আইএসইউ সিএসই-বিস্তৃত শিক্ষা খাত ও নিশ্চিত কর্মসংস্থান
jugantor
প্রযুক্তি শিক্ষা
আইএসইউ সিএসই-বিস্তৃত শিক্ষা খাত ও নিশ্চিত কর্মসংস্থান

  সাইফ আহমাদ  

০৪ মার্চ ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

বর্তমান বিশ্বের সর্বোচ্চ চাহিদাসম্পন্ন বিষয়গুলোর মধ্যে অন্যতম হচ্ছে কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বা সিএসই। মানুষের পকেটের স্মার্টফোন থেকে মহাকাশের স্যাটেলাইট-সর্বত্রই রয়েছে এ শিক্ষার উপস্থিতি ও প্রয়োগ। বিস্তৃত শিক্ষা খাত এবং নিশ্চিত কর্মসংস্থানের সুযোগ থাকায় বর্তমানে শিক্ষার্থীদের চাহিদার শীর্ষে রয়েছে এ বিষয়টি। বাংলাদেশেও এর ব্যতিক্রম নয়। যুগের সঙ্গে তাল মেলাতে গিয়ে সবাই একাধারে এ বিষয়টি নিয়ে পড়ছে বা পড়ার জন্য তৈরি হচ্ছে। বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষায় অবস্থান শুরুর দিকে হলেই, এ বিষয়টি থাকে তাদের পছন্দের তালিকার শীর্ষে। শিক্ষার্থীদের পছন্দ বিবেচনায় বাংলাদেশের স্বায়ত্তশাসিত এবং প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়গুলো কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগটি অন্তর্ভুক্ত করছে। শিক্ষার্থীদের এ বিষয়টিতে পড়ার তীব্র আকাক্সক্ষার যথেষ্ট কারণও রয়েছে। চাকরির সহজলভ্যতা, উচ্চ বেতন, বহির্বিশ্বে গবেষণা এবং উচ্চশিক্ষার সুযোগ, এ বিষয়গুলোই মূলত প্রধান প্রভাবক হিসাবে কাজ করে। তাছাড়া বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে তুলনামূলকভাবে সহজেই প্রথম শ্রেণির চাকরির সুযোগ এবং অসংখ্য সফটওয়্যার ফার্ম, যা শিক্ষার্থীদের মৌলিক বিষয়গুলোর বাইরে টেকনিক্যাল বিষয়গুলো পড়তে উদ্বুদ্ধ করছে।

যদিও বিশ্ববিদ্যালয়ে ধরাবাঁধা কাঠামোগত সিলেবাস অনুসরণ করা শিক্ষার্থীদের মেধা বিকশিত না হওয়ার অন্যতম কারণ। তাই প্রযুক্তিভিত্তিক আধুনিক শিক্ষা নিশ্চিতের লক্ষ্যে প্রয়োজন বাস্তবসম্মত সমসাময়িক কারিকুলাম বা আউটকাম বেজড কারিকুলাম প্রণয়ন এবং স্বয়ংসম্পূর্ণ আধুনিক ল্যাবরেটরি স্থাপন। আর এসব বিষয়কে প্রাধান্য দেয় দেশের প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে অন্যতম ইন্টারন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড ইউনিভার্সিটি। আইএসইউ উপাচার্য প্রফেসর ড. আবদুল আউয়াল খান বলেন, ‘বর্তমান বিশ্বে যে দেশ প্রযুক্তিতে যত এগিয়ে, সেই দেশ ততটা উন্নত। একজন শিক্ষার্থীর বিষয় নয়, এটি দেশের সামগ্রিক উন্নয়নের বিষয়। কারণ শিক্ষাজীবন শেষ করে দেশের উন্নয়ন ভাবনাতো একজন দক্ষ প্রযুক্তিবিদই ভাবতে পারেন।

ইউনিভার্সিটির সিএসই বিভাগের চেয়ারপারসন সৈয়দ মুস্তাফিজুর রহমান চৌধুরী বলেন, ‘বর্তমান বিশ্বে কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং আমাদের জীবনের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ, যা দ্রুত বিকাশ ও গতিশীলতার কারণে অত্যন্ত গুরুত্ব পেয়েছে। দূরদৃষ্টি ও প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহার জ্ঞানভিত্তিক সমাজ তৈরিতে সহায়তা করছে। ক্যাম্পাসে শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা, সিসিটিভি, মাল্টিমিডিয়া প্রোজেক্টর সুবিধাসম্বলিত ক্লাসরুম, ওয়াইফাই সংযোগসহ সব ধরনের আধুনিক সুযোগ-সুবিধা বিদ্যমান।

হাতে-কলমে শিক্ষাদানের জন্য স্মার্ট ক্লাসরুম, আধুনিক কম্পিউটার ল্যাব, ফিজিক্স ল্যাব, সার্কিট ল্যাব, কেমিস্ট্রি ল্যাব এবং ল্যাংগুয়েজ ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের জন্য সবসময় উন্মুক্ত রাখা হয়। আইএসইউ বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার একেএম মোশাররফ হুসাইন ও ইঞ্জিনিয়ার মো. আতিকুর রহমান বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেন। আইএসইউতে জানুয়ারি-জুন এবং জুলাই-ডিসেম্বর বছরে দুটি সেমিস্টারের মাধ্যমে আকর্ষণীয় স্কলারশিপ, বৃত্তি এবং ওয়েভার প্রদান করা হয়। পূর্ণ অনুদান (শতভাগ) থেকে শুরু করে আংশিক মওকুফসহ শিক্ষার্থীদের মোট ১৪টি ক্যাটাগরিতে স্কলারশিপ, বৃত্তি এবং ওয়েভার প্রদান করা হয়। আরও বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যাবে আইএসইউ-এর ওয়েবসাইটে www.isu.ac.bd।

প্রযুক্তি শিক্ষা

আইএসইউ সিএসই-বিস্তৃত শিক্ষা খাত ও নিশ্চিত কর্মসংস্থান

 সাইফ আহমাদ 
০৪ মার্চ ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

বর্তমান বিশ্বের সর্বোচ্চ চাহিদাসম্পন্ন বিষয়গুলোর মধ্যে অন্যতম হচ্ছে কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বা সিএসই। মানুষের পকেটের স্মার্টফোন থেকে মহাকাশের স্যাটেলাইট-সর্বত্রই রয়েছে এ শিক্ষার উপস্থিতি ও প্রয়োগ। বিস্তৃত শিক্ষা খাত এবং নিশ্চিত কর্মসংস্থানের সুযোগ থাকায় বর্তমানে শিক্ষার্থীদের চাহিদার শীর্ষে রয়েছে এ বিষয়টি। বাংলাদেশেও এর ব্যতিক্রম নয়। যুগের সঙ্গে তাল মেলাতে গিয়ে সবাই একাধারে এ বিষয়টি নিয়ে পড়ছে বা পড়ার জন্য তৈরি হচ্ছে। বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষায় অবস্থান শুরুর দিকে হলেই, এ বিষয়টি থাকে তাদের পছন্দের তালিকার শীর্ষে। শিক্ষার্থীদের পছন্দ বিবেচনায় বাংলাদেশের স্বায়ত্তশাসিত এবং প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়গুলো কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগটি অন্তর্ভুক্ত করছে। শিক্ষার্থীদের এ বিষয়টিতে পড়ার তীব্র আকাক্সক্ষার যথেষ্ট কারণও রয়েছে। চাকরির সহজলভ্যতা, উচ্চ বেতন, বহির্বিশ্বে গবেষণা এবং উচ্চশিক্ষার সুযোগ, এ বিষয়গুলোই মূলত প্রধান প্রভাবক হিসাবে কাজ করে। তাছাড়া বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে তুলনামূলকভাবে সহজেই প্রথম শ্রেণির চাকরির সুযোগ এবং অসংখ্য সফটওয়্যার ফার্ম, যা শিক্ষার্থীদের মৌলিক বিষয়গুলোর বাইরে টেকনিক্যাল বিষয়গুলো পড়তে উদ্বুদ্ধ করছে।

যদিও বিশ্ববিদ্যালয়ে ধরাবাঁধা কাঠামোগত সিলেবাস অনুসরণ করা শিক্ষার্থীদের মেধা বিকশিত না হওয়ার অন্যতম কারণ। তাই প্রযুক্তিভিত্তিক আধুনিক শিক্ষা নিশ্চিতের লক্ষ্যে প্রয়োজন বাস্তবসম্মত সমসাময়িক কারিকুলাম বা আউটকাম বেজড কারিকুলাম প্রণয়ন এবং স্বয়ংসম্পূর্ণ আধুনিক ল্যাবরেটরি স্থাপন। আর এসব বিষয়কে প্রাধান্য দেয় দেশের প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে অন্যতম ইন্টারন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড ইউনিভার্সিটি। আইএসইউ উপাচার্য প্রফেসর ড. আবদুল আউয়াল খান বলেন, ‘বর্তমান বিশ্বে যে দেশ প্রযুক্তিতে যত এগিয়ে, সেই দেশ ততটা উন্নত। একজন শিক্ষার্থীর বিষয় নয়, এটি দেশের সামগ্রিক উন্নয়নের বিষয়। কারণ শিক্ষাজীবন শেষ করে দেশের উন্নয়ন ভাবনাতো একজন দক্ষ প্রযুক্তিবিদই ভাবতে পারেন।

ইউনিভার্সিটির সিএসই বিভাগের চেয়ারপারসন সৈয়দ মুস্তাফিজুর রহমান চৌধুরী বলেন, ‘বর্তমান বিশ্বে কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং আমাদের জীবনের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ, যা দ্রুত বিকাশ ও গতিশীলতার কারণে অত্যন্ত গুরুত্ব পেয়েছে। দূরদৃষ্টি ও প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহার জ্ঞানভিত্তিক সমাজ তৈরিতে সহায়তা করছে। ক্যাম্পাসে শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা, সিসিটিভি, মাল্টিমিডিয়া প্রোজেক্টর সুবিধাসম্বলিত ক্লাসরুম, ওয়াইফাই সংযোগসহ সব ধরনের আধুনিক সুযোগ-সুবিধা বিদ্যমান।

হাতে-কলমে শিক্ষাদানের জন্য স্মার্ট ক্লাসরুম, আধুনিক কম্পিউটার ল্যাব, ফিজিক্স ল্যাব, সার্কিট ল্যাব, কেমিস্ট্রি ল্যাব এবং ল্যাংগুয়েজ ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের জন্য সবসময় উন্মুক্ত রাখা হয়। আইএসইউ বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার একেএম মোশাররফ হুসাইন ও ইঞ্জিনিয়ার মো. আতিকুর রহমান বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেন। আইএসইউতে জানুয়ারি-জুন এবং জুলাই-ডিসেম্বর বছরে দুটি সেমিস্টারের মাধ্যমে আকর্ষণীয় স্কলারশিপ, বৃত্তি এবং ওয়েভার প্রদান করা হয়। পূর্ণ অনুদান (শতভাগ) থেকে শুরু করে আংশিক মওকুফসহ শিক্ষার্থীদের মোট ১৪টি ক্যাটাগরিতে স্কলারশিপ, বৃত্তি এবং ওয়েভার প্রদান করা হয়। আরও বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যাবে আইএসইউ-এর ওয়েবসাইটে www.isu.ac.bd।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন