বৈজ্ঞানিক নামেই ডাকা হবে গ্রহ-নক্ষত্রদের
jugantor
বৈজ্ঞানিক নামেই ডাকা হবে গ্রহ-নক্ষত্রদের

  আইটি ডেস্ক  

১০ আগস্ট ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

এখন থেকে সব গ্রহ, উপগ্রহ ও ছায়াপথকে শুধু বৈজ্ঞানিক নামে উল্লেখ করেই পরিচিতি দেবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় মহাকাশ সংস্থা নাসা।

ন্যাশনাল অ্যারোনটিক্স অ্যান্ড স্পেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (নাসা) ডাক নাম বাতিলের বিষয়ে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জানিয়েছে, নতুন নিয়ম অনুযায়ী, ‘এস্কিমো নেবুলা’কে ডাকতে হবে ‘এনজিসি ২৩৯২’ নামে। সহজভাবে বললে নেবুলা হল নক্ষত্র তৈরির আঁতুড়ঘর।

রাতের বেলা পরিষ্কার আকাশে গ্যাসের তৈরি মেঘ ও ধুলার আস্তরণ দেখা যায়। এটাই নেবুলা নামে পরিচিত। নেবুলা নিয়ে নাসার আপত্তি নেই। তাদের আপত্তি ‘এস্কিমো’ শব্দটি নিয়ে। কারণ, মেরু অঞ্চলে আদিবাসীদের এ নামে ডাকা হতো এবং এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে বর্ণবাদের ইতিহাস।

কাছাকাছি অবস্থিত দুটি ছায়াপথকে ‘সাইমিস টুইনস গ্যালাক্সি’ বলা হয়। এখন থেকে এনজিসি ৪৫৬৭ ও এনজিসি ৪৫৬৮ নামে আলাদাভাবে পরিচিতি পাবে ছায়াপথ দুটি। সারিবদ্ধভাবে গ্রহ-নক্ষত্রের নাম সাজাতেই বৈজ্ঞানিক নাম প্রতিষ্ঠিত করতে চাচ্ছে নাসা।

বিজ্ঞান সবার জন্য আর এর প্রতিফলন সর্বক্ষেত্রেই রাখতে চায় তারা। এ বিষয়ে নাসার ভাষ্য, বিজ্ঞানীরা বৈষম্য ও অসমতার বিরুদ্ধে কাজ করে। কিছু মহাজাগতিক গ্রহ-নক্ষত্রের নাম যে শুধু অসঙ্গতিপূর্ণই নয়, ক্ষতিকরও।

নাসার ডাইভার্সিটি ও ইকুয়াল অপরচুনিটি বিভাগের অ্যাসোসিয়েট অ্যাডমিনিস্ট্রেটর স্টিফেন টি জানিয়েছেন, এ ডাক নামগুলোর ঐতিহাসিক বা ঐতিহ্যবাহী অর্থ রয়েছে যা আপত্তিকর বলে তা মেনে নেয়ার মতো নয়। এ সমস্যা ঠিক করতে নাসা দায়বদ্ধ। ভবিষ্যতে শুধু ইন্টারন্যাশনাল অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল ইউনিয়নের নির্ধারিত নামেই ব্যবহার করবে নাসা।

বৈজ্ঞানিক নামেই ডাকা হবে গ্রহ-নক্ষত্রদের

 আইটি ডেস্ক 
১০ আগস্ট ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

এখন থেকে সব গ্রহ, উপগ্রহ ও ছায়াপথকে শুধু বৈজ্ঞানিক নামে উল্লেখ করেই পরিচিতি দেবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় মহাকাশ সংস্থা নাসা।

ন্যাশনাল অ্যারোনটিক্স অ্যান্ড স্পেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (নাসা) ডাক নাম বাতিলের বিষয়ে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জানিয়েছে, নতুন নিয়ম অনুযায়ী, ‘এস্কিমো নেবুলা’কে ডাকতে হবে ‘এনজিসি ২৩৯২’ নামে। সহজভাবে বললে নেবুলা হল নক্ষত্র তৈরির আঁতুড়ঘর।

রাতের বেলা পরিষ্কার আকাশে গ্যাসের তৈরি মেঘ ও ধুলার আস্তরণ দেখা যায়। এটাই নেবুলা নামে পরিচিত। নেবুলা নিয়ে নাসার আপত্তি নেই। তাদের আপত্তি ‘এস্কিমো’ শব্দটি নিয়ে। কারণ, মেরু অঞ্চলে আদিবাসীদের এ নামে ডাকা হতো এবং এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে বর্ণবাদের ইতিহাস।

কাছাকাছি অবস্থিত দুটি ছায়াপথকে ‘সাইমিস টুইনস গ্যালাক্সি’ বলা হয়। এখন থেকে এনজিসি ৪৫৬৭ ও এনজিসি ৪৫৬৮ নামে আলাদাভাবে পরিচিতি পাবে ছায়াপথ দুটি। সারিবদ্ধভাবে গ্রহ-নক্ষত্রের নাম সাজাতেই বৈজ্ঞানিক নাম প্রতিষ্ঠিত করতে চাচ্ছে নাসা।

বিজ্ঞান সবার জন্য আর এর প্রতিফলন সর্বক্ষেত্রেই রাখতে চায় তারা। এ বিষয়ে নাসার ভাষ্য, বিজ্ঞানীরা বৈষম্য ও অসমতার বিরুদ্ধে কাজ করে। কিছু মহাজাগতিক গ্রহ-নক্ষত্রের নাম যে শুধু অসঙ্গতিপূর্ণই নয়, ক্ষতিকরও।

নাসার ডাইভার্সিটি ও ইকুয়াল অপরচুনিটি বিভাগের অ্যাসোসিয়েট অ্যাডমিনিস্ট্রেটর স্টিফেন টি জানিয়েছেন, এ ডাক নামগুলোর ঐতিহাসিক বা ঐতিহ্যবাহী অর্থ রয়েছে যা আপত্তিকর বলে তা মেনে নেয়ার মতো নয়। এ সমস্যা ঠিক করতে নাসা দায়বদ্ধ। ভবিষ্যতে শুধু ইন্টারন্যাশনাল অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল ইউনিয়নের নির্ধারিত নামেই ব্যবহার করবে নাসা।