অ্যান্ড্রয়েড আপডেটে খুশি নন ব্যবহারকারীরা
jugantor
অ্যান্ড্রয়েড আপডেটে খুশি নন ব্যবহারকারীরা

  আইটি ডেস্ক  

২৭ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

জনপ্রিয় অপারেটিং সিস্টেম অ্যান্ড্রয়েডের নতুন সংস্করণ- ‘অ্যান্ড্রয়েড ১১’ খানিকটা নীরবেই এসেছে এ বছর।

এতে প্রয়োজনীয় ফিচার খুব কম থাকায় বেশি লাভ হয়নি ব্যবহারকারীদের। তবে ডেভেলপার ও ফোন নির্মাতা কোম্পানিগুলোর চাহিদাই গুরুত্ব পেয়েছে গুগলের কাছে।

কতগুলো ডিভাইসে নতুন ওএস চলছে সে তথ্য দেয়া বন্ধ করেছে গুগল। আপগ্রেড প্রক্রিয়া যথেষ্ট ত্রুটিপূর্ণ হওয়ায় তারা বিষয়টি এড়িয়ে যাচ্ছে। অ্যান্ড্রয়েডের সব ডিভাইসে আপডেট একেবারে হয় না। এ কারণে অ্যান্ড্রয়েড ভক্তদের আগ্রহ স্বাভাবিকভাবেই কমে যায়। একেক ব্র্যান্ডের একেক মডেলের আপডেট পাওয়া যায়; তাতেও সময় লাগে কয়েক মাস। কারণ ওএসের সঙ্গে খাপ খাবে এমন চিপ বানাতে হয় নির্মাতাদের। এরপর ফোন কোম্পানিগুলো ওএসটি মোডিফাই করে।

এর ওপর ব্যবহারকারীদের যেসব ফিচার কাজে লাগবে সেগুলো দেয়াও বন্ধ করেছে গুগল। যেমন অ্যান্ড্রয়েড ১১-এর বাবলস ফিচারটি তৈরি করা হয়েছে ডেভেলপারদের কথা ভেবে।

তারা যেন স্ক্রিন ওভারলে ব্যবহার করা বন্ধ রাখেন তা নিশ্চিতেই ফিচারটি রাখা হয়েছে। ব্যবহারকারীদের কাজে লাগবে কিনা সে কথা ভেবে আনা হয়নি। নতুন ওএস আপডেটে যা থাকা তা অনেক সময় স্যামসাং ও এলজির ডিভাইসে আগেই পাওয়া যায়।

গুগল, ক্রোম, ফটোস ও জিমেইল অ্যাপের বিভিন্ন ফিচারও অ্যাপ আপডেট করেই পাওয়া যায়। ফুল সিস্টেম আপগ্রেডের প্রয়োজন হয় না।

প্রয়োজনীয় ফিচারের আনার বদলে ডেভেলপারদের জন্য নতুন এপিআই তৈরি ও ফোন নির্মাতা কোম্পানিগুলোর জন্য নতুন বিল্ডিং ব্লক তৈরি করাকেই বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে গুগল।

অ্যান্ড্রয়েড আপডেটে খুশি নন ব্যবহারকারীরা

 আইটি ডেস্ক 
২৭ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

জনপ্রিয় অপারেটিং সিস্টেম অ্যান্ড্রয়েডের নতুন সংস্করণ- ‘অ্যান্ড্রয়েড ১১’ খানিকটা নীরবেই এসেছে এ বছর।

এতে প্রয়োজনীয় ফিচার খুব কম থাকায় বেশি লাভ হয়নি ব্যবহারকারীদের। তবে ডেভেলপার ও ফোন নির্মাতা কোম্পানিগুলোর চাহিদাই গুরুত্ব পেয়েছে গুগলের কাছে।

কতগুলো ডিভাইসে নতুন ওএস চলছে সে তথ্য দেয়া বন্ধ করেছে গুগল। আপগ্রেড প্রক্রিয়া যথেষ্ট ত্রুটিপূর্ণ হওয়ায় তারা বিষয়টি এড়িয়ে যাচ্ছে। অ্যান্ড্রয়েডের সব ডিভাইসে আপডেট একেবারে হয় না। এ কারণে অ্যান্ড্রয়েড ভক্তদের আগ্রহ স্বাভাবিকভাবেই কমে যায়। একেক ব্র্যান্ডের একেক মডেলের আপডেট পাওয়া যায়; তাতেও সময় লাগে কয়েক মাস। কারণ ওএসের সঙ্গে খাপ খাবে এমন চিপ বানাতে হয় নির্মাতাদের। এরপর ফোন কোম্পানিগুলো ওএসটি মোডিফাই করে।

এর ওপর ব্যবহারকারীদের যেসব ফিচার কাজে লাগবে সেগুলো দেয়াও বন্ধ করেছে গুগল। যেমন অ্যান্ড্রয়েড ১১-এর বাবলস ফিচারটি তৈরি করা হয়েছে ডেভেলপারদের কথা ভেবে।

তারা যেন স্ক্রিন ওভারলে ব্যবহার করা বন্ধ রাখেন তা নিশ্চিতেই ফিচারটি রাখা হয়েছে। ব্যবহারকারীদের কাজে লাগবে কিনা সে কথা ভেবে আনা হয়নি। নতুন ওএস আপডেটে যা থাকা তা অনেক সময় স্যামসাং ও এলজির ডিভাইসে আগেই পাওয়া যায়।

গুগল, ক্রোম, ফটোস ও জিমেইল অ্যাপের বিভিন্ন ফিচারও অ্যাপ আপডেট করেই পাওয়া যায়। ফুল সিস্টেম আপগ্রেডের প্রয়োজন হয় না।

প্রয়োজনীয় ফিচারের আনার বদলে ডেভেলপারদের জন্য নতুন এপিআই তৈরি ও ফোন নির্মাতা কোম্পানিগুলোর জন্য নতুন বিল্ডিং ব্লক তৈরি করাকেই বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে গুগল।