স্মার্টফোনের সঙ্গে বসবাস পরিবারের মতোই নিবিড়
jugantor
স্মার্টফোনের সঙ্গে বসবাস পরিবারের মতোই নিবিড়

  আইটি ডেস্ক  

১২ মে ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

বিশ্বব্যাপী চলমান করোনা মহামারির এ সময়ে প্রায় সব দেশই লকডাউনের মধ্যে রয়েছে। লকডাউন চলাকালীন মানুষের প্রযুক্তির প্রতি অভ্যস্ততা বেড়েছে বহুগুণ। বিশেষত স্মার্টফোন হয়ে উঠেছে যাপিতজীবনের অন্যতম অনুষঙ্গ। এ কারণেই খুব বেশি একাকিত্বে নেই গোটা বিশ্ব। সম্প্রতি যুক্তরাজ্যের ইউনিভার্সিটি কলেজ লন্ডনের এক গবেষণায় এমন তথ্য উঠে এসেছে। নিজের পরিবার সম্পর্কে মানুষের অনুভূতি যেমন, স্মার্টফোন সম্পর্কেও তেমনই গাঁটছড়া। বিশ্বের ৯টি দেশের স্মার্টফোন ব্যবহারকারীদের এক বছরের বেশি সময় ধরে পর্যবেক্ষণ করে এ তথ্য দিয়েছে যুক্তরাজ্যের ইউনিভার্সিটি কলেজ লন্ডনের (ইউসিএল) একদল নৃতত্ত্ববিদ। গবেষক দলটির প্রধান অধ্যাপক ড্যানিয়েল মিলার ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানকে বলেছেন, ‘স্মার্টফোন এখন আর নিছক ব্যবহারের একটি যন্ত্র নয়। আমরা এখন এর ভেতরেই থাকি। এটা আমাদের থাকার জায়গায় পরিণত হয়েছে। মানবসম্পর্কের জন্য এর খারাপ দিক হলো, আমাদের পাশে থাকা একজন মানুষ মুহূর্তে উধাও হয়ে যায়। সেটা খাওয়ার সময় হোক, মিটিংয়ে হোক কিংবা অন্যদের সঙ্গে কোনো কাজ করার সময়ে হোক, স্মার্টফোনের সঙ্গে যেন একটি মানুষ তার ‘বাড়িতে চলে যায়’।

গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ‘জেগে থাকা অবস্থায় যে পরিমাণ সময় আমরা স্মার্টফোনে ‘বাস’ করি, তাতে সম্ভবত এটাই প্রথম বস্তু, যা আমাদের ঘর কিংবা কর্মস্থলের সমকক্ষ হওয়ার চ্যালেঞ্জ হিসাবে দেখা স্মার্টফোন ব্যবহারের খারাপ দিকটি গবেষণায় উঠে এলেও ডিভাইসটি যোগাযোগের জন্য যে অপরিহার্য, তারও উল্লেখ রয়েছে ওই গবেষণায়।

স্মার্টফোনের সঙ্গে বসবাস পরিবারের মতোই নিবিড়

 আইটি ডেস্ক 
১২ মে ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

বিশ্বব্যাপী চলমান করোনা মহামারির এ সময়ে প্রায় সব দেশই লকডাউনের মধ্যে রয়েছে। লকডাউন চলাকালীন মানুষের প্রযুক্তির প্রতি অভ্যস্ততা বেড়েছে বহুগুণ। বিশেষত স্মার্টফোন হয়ে উঠেছে যাপিতজীবনের অন্যতম অনুষঙ্গ। এ কারণেই খুব বেশি একাকিত্বে নেই গোটা বিশ্ব। সম্প্রতি যুক্তরাজ্যের ইউনিভার্সিটি কলেজ লন্ডনের এক গবেষণায় এমন তথ্য উঠে এসেছে। নিজের পরিবার সম্পর্কে মানুষের অনুভূতি যেমন, স্মার্টফোন সম্পর্কেও তেমনই গাঁটছড়া। বিশ্বের ৯টি দেশের স্মার্টফোন ব্যবহারকারীদের এক বছরের বেশি সময় ধরে পর্যবেক্ষণ করে এ তথ্য দিয়েছে যুক্তরাজ্যের ইউনিভার্সিটি কলেজ লন্ডনের (ইউসিএল) একদল নৃতত্ত্ববিদ। গবেষক দলটির প্রধান অধ্যাপক ড্যানিয়েল মিলার ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানকে বলেছেন, ‘স্মার্টফোন এখন আর নিছক ব্যবহারের একটি যন্ত্র নয়। আমরা এখন এর ভেতরেই থাকি। এটা আমাদের থাকার জায়গায় পরিণত হয়েছে। মানবসম্পর্কের জন্য এর খারাপ দিক হলো, আমাদের পাশে থাকা একজন মানুষ মুহূর্তে উধাও হয়ে যায়। সেটা খাওয়ার সময় হোক, মিটিংয়ে হোক কিংবা অন্যদের সঙ্গে কোনো কাজ করার সময়ে হোক, স্মার্টফোনের সঙ্গে যেন একটি মানুষ তার ‘বাড়িতে চলে যায়’।

গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ‘জেগে থাকা অবস্থায় যে পরিমাণ সময় আমরা স্মার্টফোনে ‘বাস’ করি, তাতে সম্ভবত এটাই প্রথম বস্তু, যা আমাদের ঘর কিংবা কর্মস্থলের সমকক্ষ হওয়ার চ্যালেঞ্জ হিসাবে দেখা স্মার্টফোন ব্যবহারের খারাপ দিকটি গবেষণায় উঠে এলেও ডিভাইসটি যোগাযোগের জন্য যে অপরিহার্য, তারও উল্লেখ রয়েছে ওই গবেষণায়।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন