বয়োজ্যেষ্ঠদের সংশ্লিষ্টতা বেড়েছে প্রযুক্তিতে
jugantor
কোভিড-১৯ লকডাউন
বয়োজ্যেষ্ঠদের সংশ্লিষ্টতা বেড়েছে প্রযুক্তিতে

  আইটি ডেস্ক  

১৮ মে ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

বিশ্বব্যাপী চলমান মহামারি করোনাভাইরাসের কারণে সবকিছু প্রায় থেমে যায়। এ সময় প্রযুক্তি আশীর্বাদ হয়ে ঠায় দাঁড়ায় আক্রান্ত এ পৃথিবীর পাশে। মহামারির কারণে প্রায় দেশে লকডাউন দেয় এবং দীর্ঘ সময় থেকেই সেটি জারি রাখে। সাধারণ জনগণ ঘরে থেকে নিজেদের যাবতীয় কাজ, অনলাইন ক্লাসে পড়াশোনা, গৃহস্থালির কেনাকাটা সম্পন্ন করছে। এ সময় তরুণদের পাশাপাশি অনেক বয়োজ্যেষ্ঠরাও প্রযুক্তির ব্যবহার এবং এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট হতে থাকে।

সম্প্রতি এক গবেষণায় উঠে এসেছে- জুম, হোয়াটসঅ্যাপ এবং ফেসটাইমের মতো নানা প্লাটফর্মের মাধ্যমে তারা প্রিয়জনদের সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকেছেন এবং ধর্মীয় নানা বিষয়ে ইউটিউবসহ অন্যান্য প্লাটফর্মে অনুশীলনের মতো ক্লাসে যোগ দিয়েছেন। ‘ইন্টারন্যাশনাল জার্নাল অব এনভায়রনমেন্টাল রিসার্চ অ্যান্ড পাবলিক হেলথ’-এ প্রকাশিত গবেষণা বলছে, একাকিত্ব, নিভৃতবাস এবং ভবিষ্যৎ সুস্বাস্থ্য প্রশ্নে মহামারির সময়টিতে ৬০ বছরের বেশি বয়সিদের সামাল দেওয়ার প্রক্রিয়ার বোঝাপড়াটা নানাবিধ ধাপ তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। জানা গেছে, গবেষকরা মূলত মহামারির সময়ে শারীরিক দূরত্ব একাকিত্ব, সুস্বাস্থ্য এবং সামাজিক কর্মকাণ্ডসহ সামাজিক সমর্থনের মতো বিষয়গুলোতে কী প্রভাব ফেলছে তা পরীক্ষা করে দেখেছেন। জরিপে অংশ নিয়েছেন এক হাজার ৪২৯ জন অংশগ্রহণকারী। এদের মধ্যে ৮৪ শতাংশ বা এক হাজার ১৯৮ জনেরই বয়স ৬০-এর ওপরে।

অংশগ্রহণকারীদের অনেকেই বলছেন, লকডাউনে প্রতিবেশী ও নিজ নিজ কমিউনিটির অন্যদের সঙ্গে যোগাযোগ বেড়েছে তাদের। তারা জানান, যেহেতু সশরীরে দেখা করতে হয় না এবং পুরো ব্যাপারটাই অনলাইনে হচ্ছে। প্রথমবারের মতো কমিউনিটির অনেকের সঙ্গে যোগাযোগের সুযোগ তৈরি হয় এতে। শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখার এ সময়ে তাদের জীবনে যোগ হয়েছে বাড়তি আনন্দ এবং শিক্ষণীয় নানা বিষয়। পরিষ্কার হয়েছে ঠিক কোন বিষয়গুলো তাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ।

ইউনিভার্সিটি অব স্টারলিংয়ের গবেষক অ্যানা হুইটেকার বলেছেন, ‘এ ধরনের কর্মকাণ্ডে যারা যুক্ত হয়েছেন তারা একাকিত্বকে রুখে দিতে পেরেছেন। ফলে বয়োজ্যেষ্ঠদের ডিজিটাল স্বাক্ষরতা বাড়াতে এবং দূর থেকে সামাজিক যোগাযোগ স্থাপনে সহায়তা করা একাকিত্ব প্রশ্নে গুরুত্বপূর্ণ সহায়ক হয়ে দাঁড়াতে পারে।’

কোভিড-১৯ লকডাউন

বয়োজ্যেষ্ঠদের সংশ্লিষ্টতা বেড়েছে প্রযুক্তিতে

 আইটি ডেস্ক 
১৮ মে ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

বিশ্বব্যাপী চলমান মহামারি করোনাভাইরাসের কারণে সবকিছু প্রায় থেমে যায়। এ সময় প্রযুক্তি আশীর্বাদ হয়ে ঠায় দাঁড়ায় আক্রান্ত এ পৃথিবীর পাশে। মহামারির কারণে প্রায় দেশে লকডাউন দেয় এবং দীর্ঘ সময় থেকেই সেটি জারি রাখে। সাধারণ জনগণ ঘরে থেকে নিজেদের যাবতীয় কাজ, অনলাইন ক্লাসে পড়াশোনা, গৃহস্থালির কেনাকাটা সম্পন্ন করছে। এ সময় তরুণদের পাশাপাশি অনেক বয়োজ্যেষ্ঠরাও প্রযুক্তির ব্যবহার এবং এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট হতে থাকে।

সম্প্রতি এক গবেষণায় উঠে এসেছে- জুম, হোয়াটসঅ্যাপ এবং ফেসটাইমের মতো নানা প্লাটফর্মের মাধ্যমে তারা প্রিয়জনদের সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকেছেন এবং ধর্মীয় নানা বিষয়ে ইউটিউবসহ অন্যান্য প্লাটফর্মে অনুশীলনের মতো ক্লাসে যোগ দিয়েছেন। ‘ইন্টারন্যাশনাল জার্নাল অব এনভায়রনমেন্টাল রিসার্চ অ্যান্ড পাবলিক হেলথ’-এ প্রকাশিত গবেষণা বলছে, একাকিত্ব, নিভৃতবাস এবং ভবিষ্যৎ সুস্বাস্থ্য প্রশ্নে মহামারির সময়টিতে ৬০ বছরের বেশি বয়সিদের সামাল দেওয়ার প্রক্রিয়ার বোঝাপড়াটা নানাবিধ ধাপ তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। জানা গেছে, গবেষকরা মূলত মহামারির সময়ে শারীরিক দূরত্ব একাকিত্ব, সুস্বাস্থ্য এবং সামাজিক কর্মকাণ্ডসহ সামাজিক সমর্থনের মতো বিষয়গুলোতে কী প্রভাব ফেলছে তা পরীক্ষা করে দেখেছেন। জরিপে অংশ নিয়েছেন এক হাজার ৪২৯ জন অংশগ্রহণকারী। এদের মধ্যে ৮৪ শতাংশ বা এক হাজার ১৯৮ জনেরই বয়স ৬০-এর ওপরে।

অংশগ্রহণকারীদের অনেকেই বলছেন, লকডাউনে প্রতিবেশী ও নিজ নিজ কমিউনিটির অন্যদের সঙ্গে যোগাযোগ বেড়েছে তাদের। তারা জানান, যেহেতু সশরীরে দেখা করতে হয় না এবং পুরো ব্যাপারটাই অনলাইনে হচ্ছে। প্রথমবারের মতো কমিউনিটির অনেকের সঙ্গে যোগাযোগের সুযোগ তৈরি হয় এতে। শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখার এ সময়ে তাদের জীবনে যোগ হয়েছে বাড়তি আনন্দ এবং শিক্ষণীয় নানা বিষয়। পরিষ্কার হয়েছে ঠিক কোন বিষয়গুলো তাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ।

ইউনিভার্সিটি অব স্টারলিংয়ের গবেষক অ্যানা হুইটেকার বলেছেন, ‘এ ধরনের কর্মকাণ্ডে যারা যুক্ত হয়েছেন তারা একাকিত্বকে রুখে দিতে পেরেছেন। ফলে বয়োজ্যেষ্ঠদের ডিজিটাল স্বাক্ষরতা বাড়াতে এবং দূর থেকে সামাজিক যোগাযোগ স্থাপনে সহায়তা করা একাকিত্ব প্রশ্নে গুরুত্বপূর্ণ সহায়ক হয়ে দাঁড়াতে পারে।’

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন