পাগলা ঘোড়ার মতো ছুটছে বিটকয়েন
jugantor
পাগলা ঘোড়ার মতো ছুটছে বিটকয়েন

  আইটি ডেস্ক  

২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

বিশ্বব্যাপী ব্যাপকভাবে আলোচিত-সমালোচিত ডিজিটাল মুদ্রা বিটকয়েনের দাম গত সপ্তাহে অর্ধলাখ ডলার ছাড়ানোর পর থেমে থাকেনি। বছরের শুরু থেকে প্রায় দ্বিগুণ বেড়ে রোববার ৫৮ হাজার ডলার ছাড়িয়েছে। মঙ্গলবার বিটকয়েনের দর সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছে ৫০ হাজার ডলার অতিক্রম করে। জোরালো ঊর্ধ্বগতি ধরে রেখে সেটি ৫৮ হাজার ছাড়িয়েছে রোববার। চলতি বছর এ ক্রিপ্টোকারেন্সির দর ৯০ শতাংশের বেশি বেড়েছে, যার ফলে এর মোট বাজারমূল্য এক লাখ কোটি ডলার ছাড়িয়েছে। সাম্প্রতিক এমন দরবৃদ্ধির পেছনে রয়েছে মূলত ইলেকট্রিক গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান টেসলা। ইলেকট্রিক গাড়ি নির্মাতা কোম্পানিটিসহ আরও বড় কিছু কোম্পানি বিটকয়েনকে লেনদেনের মাধ্যম হিসাবে গ্রহণ করার পরিকল্পনা করছে। তবে বিটকয়েনের ঊর্ধ্বমুখী দরে পাগলা ঘোড়ার গতি নতুন নয়। ২০০৯ সালে বাজারে আসার পর বেশ কয়েকবার ব্যাপক উত্থান-পতন হয়েছে। ক্রিপ্টোকারেন্সিবিষয়ক ওয়েবসাইট কয়েনডেস্কের হিসাবে, মোটামুটি ৮ হাজার ৯০০ ডলার দিয়ে বিটকয়েনের বছর শুরু হয়েছিল। জানুয়ারির শুরুতে কিছু দিনের মধ্যে এটি ৪০ হাজার ডলার ছাড়ালেও শেষ দিকে এসে দর পড়ে গিয়ে ৩০ হাজার ডলারের কাছাকাছি নেমে যায়।

তবে এর আগে বিটকয়েনের দরবৃদ্ধিতে কোভিড-১৯ বড় ভূমিকা রেখেছে। গত বছরের শুরুর দিকে বিশ্বজুড়ে এ মহামারি হানা দেওয়ার পর ভার্চুয়াল কেনাকাটা বেড়েছে; কাগজের নোট ও ধাতব কয়েন থেকে মানুষ আরও দূরে সরেছে।

টেসলাপ্রধান ইলন মাস্ক গত সপ্তাহে জানান, তার কোম্পানি দেড়শ কোটি ডলারের বিটকয়েন কিনেছে এবং ভবিষ্যতে এটিকে লেনদেনের মাধ্যম হিসাবে গ্রহণ করবে। এ ছাড়া মাস্টারকার্ড ও বিশ্বের সবচেয়ে বড় সম্পদ ব্যবস্থাপনা কোম্পানি ব্ল্যাকরকও এ ক্রিপ্টোকারেন্সি গ্রহণের পরিকল্পনা জানিয়েছে। তবে সমালোচকরা বিটকয়েনকে মুদ্রা হিসাবে দেখতে নারাজ। তাদের কাছে এটি ফটকাবাজারির একটি হাতিয়ার, যেটি বাজার নিয়ন্ত্রণে ব্যবহার হয়।

পাগলা ঘোড়ার মতো ছুটছে বিটকয়েন

 আইটি ডেস্ক 
২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

বিশ্বব্যাপী ব্যাপকভাবে আলোচিত-সমালোচিত ডিজিটাল মুদ্রা বিটকয়েনের দাম গত সপ্তাহে অর্ধলাখ ডলার ছাড়ানোর পর থেমে থাকেনি। বছরের শুরু থেকে প্রায় দ্বিগুণ বেড়ে রোববার ৫৮ হাজার ডলার ছাড়িয়েছে। মঙ্গলবার বিটকয়েনের দর সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছে ৫০ হাজার ডলার অতিক্রম করে। জোরালো ঊর্ধ্বগতি ধরে রেখে সেটি ৫৮ হাজার ছাড়িয়েছে রোববার। চলতি বছর এ ক্রিপ্টোকারেন্সির দর ৯০ শতাংশের বেশি বেড়েছে, যার ফলে এর মোট বাজারমূল্য এক লাখ কোটি ডলার ছাড়িয়েছে। সাম্প্রতিক এমন দরবৃদ্ধির পেছনে রয়েছে মূলত ইলেকট্রিক গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান টেসলা। ইলেকট্রিক গাড়ি নির্মাতা কোম্পানিটিসহ আরও বড় কিছু কোম্পানি বিটকয়েনকে লেনদেনের মাধ্যম হিসাবে গ্রহণ করার পরিকল্পনা করছে। তবে বিটকয়েনের ঊর্ধ্বমুখী দরে পাগলা ঘোড়ার গতি নতুন নয়। ২০০৯ সালে বাজারে আসার পর বেশ কয়েকবার ব্যাপক উত্থান-পতন হয়েছে। ক্রিপ্টোকারেন্সিবিষয়ক ওয়েবসাইট কয়েনডেস্কের হিসাবে, মোটামুটি ৮ হাজার ৯০০ ডলার দিয়ে বিটকয়েনের বছর শুরু হয়েছিল। জানুয়ারির শুরুতে কিছু দিনের মধ্যে এটি ৪০ হাজার ডলার ছাড়ালেও শেষ দিকে এসে দর পড়ে গিয়ে ৩০ হাজার ডলারের কাছাকাছি নেমে যায়।

তবে এর আগে বিটকয়েনের দরবৃদ্ধিতে কোভিড-১৯ বড় ভূমিকা রেখেছে। গত বছরের শুরুর দিকে বিশ্বজুড়ে এ মহামারি হানা দেওয়ার পর ভার্চুয়াল কেনাকাটা বেড়েছে; কাগজের নোট ও ধাতব কয়েন থেকে মানুষ আরও দূরে সরেছে।

টেসলাপ্রধান ইলন মাস্ক গত সপ্তাহে জানান, তার কোম্পানি দেড়শ কোটি ডলারের বিটকয়েন কিনেছে এবং ভবিষ্যতে এটিকে লেনদেনের মাধ্যম হিসাবে গ্রহণ করবে। এ ছাড়া মাস্টারকার্ড ও বিশ্বের সবচেয়ে বড় সম্পদ ব্যবস্থাপনা কোম্পানি ব্ল্যাকরকও এ ক্রিপ্টোকারেন্সি গ্রহণের পরিকল্পনা জানিয়েছে। তবে সমালোচকরা বিটকয়েনকে মুদ্রা হিসাবে দেখতে নারাজ। তাদের কাছে এটি ফটকাবাজারির একটি হাতিয়ার, যেটি বাজার নিয়ন্ত্রণে ব্যবহার হয়।