মশা মারতে ড্রোন
jugantor
মশা মারতে ড্রোন

  আইটি ডেস্ক  

২৩ নভেম্বর ২০১৯, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

মশা নিধনে ড্রোন ব্যবহার করতে যাচ্ছে ভারতের কলকাতা মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশন (কেএমসি)। ডেঙ্গু, চিকুনগুনিয়া এবং ম্যালেরিয়ার মতো রোগ ছড়ানো বন্ধ করতে মশার লার্ভার খোঁজ করে সেগুলো ধ্বংস করা হবে ড্রোন দিয়ে। এ প্রকল্পে যে ড্রোন ব্যবহার করা হবে তার নাম দেয়া হয়েছে বিনাশ। ২০ তলা ভবনের সমান উচ্চতায় উড়তে পারবে এ ড্রোন। গ্লোবাল পজিশনিং সিস্টেম বা জিপিএস রয়েছে এতে। উচ্চ প্রযুক্তির এ ড্রোন উন্মোচনকালে কেএমসির ডেপুটি মেয়র অতিন ঘোষ বলেন, ড্রোনটি ভবন এবং অন্যান্য জায়গা যেখানে আমরা পৌঁছাতে পারি না সেগুলোর ছবি তুলবে। ড্রোনটিতে একটি রোবটিক বাহুও রাখা হয়েছে। এ বাহু দিয়ে পানি এবং মাটি থেকে নমুনা সংগ্রহ করবে ড্রোনটি। ‘নমুনা পরীক্ষা করে আমরা যদি বুঝতে পারি এ জায়গাগুলো মশার জন্মস্থান, তবে কীটনাশক স্প্রে ব্যবহার করে মশা নিধন করা হবে, বলেন ঘোষ। ড্রোনের সঙ্গে কীটনাশক মজুদের জন্য একটি কনটেইনার রাখা হয়েছে। এ ছাড়াও একটি হুটার বা মাইক রয়েছে এতে যা কীটনাশক স্প্রে করার সময় বেজে উঠবে। এ বছর ডেঙ্গু এবং চিকুনগুনিয়ার মতো মশাবাহিত রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন শহরটির বহু বাসিন্দা।

মশা মারতে ড্রোন

 আইটি ডেস্ক 
২৩ নভেম্বর ২০১৯, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

মশা নিধনে ড্রোন ব্যবহার করতে যাচ্ছে ভারতের কলকাতা মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশন (কেএমসি)। ডেঙ্গু, চিকুনগুনিয়া এবং ম্যালেরিয়ার মতো রোগ ছড়ানো বন্ধ করতে মশার লার্ভার খোঁজ করে সেগুলো ধ্বংস করা হবে ড্রোন দিয়ে। এ প্রকল্পে যে ড্রোন ব্যবহার করা হবে তার নাম দেয়া হয়েছে বিনাশ। ২০ তলা ভবনের সমান উচ্চতায় উড়তে পারবে এ ড্রোন। গ্লোবাল পজিশনিং সিস্টেম বা জিপিএস রয়েছে এতে। উচ্চ প্রযুক্তির এ ড্রোন উন্মোচনকালে কেএমসির ডেপুটি মেয়র অতিন ঘোষ বলেন, ড্রোনটি ভবন এবং অন্যান্য জায়গা যেখানে আমরা পৌঁছাতে পারি না সেগুলোর ছবি তুলবে। ড্রোনটিতে একটি রোবটিক বাহুও রাখা হয়েছে। এ বাহু দিয়ে পানি এবং মাটি থেকে নমুনা সংগ্রহ করবে ড্রোনটি। ‘নমুনা পরীক্ষা করে আমরা যদি বুঝতে পারি এ জায়গাগুলো মশার জন্মস্থান, তবে কীটনাশক স্প্রে ব্যবহার করে মশা নিধন করা হবে, বলেন ঘোষ। ড্রোনের সঙ্গে কীটনাশক মজুদের জন্য একটি কনটেইনার রাখা হয়েছে। এ ছাড়াও একটি হুটার বা মাইক রয়েছে এতে যা কীটনাশক স্প্রে করার সময় বেজে উঠবে। এ বছর ডেঙ্গু এবং চিকুনগুনিয়ার মতো মশাবাহিত রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন শহরটির বহু বাসিন্দা।

 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন