হেলিকপ্টারউড়েছে মঙ্গলে
jugantor
ইতিহাস গড়ল নাসা
হেলিকপ্টারউড়েছে মঙ্গলে

  আইটি ডেস্ক  

২১ এপ্রিল ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা প্রথমবারের মতো মঙ্গলগ্রহের পৃষ্ঠ থেকে সফলভাবে একটি ছোট হেলিকপ্টার (ড্রোন) ওড়াতে সক্ষম হয়েছে। জানা গেছে, ইনজেনুইটি নামের এ ড্রোনটি এক মিনিটেরও কম সময় বাতাসে ভেসে ছিল। তবে নাসা ঘটনাটি আনন্দের সঙ্গে উদযাপন করছে কারণ অন্য কোনো গ্রহে এটি প্রথম কোনো আকাশযান ওড়ার ঘটনা। মঙ্গলগ্রহ থেকে একটি উপগ্রহের মাধ্যমে পৃথিবীতে পাঠানো তথ্যে ড্রোন ওড়ার এ খবর পৌঁছায়। নাসা বলছে, এ সাফল্য সামনের দিনগুলোতে আরও দুঃসাহসিক উড়োযান ওড়ানোর পথ প্রশস্ত করল।

মাত্র এক দশমিক আট কেজি ওজনের ইনজেনুইটি হেলিকপ্টারটি মঙ্গলের পৃষ্ঠ থেকে উড়ে ৪০ সেকেন্ড পর সফলভাবে অবতরণ করে। ড্রোনটির প্রযুক্তিগত সীমাবদ্ধতা পরীক্ষা করার পর এটিকে এখন তারা আরও উঁচুতে এবং আরও দূর পর্যন্ত ওড়াতে চান বলে জানিয়েছেন বিজ্ঞানীরা।

চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে নাসার ‘পারসিভেয়ারেন্স’ রোভার যান এ ড্রোনটি বহন করে মঙ্গলে নিয়ে গেছে। এরপর থেকে এ রকম ড্রোন দিয়ে মঙ্গল বা অন্য কোনো গ্রহের ভূ-প্রকৃতি ও পরিবেশ পর্যবেক্ষণ অনেক সহজ হবে। ক্যালিফোর্নিয়ায় নাসার এক গবেষণাগারে ইনজেনুইটি প্রকল্পের ব্যবস্থাপক মিমি অং বলেন, ‘আমরা এখন বলতে পারি, মানুষ আরেকটি গ্রহের আকাশে ড্রোন জাতীয় আকাশযান উড়িয়েছে।’ প্রথম উড্ডয়ন সফল হওয়ায় বিজ্ঞানীরা আগামীতে আরও চারটি ফ্লাইট ওড়ানোর চেষ্টা করবেন। প্রতিটি ফ্লাইটে হেলিকপ্টারটিকে একটু একটু করে বেশি দূর পর্যন্ত ওড়ানো হবে।

ইতিহাস গড়ল নাসা

হেলিকপ্টারউড়েছে মঙ্গলে

 আইটি ডেস্ক 
২১ এপ্রিল ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা প্রথমবারের মতো মঙ্গলগ্রহের পৃষ্ঠ থেকে সফলভাবে একটি ছোট হেলিকপ্টার (ড্রোন) ওড়াতে সক্ষম হয়েছে। জানা গেছে, ইনজেনুইটি নামের এ ড্রোনটি এক মিনিটেরও কম সময় বাতাসে ভেসে ছিল। তবে নাসা ঘটনাটি আনন্দের সঙ্গে উদযাপন করছে কারণ অন্য কোনো গ্রহে এটি প্রথম কোনো আকাশযান ওড়ার ঘটনা। মঙ্গলগ্রহ থেকে একটি উপগ্রহের মাধ্যমে পৃথিবীতে পাঠানো তথ্যে ড্রোন ওড়ার এ খবর পৌঁছায়। নাসা বলছে, এ সাফল্য সামনের দিনগুলোতে আরও দুঃসাহসিক উড়োযান ওড়ানোর পথ প্রশস্ত করল।

মাত্র এক দশমিক আট কেজি ওজনের ইনজেনুইটি হেলিকপ্টারটি মঙ্গলের পৃষ্ঠ থেকে উড়ে ৪০ সেকেন্ড পর সফলভাবে অবতরণ করে। ড্রোনটির প্রযুক্তিগত সীমাবদ্ধতা পরীক্ষা করার পর এটিকে এখন তারা আরও উঁচুতে এবং আরও দূর পর্যন্ত ওড়াতে চান বলে জানিয়েছেন বিজ্ঞানীরা।

চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে নাসার ‘পারসিভেয়ারেন্স’ রোভার যান এ ড্রোনটি বহন করে মঙ্গলে নিয়ে গেছে। এরপর থেকে এ রকম ড্রোন দিয়ে মঙ্গল বা অন্য কোনো গ্রহের ভূ-প্রকৃতি ও পরিবেশ পর্যবেক্ষণ অনেক সহজ হবে। ক্যালিফোর্নিয়ায় নাসার এক গবেষণাগারে ইনজেনুইটি প্রকল্পের ব্যবস্থাপক মিমি অং বলেন, ‘আমরা এখন বলতে পারি, মানুষ আরেকটি গ্রহের আকাশে ড্রোন জাতীয় আকাশযান উড়িয়েছে।’ প্রথম উড্ডয়ন সফল হওয়ায় বিজ্ঞানীরা আগামীতে আরও চারটি ফ্লাইট ওড়ানোর চেষ্টা করবেন। প্রতিটি ফ্লাইটে হেলিকপ্টারটিকে একটু একটু করে বেশি দূর পর্যন্ত ওড়ানো হবে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন