কতটা গোপন জিমেইল
jugantor
কতটা গোপন জিমেইল

  আইটি ডেস্ক  

১২ মে ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

তথ্য ফাঁসের ঘটনা পৃথিবীতে নতুন নয়, সোশ্যাল মিডিয়া ও গুগল সার্চে গোপনতা লঙ্ঘনের বিষয়ও অজানা নয়। কিন্তু গুগলের ইমেইল সেবা জিমেইল ব্যবহারকারীদের কাছ থেকে ডেটা সংগ্রহ করে থাকে, সেটির ব্যাপারে কতটুকু জানে ব্যবহারকারীরা। অথচ জিমেইল বর্তমানে বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় ইমেইল সেবা, গোটা বিশ্বে তাদের সক্রিয় ব্যবহারকারীর সংখ্যা দেড়শ কোটিরও বেশি। এক প্রতিবেদনে প্রকাশ করেছে জিমেইলের তথ্যসংগ্রহের বিস্তৃতি নিয়ে।

সম্প্রতি প্রযুক্তি জায়ান্ট অ্যাপলের চাপে অন্যান্য আর দশটি প্রতিষ্ঠানের মতো নিজেদের জিমেইল অ্যাপে ‘গোপনতা লেবেল’ জুড়তে বাধ্য হয়েছে গুগল। এর মধ্য দিয়ে নিজের মুখেই গুগল স্বীকার করেছে কোন কোন ডেটা তারা জিমেইলের মাধ্যমে সংগ্রহ করে এবং বিজ্ঞাপনদাতাদের সঙ্গে শেয়ার করে। জিমেইলের লেবেল বলছে, আইওএস জিমেইল অ্যাপ যথাযথ অনুমতি পেলে ব্যবহারকারীর আনুমানিক অবস্থানসহ নানাবিধ তথ্য শেয়ার করে, ‘ইউজার আইডি’ ব্যবহার করে তাদের ট্র্যাক করে গুগল এবং ব্যবহারকারীরা অনলাইনে কোন বিজ্ঞাপনগুলো দেখছে, সে তথ্যগুলো বিজ্ঞাপনদাতাদের সঙ্গে শেয়ার করে তারা।

গুগল এক সময় বিজ্ঞাপন দেখানোর জন্য ইমেইলের ভেতরে থাকা যোগাযোগ তালিকাও স্ক্যান করতো, পরে ২০১৭ সালে ওই অনুশীলন থেকে সরে এসেছে প্রতিষ্ঠানটি। এখনও তারা ইমেইল স্ক্যান করে, তবে তা শুধু স্মার্ট ফিচারের স্বার্থে যেমন- ছুটির মৌসুমে কোনো বুকিং বা কোনো সরবরাহের ব্যাপারটি সরাসরি ক্যালেন্ডারে যোগ করতে বা স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাক্য সম্পন্ন করে দেওয়ার পরামর্শ দেখানোর লক্ষ্যে। গত বছর থেকে জিমেইলে ‘শপিং অ্যাডস’ বা একদম সাদামাটা বাংলায় কেনাকাটা সম্পর্কিত বিজ্ঞাপন দেখানোও শুরু করেছে তারা।

গুগল যেভাবে ব্যবহারকারীর ডেটা ব্যবহার করে

জিমেইল সেবা থেকে সংগৃহীত এবং বিজ্ঞাপনদাতাদের সঙ্গে শেয়ার করা অধিকাংশ তথ্যই মেটাডেটা বা ডেটাসম্পর্কিত ডেটা। কিন্তু আপনি যদি অন্য গুগল সেবার কুকি বহন করেন, তাহলে আপনার কর্মকাণ্ডকে গুগল ম্যাপস এবং ইউটিউবের মতো সংশ্লিষ্ট সেবার সঙ্গে মেলানো হয়। এ প্রসঙ্গে ফিল্ডিং বলছেন, ‘তাদের বিস্তর এবং গভীর নজরদারি কাঠামোর কারণে জিমেইল আপনার গোটা অনলাইন জীবনের একটি জানালায় পরিণত হয়।’

‘কার্যত আপনি অনলাইনে যা কিছু করছেন তা গুগলের কাছে যায়। গুগল দাবি করছে, কেনাকাটা সম্পর্কিত তথ্যের জন্য ইমেইল স্ক্যান করে পাওয়া ডেটা, সরবরাহ ট্র্যাকিং নম্বর এবং ফ্লাইট বুকিংয়ের কোনোটিই বিজ্ঞাপনের জন্য ব্যবহার করা হয় না। এ প্রসঙ্গে নিরাপদ ইমেইল সেবা প্রটোনমেইলের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী অ্যান্ডি ইয়েন বলছেন, ‘যাই হোক না কেন গুগল যে এ ব্যাপারগুলোর ডেটা সংগ্রহ করে এবং তা লগ করে, সেটি একটি সত্য হিসাবেই রয়ে যাচ্ছে।’

কতটা গোপন জিমেইল

 আইটি ডেস্ক 
১২ মে ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

তথ্য ফাঁসের ঘটনা পৃথিবীতে নতুন নয়, সোশ্যাল মিডিয়া ও গুগল সার্চে গোপনতা লঙ্ঘনের বিষয়ও অজানা নয়। কিন্তু গুগলের ইমেইল সেবা জিমেইল ব্যবহারকারীদের কাছ থেকে ডেটা সংগ্রহ করে থাকে, সেটির ব্যাপারে কতটুকু জানে ব্যবহারকারীরা। অথচ জিমেইল বর্তমানে বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় ইমেইল সেবা, গোটা বিশ্বে তাদের সক্রিয় ব্যবহারকারীর সংখ্যা দেড়শ কোটিরও বেশি। এক প্রতিবেদনে প্রকাশ করেছে জিমেইলের তথ্যসংগ্রহের বিস্তৃতি নিয়ে।

সম্প্রতি প্রযুক্তি জায়ান্ট অ্যাপলের চাপে অন্যান্য আর দশটি প্রতিষ্ঠানের মতো নিজেদের জিমেইল অ্যাপে ‘গোপনতা লেবেল’ জুড়তে বাধ্য হয়েছে গুগল। এর মধ্য দিয়ে নিজের মুখেই গুগল স্বীকার করেছে কোন কোন ডেটা তারা জিমেইলের মাধ্যমে সংগ্রহ করে এবং বিজ্ঞাপনদাতাদের সঙ্গে শেয়ার করে। জিমেইলের লেবেল বলছে, আইওএস জিমেইল অ্যাপ যথাযথ অনুমতি পেলে ব্যবহারকারীর আনুমানিক অবস্থানসহ নানাবিধ তথ্য শেয়ার করে, ‘ইউজার আইডি’ ব্যবহার করে তাদের ট্র্যাক করে গুগল এবং ব্যবহারকারীরা অনলাইনে কোন বিজ্ঞাপনগুলো দেখছে, সে তথ্যগুলো বিজ্ঞাপনদাতাদের সঙ্গে শেয়ার করে তারা।

গুগল এক সময় বিজ্ঞাপন দেখানোর জন্য ইমেইলের ভেতরে থাকা যোগাযোগ তালিকাও স্ক্যান করতো, পরে ২০১৭ সালে ওই অনুশীলন থেকে সরে এসেছে প্রতিষ্ঠানটি। এখনও তারা ইমেইল স্ক্যান করে, তবে তা শুধু স্মার্ট ফিচারের স্বার্থে যেমন- ছুটির মৌসুমে কোনো বুকিং বা কোনো সরবরাহের ব্যাপারটি সরাসরি ক্যালেন্ডারে যোগ করতে বা স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাক্য সম্পন্ন করে দেওয়ার পরামর্শ দেখানোর লক্ষ্যে। গত বছর থেকে জিমেইলে ‘শপিং অ্যাডস’ বা একদম সাদামাটা বাংলায় কেনাকাটা সম্পর্কিত বিজ্ঞাপন দেখানোও শুরু করেছে তারা।

গুগল যেভাবে ব্যবহারকারীর ডেটা ব্যবহার করে

জিমেইল সেবা থেকে সংগৃহীত এবং বিজ্ঞাপনদাতাদের সঙ্গে শেয়ার করা অধিকাংশ তথ্যই মেটাডেটা বা ডেটাসম্পর্কিত ডেটা। কিন্তু আপনি যদি অন্য গুগল সেবার কুকি বহন করেন, তাহলে আপনার কর্মকাণ্ডকে গুগল ম্যাপস এবং ইউটিউবের মতো সংশ্লিষ্ট সেবার সঙ্গে মেলানো হয়। এ প্রসঙ্গে ফিল্ডিং বলছেন, ‘তাদের বিস্তর এবং গভীর নজরদারি কাঠামোর কারণে জিমেইল আপনার গোটা অনলাইন জীবনের একটি জানালায় পরিণত হয়।’

‘কার্যত আপনি অনলাইনে যা কিছু করছেন তা গুগলের কাছে যায়। গুগল দাবি করছে, কেনাকাটা সম্পর্কিত তথ্যের জন্য ইমেইল স্ক্যান করে পাওয়া ডেটা, সরবরাহ ট্র্যাকিং নম্বর এবং ফ্লাইট বুকিংয়ের কোনোটিই বিজ্ঞাপনের জন্য ব্যবহার করা হয় না। এ প্রসঙ্গে নিরাপদ ইমেইল সেবা প্রটোনমেইলের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী অ্যান্ডি ইয়েন বলছেন, ‘যাই হোক না কেন গুগল যে এ ব্যাপারগুলোর ডেটা সংগ্রহ করে এবং তা লগ করে, সেটি একটি সত্য হিসাবেই রয়ে যাচ্ছে।’

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন