পালিত হলো বিশ্ব টেলিযোগাযোগ দিবস
jugantor
পালিত হলো বিশ্ব টেলিযোগাযোগ দিবস

  আইটি ডেস্ক  

১৮ মে ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

চতুর্থ শিল্পবিপ্লব বা ডিজিটাল বিপ্লবের এ সময়ে টেলিযোগাযোগ বিশ্বব্যাপী বিস্তৃত। এ ব্যবস্থার মাধ্যমে ব্যবহৃত যন্ত্র যেমন টেলিফোন, রেডিও, টেলিভিশন এবং ওয়াকিটকিসহ নানা যোগাযোগের যন্ত্রাংশ। ১৭ মে ছিল বিশ্ব টেলিযোগাযোগ ও তথ্য সংঘ দিবস। ১৯৬৯ সাল থেকে প্রতি বছর এ দিবস পালন করা হচ্ছে। চলতি বছর দিবসটির প্রতিপাদ্য ‘এক্সিলারেটিং ডিজিটাল ট্রান্সফরমেশন ইন চ্যালেঞ্জিং টাইমস’।

জাতিসংঘের অঙ্গ-সংগঠন ইন্টারন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন ইউনিয়ন (আইটিইউ)-এর ১৯৩টি সদস্য রাষ্ট্রের মতো বাংলাদেশেও সরকারের ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ এবং বিটিআরসি প্রতি বছর নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে দিবসটি পালন করে আসছে। তবে এ বছর করোনার বৈশ্বিক মহামারির কারণে ডাক ও টেলিযোগাযোগ খাত তেমন কোনো কর্মসূচি রাখেনি। তবে বিটিআরসির পক্ষ থেকে ফেসবুক পেজে দিবসটির তাৎপর্য তুলে ধরা হয়েছে। ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার দিবসটিতে শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, আসুন আমরা জনসেবার সব খাতকে ‘ডিজিটাল রূপান্তর’ করি।

এদিকে দিবসটি উপলক্ষ্যে টেলিযোগাযোগ ও প্রযুক্তি খাতের গ্রাহকদের স্বার্থসুরক্ষা নিয়ে কাজ করা সংগঠন বাংলাদেশ মুঠোফোন গ্রাহক অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মহিউদ্দিন আহমেদ গণমাধ্যমে পাঠানো এক শুভেচ্ছা বার্তায় বলেন, বর্তমানে করোনা মহামারির মধ্যে যেসব প্রতিষ্ঠান ও কর্মীরা টেলিযোগাযোগ সেবাপ্রদানের ক্ষেত্রে নিরলসভাবে কাজ করে গেছেন তাদের ও যেসব গ্রাহক ঘরে বসে টেলিযোগাযোগ ও প্রযুক্তি সেবা ব্যবহার করে নিজের ও দেশের অর্থনীতির চাকাকে সচল রেখেছেন তাদের জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও ধন্যবাদ। তিনি গ্রাহকদের উদ্দেশে বলেন, আসুন আমরা টেলিযোগাযোগ ও প্রযুক্তি সেবা নিরাপদ ব্যবহার নিশ্চিত করি। সরকারের প্রতি তিনি বিনীত আহ্বান জানিয়ে বলেন, বর্তমান সময়ে দেশের সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত শিক্ষাব্যবস্থা। তাই শিক্ষার্থীদের মাঝে বিনামূল্যে উন্নত মানের ডিভাইস, সহজলভ্য নিরবচ্ছিন্ন দ্রুতগতির ইন্টারনেট সেবা প্রান্তিক পর্যায়ে নিশ্চিত করতে হবে।

পালিত হলো বিশ্ব টেলিযোগাযোগ দিবস

 আইটি ডেস্ক 
১৮ মে ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

চতুর্থ শিল্পবিপ্লব বা ডিজিটাল বিপ্লবের এ সময়ে টেলিযোগাযোগ বিশ্বব্যাপী বিস্তৃত। এ ব্যবস্থার মাধ্যমে ব্যবহৃত যন্ত্র যেমন টেলিফোন, রেডিও, টেলিভিশন এবং ওয়াকিটকিসহ নানা যোগাযোগের যন্ত্রাংশ। ১৭ মে ছিল বিশ্ব টেলিযোগাযোগ ও তথ্য সংঘ দিবস। ১৯৬৯ সাল থেকে প্রতি বছর এ দিবস পালন করা হচ্ছে। চলতি বছর দিবসটির প্রতিপাদ্য ‘এক্সিলারেটিং ডিজিটাল ট্রান্সফরমেশন ইন চ্যালেঞ্জিং টাইমস’।

জাতিসংঘের অঙ্গ-সংগঠন ইন্টারন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন ইউনিয়ন (আইটিইউ)-এর ১৯৩টি সদস্য রাষ্ট্রের মতো বাংলাদেশেও সরকারের ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ এবং বিটিআরসি প্রতি বছর নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে দিবসটি পালন করে আসছে। তবে এ বছর করোনার বৈশ্বিক মহামারির কারণে ডাক ও টেলিযোগাযোগ খাত তেমন কোনো কর্মসূচি রাখেনি। তবে বিটিআরসির পক্ষ থেকে ফেসবুক পেজে দিবসটির তাৎপর্য তুলে ধরা হয়েছে। ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার দিবসটিতে শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, আসুন আমরা জনসেবার সব খাতকে ‘ডিজিটাল রূপান্তর’ করি।

এদিকে দিবসটি উপলক্ষ্যে টেলিযোগাযোগ ও প্রযুক্তি খাতের গ্রাহকদের স্বার্থসুরক্ষা নিয়ে কাজ করা সংগঠন বাংলাদেশ মুঠোফোন গ্রাহক অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মহিউদ্দিন আহমেদ গণমাধ্যমে পাঠানো এক শুভেচ্ছা বার্তায় বলেন, বর্তমানে করোনা মহামারির মধ্যে যেসব প্রতিষ্ঠান ও কর্মীরা টেলিযোগাযোগ সেবাপ্রদানের ক্ষেত্রে নিরলসভাবে কাজ করে গেছেন তাদের ও যেসব গ্রাহক ঘরে বসে টেলিযোগাযোগ ও প্রযুক্তি সেবা ব্যবহার করে নিজের ও দেশের অর্থনীতির চাকাকে সচল রেখেছেন তাদের জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও ধন্যবাদ। তিনি গ্রাহকদের উদ্দেশে বলেন, আসুন আমরা টেলিযোগাযোগ ও প্রযুক্তি সেবা নিরাপদ ব্যবহার নিশ্চিত করি। সরকারের প্রতি তিনি বিনীত আহ্বান জানিয়ে বলেন, বর্তমান সময়ে দেশের সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত শিক্ষাব্যবস্থা। তাই শিক্ষার্থীদের মাঝে বিনামূল্যে উন্নত মানের ডিভাইস, সহজলভ্য নিরবচ্ছিন্ন দ্রুতগতির ইন্টারনেট সেবা প্রান্তিক পর্যায়ে নিশ্চিত করতে হবে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন