ফেসবুক ব্যবহারকারীদের বিভক্ত করেছে ক্যামব্রিজ অ্যানালিটিকা
jugantor
ফেসবুক ব্যবহারকারীদের বিভক্ত করেছে ক্যামব্রিজ অ্যানালিটিকা

  আইটি ডেস্ক  

১০ ডিসেম্বর ২০১৯, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

ক্যামব্রিজ অ্যানালিটিকার ফেসবুকের তথ্য কেলেঙ্কারির ঘটনার ১৮ মাস পার হয়েছে। এত পরে হলেও শেষ পর্যন্ত ক্যামব্রিজ অ্যানালিটিকার তথ্য কেলেঙ্কারির ব্যাপারে চূড়ান্ত রায় ঘোষণা করেছে যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল ট্রেড কমিশন (এফটিপি)। রায় অনুযায়ী, ক্যামব্রিজ অ্যানালিটিকা তথ্য সংগ্রহের সিস্টেমগুলোর মাধ্যমে ফেসবুক ব্যবহারকারীদের সঙ্গে প্রতারণা করেছে।

এফটিসি এ জন্য পরামর্শক প্রতিষ্ঠান ক্যামব্রিজ অ্যানালিটিকা, তার সিইও আলেকজান্ডার নিক্স এবং অ্যাপ ডেভেলপার প্রতিষ্ঠান আলেকসান্দ্র কোগান মিলে ব্যক্তিত্ব দেখার অ্যাপের মাধ্যমে ফেসবুক ব্যবহারকারীর তথ্য সংগ্রহ করেছে। খবরটি প্রথম প্রকাশ পাওয়ার পর কিছুদিনের মধ্যেই দেউলিয়া হয়ে যাওয়ার আবেদন করে প্রতিষ্ঠানটি। এফটিসি তাদের রায়ে বলেছে, কোনো এজেন্সির কারণে পুরো কোম্পানিকে দায়ী করা সমীচীন হবে না। অবশ্য রায় নিয়ে কোনো প্রতিক্রিয়া দেখায়নি ফেসবুক বা ক্যামব্রিজ অ্যানালিটিকার কেউই। অবশ্য এফটিসি তাদের রায়ে বলেছে, ক্যামব্রিজ অ্যানালিটিকা ফেসবুক ব্যবহারকারীদের যে তথ্য সংগ্রহ করেছিল সেগুলো সংরক্ষণ করা যাবে না। এমনকি সেগুলো মুছে ফেলতে হবে। ফেসবুকের বিরুদ্ধে অভিযোগ, ব্যবহারকারীর তথ্য সংগ্রহের জন্য ক্যামব্রিজ অ্যানালিটিকাকে সে সময় একটি অ্যাপ ব্যবহারের অনুমতি দিয়েছিল। ওই অ্যাপের মাধ্যমে প্রায় পাঁচ কোটি ব্যবহারকারীর তথ্য সংগ্রহ করে। এরপর তথ্যগুলো ২০১৬ সালে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ডোনাল্ড ট্রাম্পের পক্ষে প্রচারণায় ব্যবহার করা হয়। গোপনে এসব তথ্য হাতিয়ে নিয়ে তা ব্যবহার করে প্রতিষ্ঠানটি মার্কিন নির্বাচন নীতি ভঙ্গ করে। ক্যামব্রিজ অ্যানালিটিকা কেলেঙ্কারির সূত্র ধরে ২০১৮ সালের মার্চে ফেসবুকের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করে এফটিসি। এ ঘটনাটি ‘ক্যামব্রিজ অ্যানালিটিকা কেলেঙ্কারি’ হিসেবে পরিচিতি লাভ করে। ফেসবুক তাদের কোটি কোটি ব্যবহারকারীকে প্রতিশ্রুতিও দিয়েছিল তাদের ব্যক্তিগত তথ্য কোথায় কীভাবে শেয়ার করা হবে সেটি তাদের নিয়ন্ত্রণেই থাকবে। কিন্তু ফেসবুক তা করতে পারেনি।

ফেসবুক ব্যবহারকারীদের বিভক্ত করেছে ক্যামব্রিজ অ্যানালিটিকা

 আইটি ডেস্ক 
১০ ডিসেম্বর ২০১৯, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

ক্যামব্রিজ অ্যানালিটিকার ফেসবুকের তথ্য কেলেঙ্কারির ঘটনার ১৮ মাস পার হয়েছে। এত পরে হলেও শেষ পর্যন্ত ক্যামব্রিজ অ্যানালিটিকার তথ্য কেলেঙ্কারির ব্যাপারে চূড়ান্ত রায় ঘোষণা করেছে যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল ট্রেড কমিশন (এফটিপি)। রায় অনুযায়ী, ক্যামব্রিজ অ্যানালিটিকা তথ্য সংগ্রহের সিস্টেমগুলোর মাধ্যমে ফেসবুক ব্যবহারকারীদের সঙ্গে প্রতারণা করেছে।

এফটিসি এ জন্য পরামর্শক প্রতিষ্ঠান ক্যামব্রিজ অ্যানালিটিকা, তার সিইও আলেকজান্ডার নিক্স এবং অ্যাপ ডেভেলপার প্রতিষ্ঠান আলেকসান্দ্র কোগান মিলে ব্যক্তিত্ব দেখার অ্যাপের মাধ্যমে ফেসবুক ব্যবহারকারীর তথ্য সংগ্রহ করেছে। খবরটি প্রথম প্রকাশ পাওয়ার পর কিছুদিনের মধ্যেই দেউলিয়া হয়ে যাওয়ার আবেদন করে প্রতিষ্ঠানটি। এফটিসি তাদের রায়ে বলেছে, কোনো এজেন্সির কারণে পুরো কোম্পানিকে দায়ী করা সমীচীন হবে না। অবশ্য রায় নিয়ে কোনো প্রতিক্রিয়া দেখায়নি ফেসবুক বা ক্যামব্রিজ অ্যানালিটিকার কেউই। অবশ্য এফটিসি তাদের রায়ে বলেছে, ক্যামব্রিজ অ্যানালিটিকা ফেসবুক ব্যবহারকারীদের যে তথ্য সংগ্রহ করেছিল সেগুলো সংরক্ষণ করা যাবে না। এমনকি সেগুলো মুছে ফেলতে হবে। ফেসবুকের বিরুদ্ধে অভিযোগ, ব্যবহারকারীর তথ্য সংগ্রহের জন্য ক্যামব্রিজ অ্যানালিটিকাকে সে সময় একটি অ্যাপ ব্যবহারের অনুমতি দিয়েছিল। ওই অ্যাপের মাধ্যমে প্রায় পাঁচ কোটি ব্যবহারকারীর তথ্য সংগ্রহ করে। এরপর তথ্যগুলো ২০১৬ সালে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ডোনাল্ড ট্রাম্পের পক্ষে প্রচারণায় ব্যবহার করা হয়। গোপনে এসব তথ্য হাতিয়ে নিয়ে তা ব্যবহার করে প্রতিষ্ঠানটি মার্কিন নির্বাচন নীতি ভঙ্গ করে। ক্যামব্রিজ অ্যানালিটিকা কেলেঙ্কারির সূত্র ধরে ২০১৮ সালের মার্চে ফেসবুকের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করে এফটিসি। এ ঘটনাটি ‘ক্যামব্রিজ অ্যানালিটিকা কেলেঙ্কারি’ হিসেবে পরিচিতি লাভ করে। ফেসবুক তাদের কোটি কোটি ব্যবহারকারীকে প্রতিশ্রুতিও দিয়েছিল তাদের ব্যক্তিগত তথ্য কোথায় কীভাবে শেয়ার করা হবে সেটি তাদের নিয়ন্ত্রণেই থাকবে। কিন্তু ফেসবুক তা করতে পারেনি।