২০২১ সালে তৃতীয় সাবমেরিন ক্যাবলে বাংলাদেশ

প্রকাশ : ২৩ জানুয়ারি ২০১৯, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

  আইটি ডেস্ক

২০২১ সাল নাগাদ নতুন সাবমেরিনে যুক্ত হতে পারে বাংলাদেশ। নিজেদের তৃতীয় সাবমেরিন ক্যাবলের জন্য নতুন সি-মি-উই ৬ কনসোর্টিয়ামে যুক্ত হয়েছে বাংলাদেশ।

ইতিমধ্যে আনুষ্ঠানিকভাবে চিঠি দিয়ে এ কনসোর্টিয়ামের উদ্যোক্তাদের জানিয়ে দেয়া হয়েছে, বাংলাদেশ এই ক্যাবলে থাকছে। সি-মি-উই (SEA-ME-WE) হচ্ছে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া, মধ্যপ্রাচ্য এবং পশ্চিম ইউরোপের সংক্ষিপ্ত নাম।

এই এলাকার মধ্য দিয়ে ক্যাবলটি স্থাপিত বলে প্রতিটি ক্যাবলের নামে এমনটা যুক্ত থাকে। যেমন সি-মি-উই ৪, সি-মি-উই ৫। সর্বশেষ সি-মি-উই ৫ কনসোর্টিয়ামে এই এলাকার দেশগুলোর মধ্যে ছিল বাংলাদেশ, সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া, থাইল্যান্ড, শ্রীলঙ্কা, ভারত, পাকিস্তান, সৌদি আরব, কাতার, ওমান, ইউএই, জিবুতি, মিসর, তুরস্ক, ইতালি, ফ্রান্স, মিয়ানমার, ইয়েমেন।

এই ১৯ দেশ ১৯টি ল্যান্ডিং পয়েন্টের মাধ্যমে এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে। নতুন সি-মি-উই ৬ কনসোর্টিয়ামেও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া, মধ্যপ্রাচ্য এবং পশ্চিম ইউরোপ থেকেই দেশগুলো যুক্ত হবে।

ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার জানান, সি-মি-উই ৬ এ যোগ দেয়ার বিষয়টি ইতিমধ্যে অফিসিয়ালভাবে জানিয়ে দেয়া হয়েছে। অতীতের ৫টি কনসোর্টিয়ামই খুব সাকসেসফুলি রান করা হয়েছে।

ক্যাবল লাইন কেবলমাত্র হওয়া না, ক্যাবল লাইন সিগনেফিকেন্টটি-টেকনোলজিক্যালি সাউন্ড হয় সেটাই ফ্যাক্টর। এই সি-মি-উই রুটে এখন যে কোনো কনসোর্টিয়াম সাকসেসফুল হবে। ‘ইন্ডিভিজ্যুয়াল লাইন করতে গেলে বা দু-একজনকে নিয়ে একটা কানেক্টিভিটি করতে গেলে সেটি ব্যয়বহুল হয়ে যায়।

এ ব্যয়বহুল জায়গা থেকে বেরিয়ে যাওয়ার জন্য কনসোর্টিয়ামকে প্রেফার করা হয়েছে। এতে সরকারিভাবে যোগ দেব, যদি কোনো বেসরকারি পার্টনার আসতে চায় তাকেও নেব। এমনকি বেসরকারি কেউ সাবমেরিন ক্যাবল করতে চাইলে সেখানে তিনের পরে চার নম্বর সাবমেরিন ক্যাবলে যাব’ বলছিলেন মন্ত্রী। মোস্তাফা জব্বার বলেন, আমাদের সামনে তৃতীয় সাবমেরিন ক্যাবল অনিবার্য বিষয়।

যেভাবে আমরা ইন্টারনেট ব্যবহার শুরু করেছি তাতে কিছুদিন পরে আমাদের ব্যান্ডউইথের চাহিদা এমন জায়গায় গিয়ে ঠেকবে যে, সি-মি-উই ৫ দিয়ে তা আর সামাল দেয়া যাবে না।’

এখন দেশে ব্যান্ডউইথের ব্যবহার এক হাজার জিবিপিএস ছুঁয়েছে। ২০১৮ সালের নভেম্বরের শেষে দেশে মোট কার্যকর ইন্টারনেট সংযোগের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে নয় কোটি ১৮ লাখ। যার মধ্যে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে সংযোগ আছে আট কোটি ৬২ লাখ।

সংখ্যায় মাত্র ৫৭ লাখ ৩৫ হাজার হলেও ব্রডব্যান্ডের মাধ্যমেই ইন্টারনেট ব্যান্ডউইথের বেশিরভাগ ব্যবহার হয়ে থাকে। এর বাইরে ওয়াইম্যাক্স সংযোগ আছে আরও ৬১ হাজার। টেকশহর।