অনলাইন গেমে উগ্র ও বর্ণবাদী কর্মকাণ্ড
jugantor
অনলাইন গেমে উগ্র ও বর্ণবাদী কর্মকাণ্ড

  আইটি ডেস্ক  

২৫ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

এবার বর্ণবাদী এবং বিদ্বেষমূলক প্রচারণা চালাতে মূলধারার ভিডিও গেম ও গেমের চ্যাট প্ল্যাটফরম ব্যবহার করছে উগ্রপন্থিরা। সম্প্রতি এমন বিদ্বেষমূলক প্রচারণার প্রমাণ পেয়েছেন গবেষকরা। দেখা গেছে, কল অফ ডিউটি ও মাইনক্রাফটের মতো জনপ্রিয় গেম নিয়ে আলাপচারিতা ও স্ট্রিমিংয়ের প্ল্যাটফরম ডিলাইভ এবং ওডিসি ব্যবহার করে এমন কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছে।

এভাবে উগ্রপন্থি বিষয় নিয়ে জুড়ে দেওয়া আলাপচারিতার মাধ্যমেই শুরু হয় মৌলবাদী বাক্য বিনিময়। পরবর্তীতে ওই আলাপচারিতাগুলোই ব্যক্তিগত টেলিগ্রাম চ্যানেলে চলে যায়। উগ্রপন্থিদের টেলিগ্রামের প্ল্যাটফরম ব্যবহার প্রসঙ্গে প্রতিষ্ঠানটি বলেছে, প্ল্যাটফরমের নীতিমালা ভঙ্গকারী কন্টেন্ট মুছে দিতে ‘ব্যবহারকারীদের অভিযোগ আর সর্বসাধারণের ব্যবহৃত স্থানগুলোর ওপর স্বপ্রণোদিত নজরদারির ওপর নির্ভর করে’ তারা।

তবে এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেনি ডিলাইভ ও ওডিসি। যদিও উভয় প্ল্যাটফরমের নীতিমালাতেই সহিংস আচরণ ও বিদ্বেষমূলক প্রচারণা ঠেকাতে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির কথা বলা আছে। এ প্রসঙ্গে জনপ্রিয় ভিডিও গেম কল অফ ডিউটির নির্মাতা বলছে, ‘বর্ণবাদী আচরণ বন্ধে আমরা যেসব পদক্ষেপ নিয়েছি, তার মধ্যে আছে বর্ণবাদী বা বিদ্বেষমূলক নাম হলে ওই গেমারকে নিষিদ্ধ করা, নতুন নতুন প্রযুক্তির প্রয়োগ এবং গেমের ভেতরে গেমারদের আপত্তিকর আচরণ নিয়ে অভিযোগ জানানোর উপায় আরও সহজ করা’। তবে গেমের মধ্যেই ‘উগ্রপন্থি রোল প্লের প্রমাণ পেয়েছেন গবেষকরা। বিভিন্ন গেম প্ল্যাটফরম গেমারদের নিজেদের পছন্দমতো ম্যাপ ও গেমের পরিবেশ কাস্টমাইজ করার সুযোগ দেয়। বিদ্বেষমূলক প্রচারণা চালাতে প্ল্যাটফরমগুলোর এ ফিচারগুলোর সুযোগ নিচ্ছে উগ্রপন্থিরা।

‘এ গেমগুলো ছোট এবং অংশগ্রহণকারীর সংখ্যাও অনেক বেশি নয়। তবে এটা উগ্রপন্থিদের রোল-প্লেয়িং অভিজ্ঞতা তৈরি করতে দেয়। অনলাইনে মৌলবাদী কল্পনা বাঁচতে পারে তারা,’- মন্তব্য করেছেন ইনস্টিটিউট অফ স্ট্র্যাটেজিক ডায়লগ-এর গবেষক জ্যাকব ডেভি। গবেষকরা আশঙ্কা করছেন, সামাজিক মাধ্যমগুলোতে উগ্রপন্থি কন্টেন্ট নিয়ে কড়াকড়ি আরোপের ফলে সেখানে সুবিধা করে উঠতে পারছে না উগ্রপন্থিরা; তাই তারা এবার গেমিং প্ল্যাটফরমগুলোর দিকে ঝুঁকছে।

এ প্রসঙ্গে জ্যাকব ডেভি বলেন, ‘সম্ভবত নিজেদের মতবাদ প্রচারের জন্য বা প্রচলিত প্রোপাগান্ডা ছড়ানোর নতুন নিরাপদ উপায় খুঁজে পেয়েছে চরমপন্থি মৌলবাদীরা-এ ধরনের কাজগুলো কয়েক বছর আগে তারা ফেসবুক, ইউটিউব এবং টুইটারের মাধ্যমে করত।

অনলাইন গেমে উগ্র ও বর্ণবাদী কর্মকাণ্ড

 আইটি ডেস্ক 
২৫ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

এবার বর্ণবাদী এবং বিদ্বেষমূলক প্রচারণা চালাতে মূলধারার ভিডিও গেম ও গেমের চ্যাট প্ল্যাটফরম ব্যবহার করছে উগ্রপন্থিরা। সম্প্রতি এমন বিদ্বেষমূলক প্রচারণার প্রমাণ পেয়েছেন গবেষকরা। দেখা গেছে, কল অফ ডিউটি ও মাইনক্রাফটের মতো জনপ্রিয় গেম নিয়ে আলাপচারিতা ও স্ট্রিমিংয়ের প্ল্যাটফরম ডিলাইভ এবং ওডিসি ব্যবহার করে এমন কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছে।

এভাবে উগ্রপন্থি বিষয় নিয়ে জুড়ে দেওয়া আলাপচারিতার মাধ্যমেই শুরু হয় মৌলবাদী বাক্য বিনিময়। পরবর্তীতে ওই আলাপচারিতাগুলোই ব্যক্তিগত টেলিগ্রাম চ্যানেলে চলে যায়। উগ্রপন্থিদের টেলিগ্রামের প্ল্যাটফরম ব্যবহার প্রসঙ্গে প্রতিষ্ঠানটি বলেছে, প্ল্যাটফরমের নীতিমালা ভঙ্গকারী কন্টেন্ট মুছে দিতে ‘ব্যবহারকারীদের অভিযোগ আর সর্বসাধারণের ব্যবহৃত স্থানগুলোর ওপর স্বপ্রণোদিত নজরদারির ওপর নির্ভর করে’ তারা।

তবে এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেনি ডিলাইভ ও ওডিসি। যদিও উভয় প্ল্যাটফরমের নীতিমালাতেই সহিংস আচরণ ও বিদ্বেষমূলক প্রচারণা ঠেকাতে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির কথা বলা আছে। এ প্রসঙ্গে জনপ্রিয় ভিডিও গেম কল অফ ডিউটির নির্মাতা বলছে, ‘বর্ণবাদী আচরণ বন্ধে আমরা যেসব পদক্ষেপ নিয়েছি, তার মধ্যে আছে বর্ণবাদী বা বিদ্বেষমূলক নাম হলে ওই গেমারকে নিষিদ্ধ করা, নতুন নতুন প্রযুক্তির প্রয়োগ এবং গেমের ভেতরে গেমারদের আপত্তিকর আচরণ নিয়ে অভিযোগ জানানোর উপায় আরও সহজ করা’। তবে গেমের মধ্যেই ‘উগ্রপন্থি রোল প্লের প্রমাণ পেয়েছেন গবেষকরা। বিভিন্ন গেম প্ল্যাটফরম গেমারদের নিজেদের পছন্দমতো ম্যাপ ও গেমের পরিবেশ কাস্টমাইজ করার সুযোগ দেয়। বিদ্বেষমূলক প্রচারণা চালাতে প্ল্যাটফরমগুলোর এ ফিচারগুলোর সুযোগ নিচ্ছে উগ্রপন্থিরা।

‘এ গেমগুলো ছোট এবং অংশগ্রহণকারীর সংখ্যাও অনেক বেশি নয়। তবে এটা উগ্রপন্থিদের রোল-প্লেয়িং অভিজ্ঞতা তৈরি করতে দেয়। অনলাইনে মৌলবাদী কল্পনা বাঁচতে পারে তারা,’- মন্তব্য করেছেন ইনস্টিটিউট অফ স্ট্র্যাটেজিক ডায়লগ-এর গবেষক জ্যাকব ডেভি। গবেষকরা আশঙ্কা করছেন, সামাজিক মাধ্যমগুলোতে উগ্রপন্থি কন্টেন্ট নিয়ে কড়াকড়ি আরোপের ফলে সেখানে সুবিধা করে উঠতে পারছে না উগ্রপন্থিরা; তাই তারা এবার গেমিং প্ল্যাটফরমগুলোর দিকে ঝুঁকছে।

এ প্রসঙ্গে জ্যাকব ডেভি বলেন, ‘সম্ভবত নিজেদের মতবাদ প্রচারের জন্য বা প্রচলিত প্রোপাগান্ডা ছড়ানোর নতুন নিরাপদ উপায় খুঁজে পেয়েছে চরমপন্থি মৌলবাদীরা-এ ধরনের কাজগুলো কয়েক বছর আগে তারা ফেসবুক, ইউটিউব এবং টুইটারের মাধ্যমে করত।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন