটি চ্যানেল বিটিভি ওয়ার্ল্ড, সংসদ বাংলাদেশ টেলিভিশিন এবং বিটিভি চট্টগ্রাম ও সাত বেসরকারি স্যাটেলাইট চ্যানেল ইন্ডিপেনডেন্ট টিভি, এনটিভি, একাত্তর টিভি, সময় টিভি, ডিবিসি নিউজ, বিজয় বাংলা এবং বৈশাখী টিভি বঙ্গবন্ধু-১ স্যাটেলাইটের মাধ্যমে তাদের ট্রান্সমিশন কার্যক্রম পরিচালনা করছে।

বঙ্গবন্ধু-১ মূলত ‘কমিউনিকেশন এবং ব্রডকাস্টিং’ ক্যাটাগরির স্যাটেলাইট। অর্থাৎ এটি মূলত যোগাযোগ এবং সম্প্রচার কাজেই ব্যবহার করা হবে। এ স্যাটেলাইটে থাকছে ৪০টি ট্রান্সপন্ডার সক্ষমতা।

এর মধ্যে ২০টি ট্রান্সপন্ডার বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ প্রয়োজনে ব্যবহার করবে। আর ২০টি ট্রান্সপন্ডার বিদেশি রাষ্ট্রের কাছে ভাড়া দেয়ার জন্য রাখা হবে। সে ক্ষেত্রে বাংলাদেশ বছরে প্রায় ৫০০ কোটি টাকা আয় করতে সক্ষম হবে।

৪জির বছর

২০১৮ সালের ফেব্রুয়ারির ১৯ তারিখে দেশের টেলিযোগাযোগ খাত ফোরজির যুগে প্রবেশ করে। অথচ ২জির পর দেশে ৩জি আসতে সময় লেগেছে প্রায় ১৭ বছর।

দেশীয় অপারেটর বাংলালিংক, গ্রামীণফোন, রবি এবং টেলিটকের প্রধান নির্বাহীদের কাছে ফোরজির লাইসেন্স হস্তান্তর করে ডাক টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার, বিটিআরসির চেয়ারম্যান ড. শাহজাহান মাহমুদ, বিটিআরসির স্পেকট্রাম বিভাগের পরিচালক।

কিছু সময় পরই অনুষ্ঠানস্থল থেকেই গ্রামীণফোন, বাংলালিংক ও রবি ফোরজি নেটওয়ার্ক চালু করে দেয়। অন্যদিকে বছরের শেষ মাস ডিসেম্বরে বিজয় দিবসে আনুষ্ঠানিকভাবে ফোরজি নেটওয়ার্ক চালু করে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন মোবাইল অপারেটর টেলিটক।

ফাইভজি টেস্ট

পঞ্চম প্রজন্মের মোবাইল প্রযুক্তিতে কেমন হবে বিশ্ব তা দেখতে উন্নত বিশ্বের অন্যান্য দেশের সঙ্গে তাল মিলিয়ে বাংলাদেশেও এ বছর প্রজন্মের মোবাইল নেটওয়ার্ক ফাইভজির পরীক্ষা চালানো হয়েছে। ২৫ জুলাই ২০১৮, বুধবার রাজধানীর একটি হোটেলে এ ফাইভজির পরীক্ষা চালানো হয়।

প্রযুক্তি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান হুয়াওয়ের প্রযুক্তিগত সহায়তায় এই ফাইভজির এই পরীক্ষা চালানো হয়। এই প্রদর্শনীর সহায়তা করে বাংলাদেশ সরকারের ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ এবং মোবাইল নেটওয়ার্ক সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান রবি। এ সময় ফাইভজির গতি ওঠে প্রতি সেকেন্ডে সাড়ে ৩ থেকে ৪ গিগাবিটের বেশি।

অর্থাৎ ফাইভজি নেটওয়ার্কে ১ গিগাবাইট সাইজের একটি ফাইল ডাউনলোড করতে সময় লাগবে দুই সেকেন্ডের কম। বর্তমানে প্রতি সেকেন্ডে ১০ থেকে ২২ মেগাবিট (১ গিগাবিট=১০০০ মেগাবিট) গতিতে একটি ফাইল ডাইনলোড করা যায়, ফোরজি নেটওয়ার্কে এবং থ্রিজি নেটওয়ার্কে ৩ মেগাবিট গতিতে।

এমএনপি সেবার বছর ২০১৮

বহুল প্রতীক্ষিত মোবাইল নম্বর পোর্টেবলিটি সেবা (এমএনপি) বছরের অক্টবরের ১ তারিখ থেকে বাংলাদেশে পরীক্ষামূলক বাণিজ্যিকভাবে চালু হয়। এরই মাধ্যমে বাংলাদেশ এমএনপি সেবা দেয়া দেশের কাতারে ৭২তম দেশ হয়। এরপর ২১ অক্টবর ২০১৮ রোববার গণভবনে মোবাইল নম্বর পোর্টেবলিটি (এমএনপি) সেবা উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

এ সেবা চালু হওয়ার ফলে গ্রাহকরা তার নম্বর অপরিবর্তিত রেখেই যে কোনো কোম্পানির নেটওয়ার্ক ব্যবহার করার স্বাধীনতা পান, যা এর আগে নম্বর পরিবর্তনের ঝামেলার জন্য সম্ভব ছিল না। গ্রাহক যে অপারেটরে যেতে চান, তাদের গ্রাহকসেবা কেন্দ্রে গিয়ে ফি দিয়ে সিম তুলতে হবে। সিম পেতে একজন গ্রাহকের সর্বোচ্চ ৫ মিনিট সময় লাগবে এবং ৭২ ঘণ্টার মধ্যে তা সক্রিয় হবে।

তথ্য ও সেবা কলসেন্টার ‘৩৩৩’

প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে বিভিন্ন সরকারি তথ্য ও সেবা জনগণের কাছে আরও সহজে পৌঁছে দেয়ার লক্ষ্যে এ বছরের এপ্রিলে চালু হয় কলসেন্টার ৩৩৩।

একজন নাগরিক খুব সহজেই ৩৩৩ নম্বরে কল করে জানতে পারবেন প্রয়োজনীয় বিভিন্ন তথ্য। চলতি বছরের ১৩ এপ্রিল প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এ কলসেন্টার সেবার উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অ্যাকসেস টু ইনফরমেশন (এটুআই) প্রোগ্রামের উদ্যোগে চালু হওয়া এ কলসেন্টারে দেশের সব নাগরিক ৩৩৩ এবং প্রবাসী বাংলাদেশিরা ০৯৬৬৬৭৮৯৩৩৩ নম্বরে কল করে সরকারি সেবা প্রাপ্তির পদ্ধতি, জনপ্রতিনিধি ও সরকারি কর্মচারীদের সঙ্গে যোগাযোগের তথ্য, বিভিন্ন এলাকার পর্যটনের স্থানগুলো এবং বিভিন্ন জেলা সম্পর্কিত বিস্তারিত তথ্য জানতে পারবেন।

এ ছাড়াও কলসেন্টারের মাধ্যমে নাগরিকরা বিভিন্ন সামাজিক সমস্যা সম্পর্কে প্রতিকারের জন্য জেলা প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে তথ্য প্রদান ও অভিযোগ জানাতে পারবেন। প্রাথমিকভাবে ৬৪ জেলায় কলসেন্টারটির সেবা পরীক্ষামূলকভাবে চালু করেছিল এটুআই।

প্রথম আইওটি ডিভাইস রফতানি

গাজীপুরের কালিয়াকৈরে অবস্থিত বঙ্গবন্ধু হাইটেক সিটিতে তৈরি করা ইন্টারনেট অব থিংস (আইওটি) ডিভাইস রফতানি করেছে বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় সফটওয়্যার নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ডেটাসফট সিস্টেমস বাংলাদেশ।

মূল চুক্তি অনুযায়ী পাঁচ হাজার ডিভাইস সরবরাহের কথা থাকলেও চলতি বছরের ৩১ জুলাই সৌদি আরবের উদ্দেশে প্রথম লটের ১০০ আইওটি ডিভাইস পাঠানো হয়।

মক্কায় কেন্দ্রীয়ভাবে পানি সরবরাহের ব্যবস্থা না থাকায় শহরের বাসা-বাড়িগুলোয় ট্যাঙ্কের মাধ্যমে পানি সরবরাহ করে কর্তৃপক্ষ। এ ক্ষেত্রে কখন ট্যাঙ্কের পানি শেষ হয়ে গেল সেটি কর্তৃপক্ষ বা বাসাবাড়ির মালিকরা বুঝতে পারেন না। ডেটাসফটের তৈরি এসব ডিভাইস ওই বাসাবাড়ি এবং বিভিন্ন দফতরের পানির ট্যাংকে বসানো হলে পানির স্তর ২০ শতাংশের নিচে নেমে এলেই সঙ্গে সঙ্গে কর্তৃপক্ষকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে অ্যালার্ট দেবে ডিভাইসটি। এই আইওটি পণ্যের প্রতিটির দাম পাঁচশ’ ডলারের কাছাকাছি পড়বে বলে জানিয়েছে ডেটাসফট।

জাতিসংঘের ই-গভর্নমেন্ট র‌্যাংকিংয়ে ৯ ধাপ এগিয়ে বাংলাদেশ

সারা বিশ্বে দেশগুলোর ডিজিটাল গভর্নমেন্ট তৈরি করে তথ্যপ্রযুক্তিকে ব্যবহার করে ২০৩০ সালের মধ্যে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা সহজ করতে জাতিসংঘ একটি জরিপ চালায়।

২০০১ সাল থেকে শুরু হওয়া ইউএন ই-গভর্নমেন্ট সার্ভে রিপোর্ট নামে প্রকাশিত এ বছরের গবেষণায় দেখা গেছে বাংলাদেশ ০.৪৭৬৩ পয়েন্ট পেয়ে ১৯৩টি দেশের মধ্যে ১১৫তম স্থান অর্জন করেছে।

জাতিসংঘের এ বছরের ই-গভর্নমেন্ট সার্ভের ওই প্রতিবেদন অনুযায়ী র‌্যাংকিংয়ে বাংলাদেশ ২০১৬ সালে ছিল ১৪৮তম অবস্থানে আর এ বছর বাংলাদেশে আরও ৯ ধাপ এগিয়ে ১১৫তম অবস্থানে এসেছে। গত তিন র‌্যাংকিংয়ে বাংলাদেশ মোট ৩৫ ধাপ এগিয়েছে।

রোবট অলিম্পিয়াডে বাংলাদেশের

স্বর্ণপদক লাভ

আন্তর্জাতিক রোবট অলিম্পিয়াড প্রতিযোগিতায় প্রথমবারের মতো স্বর্ণপদক অর্জন করেছে বাংলাদেশ। ফিলিপাইনের রাজধানী ম্যানিলায় ২০তম আসরে প্রথমবারের মতো অংশ নিয়েই মঙ্গলবার (১৮ ডিসেম্বর) স্বর্ণপদক জয়ের গৌরব অর্জন করল বাংলাদেশ। ‘ক্রিয়েটিভ ক্যাটাগরি (জুনিয়র)’ গ্রুপে স্বর্ণপদক পায় বাংলাদেশের দল ‘রোবো টাইগারস’।

ঢাকার চিটাগাং গ্রামার স্কুলের শিক্ষার্থী কাজী মোস্তাহিদ লাবিব, তাফসির তাহরীম এবং ম্যাপল লিফ ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের মো. মেহের মাহমুদ আছেন এই দলে। স্বর্ণপদকের পাশাপাশি ‘রোবো চ্যালেঞ্জারস’ দলের সঙ্গে ‘রোবট ইন মুভি (জুনিয়র)’ গ্রুপে ‘হাইলি কমেনডেন্ড’ পদক পায় রোবো টাইগারস।

রোবো চ্যালেঞ্জারস দলে আছেন সানবীমস স্কুলের নাশীতাত যাইনাহ রহমান এবং আগা খান স্কুলের যাহরা মাহজারীন। ‘ক্রিয়েটিভ ক্যাটাগরি (সিনিয়র)’ গ্রুপে ‘টেকনিক্যাল’ পদক অর্জন করেন লালবাগ সরকারি মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজের মো. খায়রুল ইসলাম এবং ঢাকা কলেজের সানি জুবায়েরকে নিয়ে গঠিত দল ‘টিম বাংলাদেশ’।

রাইড শেয়ারিংয়ের জয়জয়কার

চলতি বছরের ১৫ জানুয়ারি মন্ত্রিসভায় অনুমোদন করা হয় ‘রাইড শেয়ারিং নীতিমালা-২০১৭’। পরে ২৮ ফেব্রুয়ারি রাইড শেয়ারিং সার্ভিস নীতিমালার গেজেট জারি করা হয়। নীতিমালায় আটটি অনুচ্ছেদ এবং ১১টি শর্ত যুক্ত করা হয়েছে।

এর আগে ২০১৭ সালের জুনে এ নীতিমালা তৈরির উদ্যোগ নেয়া হয়। একই বছর অক্টোবরে হয় প্রথম খসড়া। এতে সরকারের ১৭টি মন্ত্রণালয় ও সংস্থার মতামত নেয়া হয়।

চলতি বছর রাজপথ পেরিয়ে অলিতে-গলিতে ছড়িয়ে পড়ে এ সেবা। এ বছর সেবা দিতে আরও কিছু দেশীয় উদ্যোগ নাম লেখায়। উবার বা পাঠাওয়ের প্রাইভেট গাড়িও পাওয়া যায় চাহিদা অনুযায়ী। মিলছে সিএনজি সেবাও।

দেশে এখন রাইড শেয়ারিং সেবার নাম করলেই সবার আগে আসে পাঠাও। পাঠাও, উবার ছাড়াও সেবাটি বর্তমানে দিচ্ছে স্যাম, সহজ.ডটকমের সহজ রাইড, ইজিয়ার টেকনোলজিসের ইজিয়ার রাইড, বাহন, ওভাই, আমার রাইড, মুভ, চলো অ্যাপে, ট্যাক্সিওয়ালা, চালাও, ওই খালি, পিকমি, লেটস গোসহ আরও কিছু কোম্পানি। অনেক প্রতিষ্ঠান আবার নারীদের জন্য আলাদা অ্যাপ চালু করেও সেবাটি দিচ্ছে।

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

converter
×