এবার আসছে ইমোশন রিকগনিশন
jugantor
নতুন প্রযুক্তি
এবার আসছে ইমোশন রিকগনিশন

  আইটি ডেস্ক  

২১ জানুয়ারি ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

ফেস রিকগনিশনের কথা সবাই জানে এবং বর্তমানে বহুলব্যবহৃত প্রযুক্তি এটি। তবে এবার ইমোশন রিকগনিশন নিয়ে কাজ করছে বিজ্ঞানীরা। ফেসিয়াল রিকগনিশনের মতো এ প্রযুক্তিও ভবিষ্যতে নজরদারিতে ব্যবহৃত হতে পারে। জার্মানির গবেষণা প্রতিষ্ঠান ফ্রাউনহফার ইনস্টিটিউট এ নতুন প্রযুক্তি নিয়ে গবেষণা চালাচ্ছে। ভিন্ন ভিন্ন মানুষ ভিন্নভাবে মনের ভাব প্রকাশ করে। তাই একই আবেগ প্রকাশ করতে গিয়ে একেকজনের মুখের অভিব্যক্তি একেক রকম হয়। জার্মানির ফ্রাউনহফার ইনস্টিটিউট আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্স দিয়ে এসব অভিব্যক্তি চেনার সফটওয়্যার তৈরির চেষ্টা করছে। ফ্রাউনহফার ইনস্টিটিউটের ইয়েন্স গারবাস বলেন, ‘মুখের অনেক অভিব্যক্তি দেখে আবেগ বোঝা যায়। যেমন- পেশির নড়াচড়া, হাসি, রাগ ও দুঃখ ইত্যাদি। বেশিরভাগ সংস্কৃতিতে বিষয়টি একই। মানুষ হিসাবে আমি মুখ দেখে যতটা আবেগ বুঝতে পারি, সেটি সফটওয়্যারকেও শেখানো যায়। এবং এক্ষেত্রে সফলতার হার অনেক বেশি।’

গারবাস বলেন, ‘এ প্রযুক্তির মাধ্যমে সোশ্যাল সিগন্যাল ও মুখের অভিব্যক্তি সম্পর্কে অটিস্টিক শিশুদের প্রশিক্ষণ দিতে রোবটকে ব্যবহার করা যায়। এছাড়া গাড়ি চালানোর সময়ও এর ব্যবহার আছে। চালকের মানসিক অবস্থা বোঝা, তিনি বেশি চাপে আছেন কিনা বা কোনো কিছু নিয়ে অন্যমনস্ক হয়ে আছেন কিনা- তা বোঝা যেতে পারে।’ ইমোশন রিকগনিশনের এ প্রযুক্তি নিরাপদ কিনা- এমন প্রশ্নের জবাবে ইয়েন্স গারবাস এক গণমাধ্যমকে বলেন, ‘এ প্রযুক্তি দিয়ে মানুষের উপর নজর রাখা বা তাকে নিয়ন্ত্রণ করা যেতে পারে। তাই, এ প্রযুক্তির ব্যবহার নিয়ে সতর্ক থাকা জরুরি। সেটি তখনই সম্ভব, যখন আমরা ভালোভাবে জানব- এটি দিয়ে কী করা যায়, আর কী যায় না। এছাড়া প্রযুক্তির নিয়ন্ত্রণ নিজেদের কাছে থাকাটাও জরুরি।’ তবে তাদের সফটওয়্যার দিয়ে এখনও নজরদারি করা হচ্ছে না বলে জানান ফ্রাউনহফারের বিজ্ঞানীরা। ফেসিয়াল রিকগনিশন প্রযুক্তির উন্নতির কারণে এখন সেটি দিয়ে নজরদারি চালান হচ্ছে। চীনে ব্যাপকভাবে ফেসিয়াল রিকগনিশন প্রযুক্তির ব্যবহার হচ্ছে। উদ্দেশ্য মানুষকে নিয়ন্ত্রণে রাখা।

নতুন প্রযুক্তি

এবার আসছে ইমোশন রিকগনিশন

 আইটি ডেস্ক 
২১ জানুয়ারি ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

ফেস রিকগনিশনের কথা সবাই জানে এবং বর্তমানে বহুলব্যবহৃত প্রযুক্তি এটি। তবে এবার ইমোশন রিকগনিশন নিয়ে কাজ করছে বিজ্ঞানীরা। ফেসিয়াল রিকগনিশনের মতো এ প্রযুক্তিও ভবিষ্যতে নজরদারিতে ব্যবহৃত হতে পারে। জার্মানির গবেষণা প্রতিষ্ঠান ফ্রাউনহফার ইনস্টিটিউট এ নতুন প্রযুক্তি নিয়ে গবেষণা চালাচ্ছে। ভিন্ন ভিন্ন মানুষ ভিন্নভাবে মনের ভাব প্রকাশ করে। তাই একই আবেগ প্রকাশ করতে গিয়ে একেকজনের মুখের অভিব্যক্তি একেক রকম হয়। জার্মানির ফ্রাউনহফার ইনস্টিটিউট আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্স দিয়ে এসব অভিব্যক্তি চেনার সফটওয়্যার তৈরির চেষ্টা করছে। ফ্রাউনহফার ইনস্টিটিউটের ইয়েন্স গারবাস বলেন, ‘মুখের অনেক অভিব্যক্তি দেখে আবেগ বোঝা যায়। যেমন- পেশির নড়াচড়া, হাসি, রাগ ও দুঃখ ইত্যাদি। বেশিরভাগ সংস্কৃতিতে বিষয়টি একই। মানুষ হিসাবে আমি মুখ দেখে যতটা আবেগ বুঝতে পারি, সেটি সফটওয়্যারকেও শেখানো যায়। এবং এক্ষেত্রে সফলতার হার অনেক বেশি।’

গারবাস বলেন, ‘এ প্রযুক্তির মাধ্যমে সোশ্যাল সিগন্যাল ও মুখের অভিব্যক্তি সম্পর্কে অটিস্টিক শিশুদের প্রশিক্ষণ দিতে রোবটকে ব্যবহার করা যায়। এছাড়া গাড়ি চালানোর সময়ও এর ব্যবহার আছে। চালকের মানসিক অবস্থা বোঝা, তিনি বেশি চাপে আছেন কিনা বা কোনো কিছু নিয়ে অন্যমনস্ক হয়ে আছেন কিনা- তা বোঝা যেতে পারে।’ ইমোশন রিকগনিশনের এ প্রযুক্তি নিরাপদ কিনা- এমন প্রশ্নের জবাবে ইয়েন্স গারবাস এক গণমাধ্যমকে বলেন, ‘এ প্রযুক্তি দিয়ে মানুষের উপর নজর রাখা বা তাকে নিয়ন্ত্রণ করা যেতে পারে। তাই, এ প্রযুক্তির ব্যবহার নিয়ে সতর্ক থাকা জরুরি। সেটি তখনই সম্ভব, যখন আমরা ভালোভাবে জানব- এটি দিয়ে কী করা যায়, আর কী যায় না। এছাড়া প্রযুক্তির নিয়ন্ত্রণ নিজেদের কাছে থাকাটাও জরুরি।’ তবে তাদের সফটওয়্যার দিয়ে এখনও নজরদারি করা হচ্ছে না বলে জানান ফ্রাউনহফারের বিজ্ঞানীরা। ফেসিয়াল রিকগনিশন প্রযুক্তির উন্নতির কারণে এখন সেটি দিয়ে নজরদারি চালান হচ্ছে। চীনে ব্যাপকভাবে ফেসিয়াল রিকগনিশন প্রযুক্তির ব্যবহার হচ্ছে। উদ্দেশ্য মানুষকে নিয়ন্ত্রণে রাখা।