বেসিস নির্বাচনে প্রার্থীদের প্রতিশ্রুতি

  এম. মিজানুর রহমান সোহেল ১১ মার্চ ২০১৮, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

বেসিস নির্বাচনে প্রার্থীদের প্রতিশ্রুতি

দেশের তথ্যপ্রযুক্তি খাতের সবচেয়ে বড় বাণিজ্য সংগঠন বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড সার্ভিসেসের (বেসিস) ২০১৮-২০ সেশনের কার্যনির্বাহী কমিটির নির্বাচন আগামী ৩১ মার্চ। এবার ৯ সদস্যের নির্বাহী কমিটির জন্য ৪০টি মনোনয়নপত্র জমা পড়েছে। মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ১৫ মার্চ। নির্বাচনের আগে প্রচার-প্রচারণায় নেমেছেন বিভিন্ন প্রার্থী। নির্বাচনে বিজয়ী হলে কী করবেন এবং নিজেদের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি সম্পর্কে কয়েকজন হেভিওয়েট প্রার্থী কথা বলেছেন যুগান্তরের সঙ্গে। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন এম. মিজানুর রহমান সোহেল

সদস্যদের উন্নয়নে সহজ শর্তে অর্থায়ন করব : মোস্তফা রফিকুল ইসলাম

বাংলাদেশে আইটি ইনফ্রাস্ট্রাকচার এবং সফটওয়্যার কোম্পানি ফ্লোরা টেলিকম লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোস্তফা রফিকুল ইসলাম বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড সার্ভিসেসের (বেসিস) ২০১৮-২০ সেশনের কার্যনির্বাহী কমিটির নির্বাচন করছেন। নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি সম্পর্কে মোস্তফা রফিকুল ইসলাম বলেন, বেসিস এখন দেশের সফটওয়্যার খাতের সবচেয়ে বড় সংগঠন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঘোষিত আজকের যে ডিজিটাল বাংলাদেশ দেখছেন এটা বাস্তবায়নে সরকারের সহায়ক শক্তি হিসেবে বেসিসের অবদান সবচেয়ে বেশি। আমি এ সংগঠনের একজন প্রতিষ্ঠাতা সদস্য।

বাংলাদেশ যে আজকে নিম্ন মধ্যম আয়ের দেশ হিসেবে পরিণত হয়েছে তাতেও বেসিসের অবদান অনেক। কিন্তু আমাদের স্বপ্ন আরও অনেক বড়; বাংলাদেশকে আমরা উন্নত দেশ হিসেবে গড়তে চাই। আর উন্নত বাংলাদেশ গড়তে বেসিসকে যে গতিতে ও পরিকল্পনায় আনা উচিত আমরা লক্ষ করছি সে পথে বেসিস হাঁটছে না। আমরা মনে করি এটা শুধু সঠিক নেতৃত্বের অভাবে সঠিক পথে বিকশিত হচ্ছে না। আমরা দেখেছি বেসিসের নেতৃত্বের ব্যক্তিগত উন্নয়ন ঘটলেও বেসিস সদস্যদের কোনো উন্নয়ন ঘটেনি।

আমরা বিশ্বাস করি একটি কার্যকর পরিবর্তনের মাধ্যমে বেসিস মেম্বারদের উপযুক্ত সক্ষমতা অর্জনে আমরা সহযোগিতা করতে পারব। সরকার যেহেতু তথ্যপ্রযুক্তিকে খাত হিসেবে প্রাধান্য দিয়েছে এবং এ খাতে সরকার ও দেশি-বিদেশি নানা সহযোগিতা বেসিস সদস্যরা যাতে ন্যায্যভাবে পায় আমরা দায়িত্ব পেলে সেটি নিশ্চিত করব। এখানে আমাদের প্যানেলের পক্ষে বিশেষ প্রতিশ্রুতি দিয়েছি যে, আমরা নির্বাচিত হয়ে এলে কার্যকরী কমিটির কেউ বেসিসকে সরকার প্রদত্ত দেয়া কোনো ব্যবসা বাণিজ্য করব না।

এটা শুধু সাধারণ সদস্যদের জন্য উন্মুক্ত থাকবে। আমাদের বুলেট পয়েন্ট হচ্ছে বেসিসের সদস্যদের উন্নয়ন। বিজয়ী হলে সদস্য প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য নতুন কোনো সেবা ও সম্ভাবনা পরিকল্পনা করবেন কিনা? উত্তরে মোস্তফা বলেন, বর্তমান বেসিস এখন নিজেও তার সদস্যদের প্রতিদ্বন্দ্বী। যে কারণে বেসিস নেতাদের উন্নয়ন হলেও সদস্যদের কোনো উন্নয়ন হচ্ছে না। সদস্যরা এ কারণে যথেষ্ট হতাশ। আর একজন বেসিস সদস্য যদি হতাশ হয় তা হলে ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়তে সরকারের তথ্যপ্রযুক্তি খাতের অগ্রগতি বাধাগ্রস্ত হয়। যেহেতু এখানকার মেম্বাররা নলেজ বেজড এন্টারপ্রেনার তাই আমরা মনে করি তাদের সব সময় প্রমোট করতে হবে। প্রযুক্তি বিজনেস সব সময় একটা চ্যালেঞ্জ ওয়ার্ক।

তাই এখানে মাদার অর্গানাইজেশন হিসেবে বেসিসকে ফ্যাসিলিটরের ভূমিকায় সব সময় প্রস্তুত থাকতে হবে। সদস্যদের সব রকম সুবিধা দিয়ে ব্যবসায়িক উন্নয়নে এনগেইজড রাখতে হবে। আমরা ইসি কমিটিতে এলে সবকিছু ট্রান্সপারেন্ট রাখব। তাদের সঙ্গে আমরা নিয়মিত মিটিংয়ে বসব, তাদের যে কোনো সদস্যা সমাধানে আমরা সহযোগিতা করব। আমরা সদস্যদের ব্যবসা সম্প্রসারণের জন্য দেশ-বিদেশের মার্কেটে ফোকাস রাখব। আমরা চেষ্টা করব যাতে দেশের প্রতিষ্ঠানগুলো দেশীয় সফটওয়্যার ব্যবসা করে এবং বিদেশের এক্সপোর্ট মার্কেটের নতুন নতুন বাজার তৈরি করে। বেসিস সদস্যদের উন্নয়নে আমরা সহজ শর্তে অর্থায়ন করব।

বেসিসের উন্নয়নে ভূমিকা রাখতে চাই দেলোয়ার হোসেন ফারুক

বেসিসের এবারের নির্বাচনে প্রার্থী হয়েছেন রেডিসন ডিজিটাল টেকনোলজিস লিমিটেডের চেয়ারম্যান দেলোয়ার হোসেন ফারুক। বেসিসের নির্বাচন প্রার্থী হওয়া সম্পর্কে তিনি বলেন, যতটুকু সময় পেয়েছি সে সময়ে মনমতো কাজ করতে পারিনি। তাই এবারের নির্বাচনে বেসিসের উন্নয়নে কাজ করার আবারও সুযোগ চাই। সে সুযোগ তৈরি করে দেবেন বেসিস সম্মানিত সদস্যরা। যাদের ভালোবাসা আর মূল্যবান ভোট আমাকে তাদের পাশে থাকার সুযোগ দেবে। তিনি আরও বলেন, বেসিস তথ্যপ্রযুক্তি খাতের সবচেয়ে সুপ্রতিষ্ঠিত সংগঠন।

বেসিস নিয়ে তথ্যপ্রযুক্তি অঙ্গন সংশ্লিষ্টদের পাশাপাশি সাধারণ মানুষেরও আগ্রহ অনেক। বেসিস তথ্যপ্রযুক্তি নির্ভর ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণে সরকারের সঙ্গে কাজ করছে। দেখুন, বেসিস হচ্ছে দেশীয় সফটওয়্যার, ই-কমার্স এবং তথ্য-প্রযুক্তিভিত্তিক সেবা (আইটিএস) খাতের প্রতিনিধিত্বকারী একমাত্র সংগঠন। আর ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণে সফটওয়্যার, ই-কমার্স এবং আইটিএস খাতের অপার সম্ভাবনা রয়েছে। এ খাতে বিশ্বজুড়ে হাজার হাজার কোটি টাকার বাজার তৈরি হয়েছে। দেশে ভালো মানের সফটওয়্যার নির্মাতাদের যদি প্রমোট করা যায় তবে গার্মেন্টের পরেই বৈদেশিক মুদ্রা আহরণে অন্যতম খাত হতে পারে এটি। এ ছাড়া ই-কমার্সেও আমাদের দারুণ সম্ভাবনা রয়েছে।

একইভাবে আইটিএস খাতের কথাও উল্লেখ করা যেতে পেরে। আর এ তিনটি সম্ভাবনাময় খাতের প্রতিনিধিত্বকারী সংগঠন হচ্ছে বেসিস। ফলে এ শিল্পের উন্নয়নে কাজ করতে হলে বেসিসই হতে পারে কাক্সিক্ষত লক্ষ্য। এ লক্ষ্য পূরণেই আমি এবারও বেসিস নির্বাচনে অংশ নিচ্ছি। দেলোয়ার হোসেন ফারুক বলেন, আমি আশাবাদী ভালো কিছু করা সম্ভব। কারণ প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা ডিজিটাল বাংলাদেশ গঠনে ‘ভিশন ২০২১’ ঘোষণার পর আমরা দেখতে পাচ্ছি কত দ্রুত বাংলাদেশ এগিয়েছে। তথ্যপ্রযুক্তি ক্ষেত্রে আমাদের অগ্রগতি ঈর্ষণীয়। সব মিলিয়ে বেসিস নিয়ে কাজ করতে পারলে আরও এগিয়ে যাওয়া সম্ভব।

সহজলভ্য ঋণ পেতে সহায়তা করব: সহিবুর রহমান রানা

বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফর্মেশন সার্ভিসেসের (বেসিস) নির্বাহী কমিটির নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন সল্যুশন নাইনের প্রধান নির্বাহী (সিইও) কর্মকর্তা সহিবুর রহমান খান রানা। তথ্যপ্রযুক্তি ও টেলিযোগাযোগ খাতে ভ্যাস, সফটওয়্যার, ডাটা সেন্টার এবং ট্রেনিং সেন্টার নিয়ে কাজ করেন তিনি। বেসিস নির্বাচনে বিজয়ী হলে তিনি সদস্যদের জন্য সহজলভ্য ঋণ পেতে সহায়তা করবেন।

বেসিস নির্বাচনে অংশ নেয়ার বিষয়ে তরুণ আইটি ব্যবসায়ী রানা বলেন, আমি বেসিসের নতুন নেতৃত্বে আসতে চাই। আর কাজ করে যেতে চাই বেসিসের সদস্যদের জন্য। আমি সদস্যদের অনুরোধেই নির্বাচনে দাঁড়িয়েছি। এ সদস্যরাই আমাকে নির্বাচিত করবে। বিশেষত তরুণ ভোটারদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে রানা বলেন, আজ ভোটাররা আমার জন্য প্রচার-প্রচারণা করছে, ভোট চাইছে, আমার খুব ভালো লাগছে। আমি নির্বাচিত হলে সদস্যদের পাশে সব সময় থাকব। সহিবুর রহমান খান রানা দুই লক্ষ্য নিয়ে বেসিস নির্বাচন করছেন। একটি হচ্ছে দেশীয় সফটওয়্যার এক্সপোর্টে ভূমিকা রাখা ও সদস্যদের কল্যাণে কাজ করা।

নির্বাচনে প্রতিশ্রুতি সম্পর্কে বলেন, বেসিস সদস্যদের অনেক সময় সহজলভ্য ঋণ দরকার হয়। কিন্তু এখানে কাগজপত্রের জটিলতা কারণে নতুন উদ্যোক্তাদের সব কিছু থাকার পরও সহযোগিতা পায় না। বিশেষত ব্যাংক, ফিন্যান্স কোম্পানি, ভেঞ্চার ক্যাপিটাল কোম্পানিগুলোয় আর্থিক সুবিধা পাওয়ার নানা সুযোগ আছে। সে বিষয়ে সব ধরনের সহযোগিতা করতে আমি প্রস্তুত আছি। সম্ভাবনাময় ভ্যাসের মার্কেট সম্পর্কে সহিবুর রহমান খান রানা বলেন, বাংলাদেশের ভ্যাস ইন্ডাস্ট্রি প্রায় ২ হাজার কোটি টাকার মার্কেট। কিন্তু নীতিমালার অভাবে এ মার্কেট বিকশিত হয়নি। এ খাতেও তিনি কাজ করতে চান।

বাংলাদেশে বিশ্বের পঞ্চম বৃহত্তম ডাটা সেন্টার স্থাপন করা হচ্ছে। সেখানেও বাংলাদেশের তরুণ উদ্যোক্তাদের নানা কাজ করার সুযোগ আছে উল্লেখ করে রানা বলেন, দেশে ডাটা সেন্টারের অনেক সম্ভাবনা রয়েছে। কিন্তু এ সম্পর্কে মানুষের ধারণা কম। এ বিষয়ে মানুষকে আরও শিক্ষিত করার জন্য তিনি কর্মশালার আয়োজন করবেন বলেও জানান।

বিজয়ী হলে বেসিস সদস্যদের জন্য মেম্বার ক্লাব করব : দিদারুল আলম

বেসিস নির্বাচনে শুটিং স্টার লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক দিদারুল আলম এবারের প্রার্থী। তিনি বেসিসের ডিজিটাল মার্কেটিং স্ট্যান্ডিং কমিটির কো-চেয়ারম্যান হিসেবে সর্বাধিক মিটিং করেছেন এবং ডিজিটাল মিডিয়া বায়িংয়ের পলিসি উন্নয়নে কাজ করছেন। এ ছাড়া অ্যাপিটকা অ্যাওয়ার্ড অর্গানাইজিং এবং সফট এক্সপো অর্গানাইজিং কমিটিতেও কাজ করেছেন। তিনি বিশ্বাস করেন সম্মিলিত শক্তিতেই বেসিসকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া সম্ভব।

নির্বাচন সম্পর্কে দিদারুল আলম বলেন, নির্বাচনে বিজয়ী হলে কিছু বিষয় নিয়ে গুরুত্বসহকারে কাজ করতে চাই। সব মেম্বারের সঙ্গে মিলে সবার বেসিস করতে চান তিনি। এর আগে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে চার দিনব্যাপী আয়োজিত ‘বেসিস সফটএক্সপো ২০১৮’ দিদারুল আলম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। তিনি এবারের সফটএক্সপোয় খুব অল্প সময়ের মধ্যে বেসিসকে সিংহভাগ স্পন্সর এনে দেন।

দিদারুল আলম বলেন, আমি ভালোলাগার জায়গা থেকে কাজ করি। আর এ কাজ আমি করে যেতে চাই সব সময়। আমাকে বেসিসের সদস্যরা সব সময় পাবে। আমি নির্বাচিত হলে এ কাজগুলো আরও বড় পরিসরে করার সুযোগ পাব। দিদারুল আলম জানান, আমার প্রথম কাজ একটি মেম্বার ক্লাব করা ও মেম্বার স্কিল ট্রান্সফর্মেশন অ্যান্ড কোলাবোরেশন প্লাটফর্মের মাধ্যমে বেসিস মেম্বারদের সমন্বয় বাড়ানো যাতে করে একে অপরের ক্যাপাসিটি ডেভেলপমেন্টে কাজ করে ও অপরচুনিটি ক্রিয়েটের মাধ্যমে এক শক্তিশালী মেম্বার কল্যাণমুখী বেসিস গড়ে তোলার অঙ্গীকার নিয়ে সামনে এগোনো যায়।

মেম্বার কোম্পানিদের এক্সেস টু ফান্ডের ব্যবস্থা করতে চাই। প্রত্যেকটি কোম্পানি স্বাবলম্বী করতে চাই। ২০১৫ সালের প্রথমদিকে গুগল ট্রান্সলেটে বাংলা শব্দ যোগ করার উদ্যোগ নিয়েছিল গুগল ডেভেলপার গ্রুপ বাংলা (জিডিজি বাংলা)। এ কাজে নেতৃত্ব দিয়ে আরও এগিয়ে নিয়েছে শুটিং স্টার লিমিটেডের এমডি দিদারুল আলম। বাংলা ভাষাকে সারা বিশ্বে ছড়িয়ে দিতে দিদারুল আলম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। পরে ২৬ মার্চ গুগলে চার লাখ বাংলা শব্দ যুক্ত করতে উদ্যোগ নিয়েছে গুগল ডেভেলপার গ্রুপ বাংলা (জিডিজি বাংলা), বাংলাদেশ সরকারের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ।

ঘটনাপ্রবাহ : বেসিস নির্বাচন ২০১৮

আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৮

converter