ই-কমার্স খাত ও একজন সিইও মোহাম্মদ রাসেল
jugantor
'আমাদের সবচেয়ে বড় শক্তি ক্রেতারা'
ই-কমার্স খাত ও একজন সিইও মোহাম্মদ রাসেল
প্রায় ১৭ লাখ নিয়মিত ক্রেতা, ২০ হাজারের অধিক বিক্রেতা নিয়ে বাংলাদেশের ই-কমার্স খাতে স্বল্প সময়ে প্রথম সারিতে উঠে এসেছে দেশীয় ই-কমার্স স্টার্টআপ ‘ইভ্যালি’। বর্তমানে ইভ্যালি প্রতিদিন ৫ হাজার অর্ডার প্রসেস করছে। সম্প্রতি জনপ্রিয় সাময়িকী এশিয়া ওয়ানের জরিপে, এশিয়ার মধ্যে স্বল্পসময়ে দ্রুতবর্ধনশীল ই-কমার্স স্টার্টআপ প্রতিষ্ঠান ইভ্যালি ও বিজনেস লিডার হিসেবে অ্যাওয়ার্ড অর্জন করেছে প্রতিষ্ঠানটির সিইও মোহাম্মদ রাসেল। তিনি বর্তমানে বিশ্বে ই-কমার্সের গতিপ্রকৃতি, বাংলাদেশে এ খাতের ভবিষ্যৎ ও চ্যালেঞ্জ বিষয়ে কথা বলেছেন দৈনিক যুগান্তরের সঙ্গে। সাক্ষাৎকারটি নিয়েছেন-

  সাইফ আহমাদ  

০৮ মার্চ ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

যুগান্তর : বিশ্বব্যাপী ই-কমার্স এখন অত্যন্ত জনপ্রিয় প্লাটফর্ম, এ খাতের অগ্রগতি কেমন?

রাসেল : বিশ্বব্যাপী ই-কমার্স খাত অনেকটা এগিয়েছে এবং বিশ্ব অর্থনীতির নানাবিধ উন্নয়নে ই-কমার্স অগ্রণী ভূমিকা রাখছে। আমাদের পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতের দিকে তাকালেই দেখা যায় সেখানে পৃথিবীর সবচেয়ে জনপ্রিয় প্লাটফর্ম অ্যামাজন ব্যবসা করছে। এ ছাড়া আরও একটি বড় কোম্পানি ওয়ালমার্টও ভারতের ফ্লিপকার্টের মাধ্যমে ব্যবসা পরিচালনা করে আসছে। ই-কমার্সের গ্লোবাল রিকোয়ারমেন্ট খুবই প্রুভেন একটি মডেল।

চায়নাতে আলিবাবা তাদের অর্থনীতিতে যে ভূমিকা রেখেছে তা সবার নজরে এসেছে। ঠিক তেমনি আমেরিকার ইকোনমিতে অ্যামাজনের কন্ট্রিবিউশনও আমরা দেখেছি।

যুগান্তর : ই-কমার্স কীভাবে ব্যবসা করে বা গ্রাহকের প্রতি এর দায়বদ্ধতা কী?

রাসেল : ই-কমার্স মূলত দুটি কাজ করে। প্রথমত ই-কমার্স ডিস্ট্রিবিউশন খরচ কমায়। যেমন- একটা পণ্যকে কারখানা থেকে গ্রাহকের কাছে পৌঁছতে অনেকগুলো চ্যানেল পার হতে হয়, পণ্যটি ফ্যাক্টরি থেকে ডিলারের কাছে যায়, ডিলার সেটাকে শোরুমে পাঠায় তারপর শোরুম থেকে পণ্যটি পৌঁছায় গ্রাহকের হাতে। এ ক্ষেত্রে দেখা যায় নির্দিষ্ট ওই প্রডাক্টটির দাম অনেক বেড়ে যায়। অপরদিকে ই-কমার্স কারখানা থেকে সরাসরি পণ্যটি গ্রাহকের হাতে পৌঁছে দেয় যে কারণে বাজারমূল্যের চেয়ে কম দামে গ্রাহক ই-কমার্স থেকে পণ্য ক্রয় করতে পারে।

আরেকটি হচ্ছে ইনভেন্টরি। ই-কমার্সে কোনো পণ্য ডিসপ্লে­ করতে হয় না এমনকি গুদামজাতও করার প্রয়োজন পড়ে না। অন্যদিকে প্রচলিত নিয়মে আমরা দেখতে পাই একটা কোম্পানি তার পণ্য বিক্রির জন্য দেশের ৬৪ জেলায় শোরুম দিতে হয়, সেখানে পণ্য ডিসপ্লে­ করতে হয়। এ বিষয়গুলো ই-কমার্সের দরকার হয় না বলে ই-কমার্স চাইলে পণ্যের দাম কমিয়ে ছাড় দিয়ে ব্যবসা করতে পারে। ই-কমার্স নির্দিষ্ট পণ্যের অর্ডার গ্রহণ করার পর সে অর্ডারটি ম্যানুফ্যাকচারারকে দেয় তার পর সরাসরি গ্রাহকের হাতে পণ্যটি পৌঁছে দেয়। তাই ই-কমার্সের ইনভেন্টরিতে পণ্য দিনের পর দিন রেখে দিতে হয় না।




যুগান্তর : বাংলাদেশে ই-কমার্সের ভবিষ্যৎ কেমন?

রাসেল : দেখুন আমাদের পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতে একটি কোম্পানি দিনে ৮ হাজার থেকে ১০ হাজার কোটি টাকার অর্ডার গ্রহণ করে। ফ্লিপকার্ট বিলিয়ন ডে পালন করে। যদি পাশের দেশ হিসেবে চিন্তা করি আমাদের অন্তত তাদের ৪০ ভাগের এক ভাগ হওয়া উচিত অর্থাৎ ভারতে যদি একটা কোম্পানি ১০ থেকে ১২ হাজার কোটি সেল করে তাহলে আমাদের অন্তত ৫০০ কোটি হওয়া উচিত। আমরা এখনও সেখানটায় পৌঁছাতে পারিনি, তবে আশা করছি আমরাও সে জায়গায় পৌঁছাব।

যুগান্তর : ই-কমার্স খাতে কী কী চ্যালেঞ্জ রয়েছে বলে মনে করেন?

রাসেল : আসলে এখানে অনেক ধরনের চ্যালেঞ্জ রয়েছে তবে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হচ্ছে প্রসেসিংটা।

যেমন, আমরা যখন কোনো ম্যানুফ্যাকচারার কোম্পানির সঙ্গে ড্রিল করতে যাই বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই দেখা যায় তারা এটার সঙ্গে অভ্যস্ত নয়। হয়তো তারা ভাবে ই-কমার্সে কম মূল্যে পণ্য বিক্রি করতে গিয়ে তাদের অন্য সেলিং চ্যানেলগুলোর ব্যবসা ড্রপ করতে পারে। তারা বেশিরভাগ সময়ই বিভ্রান্তির মধ্যে পড়ে যায় যেহেতু এভাবে পণ্য বিক্রি করে অভ্যস্ত ছিলেন না। এ ক্ষেত্রে দেখা যায় কোনো একটা কোম্পানির সঙ্গে ড্রিল করার পরও এ চ্যানেলটি পুরোপুরি সক্রিয় হতে বেশ সময় লেগে যায়। এমনকি ই-কমার্স যে পরিমাণ অর্ডার প্রসেস করে অল্প সময়ের মধ্যে সে পরিমাণ পণ্য ডেলিভারি দিতে ম্যানুফ্যাকচারার কিছুটা চ্যালেঞ্জের মধ্যে পড়ে যায়।

যদিও এটা একদিকে যেমন চ্যালেঞ্জিং অন্যদিকে ন্যাচারালই বলব। কেননা এখনও আমরা ক্রমবর্ধমান অবস্থার মধ্য দিয়ে যাচ্ছি সুতরাং কিছুটা বিচ্যুতি ঘটবে এটাও স্বাভাবিক।

যুগান্তর : সম্প্রতি দ্রুত বর্ধনশীল কোম্পানি হিসেবে ইভ্যালি এশিয়া ওয়ানের অ্যাওয়ার্ড পেয়েছে এ ব্যাপারে কিছু বলুন।

রাসেল : আসলে এ অ্যাওয়ার্ড অর্জন আমার বা ইভ্যালির জন্য হয়নি বরং আমি মনে করি আমাদের কাস্টমার গ্রুপের ভালোবাসার জন্যই আমরা এ অ্যাওয়ার্ড পেয়েছি। আমাদের সোশ্যাল মিডিয়া গ্রুপও এখন অনেক বড়। আমাদের সবচেয়ে বড় শক্তির জায়গাই এ ক্রেতারা। সুতরাং এ অ্যাওয়ার্ডটি আমি তরুণদের উৎসর্গ করতে চাই।

আর এশিয়া ওয়ান একটি জরিপ করে এ অ্যাওয়ার্ড দিয়েছে। আমরা ছাড়াও বাংলাদেশে অন্য পাঁচটি কোম্পানি অন্যান্য ক্যাটাগরিতে অ্যাওয়ার্ড পেয়েছে। আমরা দ্রুত বর্ধনশীল হিসেবে পেয়েছি এটা ঠিক, তবে এ সেক্টরটাই এখন দ্রুত এগিয়ে যাওয়ার সেক্ষেত্রে আমার মনে হয় না যে, খুব দ্রুত এগোতে পেরেছি। তবে এর চেয়ে দ্রুত এগোনো সম্ভব এবং আশা করছি আমরা এগিয়ে যাব আরও দ্রুত এবং আমাদের দেশে ই-কমার্স খাতকে আরও দ্রুত এগিয়ে নিয়ে যাব।

'আমাদের সবচেয়ে বড় শক্তি ক্রেতারা'

ই-কমার্স খাত ও একজন সিইও মোহাম্মদ রাসেল

প্রায় ১৭ লাখ নিয়মিত ক্রেতা, ২০ হাজারের অধিক বিক্রেতা নিয়ে বাংলাদেশের ই-কমার্স খাতে স্বল্প সময়ে প্রথম সারিতে উঠে এসেছে দেশীয় ই-কমার্স স্টার্টআপ ‘ইভ্যালি’। বর্তমানে ইভ্যালি প্রতিদিন ৫ হাজার অর্ডার প্রসেস করছে। সম্প্রতি জনপ্রিয় সাময়িকী এশিয়া ওয়ানের জরিপে, এশিয়ার মধ্যে স্বল্পসময়ে দ্রুতবর্ধনশীল ই-কমার্স স্টার্টআপ প্রতিষ্ঠান ইভ্যালি ও বিজনেস লিডার হিসেবে অ্যাওয়ার্ড অর্জন করেছে প্রতিষ্ঠানটির সিইও মোহাম্মদ রাসেল। তিনি বর্তমানে বিশ্বে ই-কমার্সের গতিপ্রকৃতি, বাংলাদেশে এ খাতের ভবিষ্যৎ ও চ্যালেঞ্জ বিষয়ে কথা বলেছেন দৈনিক যুগান্তরের সঙ্গে। সাক্ষাৎকারটি নিয়েছেন-
 সাইফ আহমাদ 
০৮ মার্চ ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

যুগান্তর : বিশ্বব্যাপী ই-কমার্স এখন অত্যন্ত জনপ্রিয় প্লাটফর্ম, এ খাতের অগ্রগতি কেমন?

রাসেল : বিশ্বব্যাপী ই-কমার্স খাত অনেকটা এগিয়েছে এবং বিশ্ব অর্থনীতির নানাবিধ উন্নয়নে ই-কমার্স অগ্রণী ভূমিকা রাখছে। আমাদের পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতের দিকে তাকালেই দেখা যায় সেখানে পৃথিবীর সবচেয়ে জনপ্রিয় প্লাটফর্ম অ্যামাজন ব্যবসা করছে। এ ছাড়া আরও একটি বড় কোম্পানি ওয়ালমার্টও ভারতের ফ্লিপকার্টের মাধ্যমে ব্যবসা পরিচালনা করে আসছে। ই-কমার্সের গ্লোবাল রিকোয়ারমেন্ট খুবই প্রুভেন একটি মডেল।

চায়নাতে আলিবাবা তাদের অর্থনীতিতে যে ভূমিকা রেখেছে তা সবার নজরে এসেছে। ঠিক তেমনি আমেরিকার ইকোনমিতে অ্যামাজনের কন্ট্রিবিউশনও আমরা দেখেছি।

যুগান্তর : ই-কমার্স কীভাবে ব্যবসা করে বা গ্রাহকের প্রতি এর দায়বদ্ধতা কী?

রাসেল : ই-কমার্স মূলত দুটি কাজ করে। প্রথমত ই-কমার্স ডিস্ট্রিবিউশন খরচ কমায়। যেমন- একটা পণ্যকে কারখানা থেকে গ্রাহকের কাছে পৌঁছতে অনেকগুলো চ্যানেল পার হতে হয়, পণ্যটি ফ্যাক্টরি থেকে ডিলারের কাছে যায়, ডিলার সেটাকে শোরুমে পাঠায় তারপর শোরুম থেকে পণ্যটি পৌঁছায় গ্রাহকের হাতে। এ ক্ষেত্রে দেখা যায় নির্দিষ্ট ওই প্রডাক্টটির দাম অনেক বেড়ে যায়। অপরদিকে ই-কমার্স কারখানা থেকে সরাসরি পণ্যটি গ্রাহকের হাতে পৌঁছে দেয় যে কারণে বাজারমূল্যের চেয়ে কম দামে গ্রাহক ই-কমার্স থেকে পণ্য ক্রয় করতে পারে।

আরেকটি হচ্ছে ইনভেন্টরি। ই-কমার্সে কোনো পণ্য ডিসপ্লে­ করতে হয় না এমনকি গুদামজাতও করার প্রয়োজন পড়ে না। অন্যদিকে প্রচলিত নিয়মে আমরা দেখতে পাই একটা কোম্পানি তার পণ্য বিক্রির জন্য দেশের ৬৪ জেলায় শোরুম দিতে হয়, সেখানে পণ্য ডিসপ্লে­ করতে হয়। এ বিষয়গুলো ই-কমার্সের দরকার হয় না বলে ই-কমার্স চাইলে পণ্যের দাম কমিয়ে ছাড় দিয়ে ব্যবসা করতে পারে। ই-কমার্স নির্দিষ্ট পণ্যের অর্ডার গ্রহণ করার পর সে অর্ডারটি ম্যানুফ্যাকচারারকে দেয় তার পর সরাসরি গ্রাহকের হাতে পণ্যটি পৌঁছে দেয়। তাই ই-কমার্সের ইনভেন্টরিতে পণ্য দিনের পর দিন রেখে দিতে হয় না।




যুগান্তর : বাংলাদেশে ই-কমার্সের ভবিষ্যৎ কেমন?

রাসেল : দেখুন আমাদের পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতে একটি কোম্পানি দিনে ৮ হাজার থেকে ১০ হাজার কোটি টাকার অর্ডার গ্রহণ করে। ফ্লিপকার্ট বিলিয়ন ডে পালন করে। যদি পাশের দেশ হিসেবে চিন্তা করি আমাদের অন্তত তাদের ৪০ ভাগের এক ভাগ হওয়া উচিত অর্থাৎ ভারতে যদি একটা কোম্পানি ১০ থেকে ১২ হাজার কোটি সেল করে তাহলে আমাদের অন্তত ৫০০ কোটি হওয়া উচিত। আমরা এখনও সেখানটায় পৌঁছাতে পারিনি, তবে আশা করছি আমরাও সে জায়গায় পৌঁছাব।

যুগান্তর : ই-কমার্স খাতে কী কী চ্যালেঞ্জ রয়েছে বলে মনে করেন?

রাসেল : আসলে এখানে অনেক ধরনের চ্যালেঞ্জ রয়েছে তবে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হচ্ছে প্রসেসিংটা।

যেমন, আমরা যখন কোনো ম্যানুফ্যাকচারার কোম্পানির সঙ্গে ড্রিল করতে যাই বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই দেখা যায় তারা এটার সঙ্গে অভ্যস্ত নয়। হয়তো তারা ভাবে ই-কমার্সে কম মূল্যে পণ্য বিক্রি করতে গিয়ে তাদের অন্য সেলিং চ্যানেলগুলোর ব্যবসা ড্রপ করতে পারে। তারা বেশিরভাগ সময়ই বিভ্রান্তির মধ্যে পড়ে যায় যেহেতু এভাবে পণ্য বিক্রি করে অভ্যস্ত ছিলেন না। এ ক্ষেত্রে দেখা যায় কোনো একটা কোম্পানির সঙ্গে ড্রিল করার পরও এ চ্যানেলটি পুরোপুরি সক্রিয় হতে বেশ সময় লেগে যায়। এমনকি ই-কমার্স যে পরিমাণ অর্ডার প্রসেস করে অল্প সময়ের মধ্যে সে পরিমাণ পণ্য ডেলিভারি দিতে ম্যানুফ্যাকচারার কিছুটা চ্যালেঞ্জের মধ্যে পড়ে যায়।

যদিও এটা একদিকে যেমন চ্যালেঞ্জিং অন্যদিকে ন্যাচারালই বলব। কেননা এখনও আমরা ক্রমবর্ধমান অবস্থার মধ্য দিয়ে যাচ্ছি সুতরাং কিছুটা বিচ্যুতি ঘটবে এটাও স্বাভাবিক।

যুগান্তর : সম্প্রতি দ্রুত বর্ধনশীল কোম্পানি হিসেবে ইভ্যালি এশিয়া ওয়ানের অ্যাওয়ার্ড পেয়েছে এ ব্যাপারে কিছু বলুন।

রাসেল : আসলে এ অ্যাওয়ার্ড অর্জন আমার বা ইভ্যালির জন্য হয়নি বরং আমি মনে করি আমাদের কাস্টমার গ্রুপের ভালোবাসার জন্যই আমরা এ অ্যাওয়ার্ড পেয়েছি। আমাদের সোশ্যাল মিডিয়া গ্রুপও এখন অনেক বড়। আমাদের সবচেয়ে বড় শক্তির জায়গাই এ ক্রেতারা। সুতরাং এ অ্যাওয়ার্ডটি আমি তরুণদের উৎসর্গ করতে চাই।

আর এশিয়া ওয়ান একটি জরিপ করে এ অ্যাওয়ার্ড দিয়েছে। আমরা ছাড়াও বাংলাদেশে অন্য পাঁচটি কোম্পানি অন্যান্য ক্যাটাগরিতে অ্যাওয়ার্ড পেয়েছে। আমরা দ্রুত বর্ধনশীল হিসেবে পেয়েছি এটা ঠিক, তবে এ সেক্টরটাই এখন দ্রুত এগিয়ে যাওয়ার সেক্ষেত্রে আমার মনে হয় না যে, খুব দ্রুত এগোতে পেরেছি। তবে এর চেয়ে দ্রুত এগোনো সম্ভব এবং আশা করছি আমরা এগিয়ে যাব আরও দ্রুত এবং আমাদের দেশে ই-কমার্স খাতকে আরও দ্রুত এগিয়ে নিয়ে যাব।