গোপনে ডেটা সংগ্রহ করে শাওমির ফোন
jugantor
গোপনে ডেটা সংগ্রহ করে শাওমির ফোন

  আইটি ডেস্ক  

২৫ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

ব্যবহারকারীর ডেটা সংগ্রহ করে এনক্রিপ্টেড অবস্থায় আলাদা সার্ভারে পাঠায় শাওমি। এমনটাই অভিযোগ উঠেছে চীনের শীর্ষস্থানীয় স্মার্টফোন নির্মাতা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে। ডেটা সংগ্রহ আর সেন্সরশিপ ক্ষমতার এ অভিযোগ উঠেছে আরেক স্মার্টফোন নির্মাতা হুয়াওয়েকে নিয়েও। চীনা নির্মাতাদের ফোনের এ গোপন বিষয়গুলো উšে§াচনের পর নিজ দেশের নাগরিকদের ওই নির্মাতাদের ফোন কেনা থেকে বিরত থাকা এবং পুরোনো ফোনগুলো ফেলে দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে ইউরোপের দেশ লিথুয়ানিয়ার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। শাওমির ফোনে বিল্ট-ইন সেন্সরশিপ ফিচার এবং হুয়াওয়ের ফোনে নিরাপত্তা দুর্বলতার বিষয়টি উঠে এসেছে লিথুয়ানিয়ার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ‘ন্যাশনাল সাইবার সিকিউরিটি সেন্টার’ থেকে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে।

ইউরোপে বাজারজাতকৃত শাওমির ফ্ল্যাগশিপ স্মার্টফোনগুলোতে ‘তিব্বত মুক্ত করো (ঋৎবব ঞরনবঃ)’, ‘তাইওয়ানের স্বাধীনতা দীর্ঘজীবী হোক (খড়হম ষরাব ঞধরধিহ রহফবঢ়বহফবহপব)’ এবং ‘গণতন্ত্র আন্দোলন (ফবসড়পৎধপু সড়াবসবহঃ)’-এর মতো স্লোগান চিহ্নিত করে সেন্সর করার বিল্ট-ইন ক্ষমতা আছে। লিথুয়ানিয়া সরকার প্রকাশিত ওই প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইউরোপীয় বাজারের জন্য সেন্সরশিপ ফিচারটি বন্ধ করে রাখা হলেও সেটি যে কোনো সময় দূর থেকে চালু করে দেওয়া সম্ভব। ‘আমরা চীনা ফোন না কেনার এবং যত দ্রুত সম্ভব পুরোনো ফোন ফেলে দেওয়ার পরামর্শ দিচ্ছি’-স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রতিবেদন প্রকাশের সময় সংবাদকর্মীদের উদ্দেশে বলেন লিথুয়ানিয়ার প্রতিরক্ষা উপমন্ত্রী মার্গিরিস আবুকাভিচিয়েস।

শাওমির মুখপাত্র এক বিবৃতিতে বলেছেন, তাদের ডিভাইস ‘ব্যবহারকারীদের কাছে প্রেরিত যা প্রাপ্ত কোনো যোগাযোগ সেন্সর করে না।’ ‘সার্চিং, কলিং, ওয়েব ব্রাউজিং বা তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগ সফটওয়্যার ব্যবহারের মতো আমাদের স্মার্টফোন ব্যবহারকারীদের কোনো ব্যক্তিগত আচরণ শাওমি কখনো সীমিত বা ব্লক করেনি এবং কোনোদিন করবেও না।’- প্রতিষ্ঠানটি লিখেছে বিবৃতিতে। ‘শাওমি সব ব্যবহারকারীর বৈধ অধিকারকে সম্মান করে ও সুরক্ষিত রাখে।’- যোগ করেছে প্রতিষ্ঠানটি। আর ওই প্রতিবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে হুয়াওয়ে ফোনগুলো ব্যবহারকারীদের ডেটা বাইরের কোনো সার্ভারে পাঠায় না বলে দাবি করেছেন প্রতিষ্ঠানটির বাল্টিক অঞ্চলের মুখপাত্র।

গোপনে ডেটা সংগ্রহ করে শাওমির ফোন

 আইটি ডেস্ক 
২৫ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

ব্যবহারকারীর ডেটা সংগ্রহ করে এনক্রিপ্টেড অবস্থায় আলাদা সার্ভারে পাঠায় শাওমি। এমনটাই অভিযোগ উঠেছে চীনের শীর্ষস্থানীয় স্মার্টফোন নির্মাতা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে। ডেটা সংগ্রহ আর সেন্সরশিপ ক্ষমতার এ অভিযোগ উঠেছে আরেক স্মার্টফোন নির্মাতা হুয়াওয়েকে নিয়েও। চীনা নির্মাতাদের ফোনের এ গোপন বিষয়গুলো উšে§াচনের পর নিজ দেশের নাগরিকদের ওই নির্মাতাদের ফোন কেনা থেকে বিরত থাকা এবং পুরোনো ফোনগুলো ফেলে দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে ইউরোপের দেশ লিথুয়ানিয়ার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। শাওমির ফোনে বিল্ট-ইন সেন্সরশিপ ফিচার এবং হুয়াওয়ের ফোনে নিরাপত্তা দুর্বলতার বিষয়টি উঠে এসেছে লিথুয়ানিয়ার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ‘ন্যাশনাল সাইবার সিকিউরিটি সেন্টার’ থেকে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে।

ইউরোপে বাজারজাতকৃত শাওমির ফ্ল্যাগশিপ স্মার্টফোনগুলোতে ‘তিব্বত মুক্ত করো (ঋৎবব ঞরনবঃ)’, ‘তাইওয়ানের স্বাধীনতা দীর্ঘজীবী হোক (খড়হম ষরাব ঞধরধিহ রহফবঢ়বহফবহপব)’ এবং ‘গণতন্ত্র আন্দোলন (ফবসড়পৎধপু সড়াবসবহঃ)’-এর মতো স্লোগান চিহ্নিত করে সেন্সর করার বিল্ট-ইন ক্ষমতা আছে। লিথুয়ানিয়া সরকার প্রকাশিত ওই প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইউরোপীয় বাজারের জন্য সেন্সরশিপ ফিচারটি বন্ধ করে রাখা হলেও সেটি যে কোনো সময় দূর থেকে চালু করে দেওয়া সম্ভব। ‘আমরা চীনা ফোন না কেনার এবং যত দ্রুত সম্ভব পুরোনো ফোন ফেলে দেওয়ার পরামর্শ দিচ্ছি’-স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রতিবেদন প্রকাশের সময় সংবাদকর্মীদের উদ্দেশে বলেন লিথুয়ানিয়ার প্রতিরক্ষা উপমন্ত্রী মার্গিরিস আবুকাভিচিয়েস।

শাওমির মুখপাত্র এক বিবৃতিতে বলেছেন, তাদের ডিভাইস ‘ব্যবহারকারীদের কাছে প্রেরিত যা প্রাপ্ত কোনো যোগাযোগ সেন্সর করে না।’ ‘সার্চিং, কলিং, ওয়েব ব্রাউজিং বা তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগ সফটওয়্যার ব্যবহারের মতো আমাদের স্মার্টফোন ব্যবহারকারীদের কোনো ব্যক্তিগত আচরণ শাওমি কখনো সীমিত বা ব্লক করেনি এবং কোনোদিন করবেও না।’- প্রতিষ্ঠানটি লিখেছে বিবৃতিতে। ‘শাওমি সব ব্যবহারকারীর বৈধ অধিকারকে সম্মান করে ও সুরক্ষিত রাখে।’- যোগ করেছে প্রতিষ্ঠানটি। আর ওই প্রতিবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে হুয়াওয়ে ফোনগুলো ব্যবহারকারীদের ডেটা বাইরের কোনো সার্ভারে পাঠায় না বলে দাবি করেছেন প্রতিষ্ঠানটির বাল্টিক অঞ্চলের মুখপাত্র।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন