বাংলাদেশে তৈরি স্মার্টফোন উন্মোচন করল নোকিয়া
jugantor
বাংলাদেশে তৈরি স্মার্টফোন উন্মোচন করল নোকিয়া

  আইটি ডেস্ক  

২৭ নভেম্বর ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

এক সময়ের তুমুল জনপ্রিয় মোবাইল ফোন ব্র্যান্ড নোকিয়া প্রায় হারিয়েই যাচ্ছিল। ব্যবহারকারীর পছন্দের তালিকায় যখন অ্যান্ড্রয়েড এসে হাজির, তখনো নিজেদের অপারেটিং সিস্টেমে চালিয়ে যাওয়াকে এর অন্যতম কারণ বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা। এবার বাংলাদেশের বাজার ধরতে এবং নোকিয়ার প্রতি মোবাইলপ্রেমীদের যে আস্থা এবং ভালোলাগা সেটি ফিরিয়ে আনতে বাংলাদেশে নিজেদের কারখানায় স্মার্টফোন তৈরি করছে প্রতিষ্ঠানটি।

গাজীপুরের কালিয়াকৈরে অবস্থিত বঙ্গবন্ধু হাইটেক সিটির একটি কারখানায় তৈরি করা জি-সিরিজের দুটি মডেল জি-১০ ও জি-২০ বাংলাদেশের বাজারে আনার ঘোষণা দিয়েছে এইচএমডি গ্লোবাল। যুক্তরাজ্যভিত্তিক কোম্পানি ভাইব্রেন্ট সফটওয়্যার ও ইউনিয়ন গ্রুপ বাংলাদেশের সমন্বয়ে গঠিত ‘ভাইব্রেন্ট সফটওয়্যার (বাংলাদেশ) লিমিটেড’ বিশ্বখ্যাত নোকিয়া ব্র্যান্ডের স্মার্টফোন বাংলাদেশে তৈরির জন্য প্রথম কারখানাটি স্থাপন করেছে।

২৫ নভেম্বর রাজধানীর একটি হোটেলে আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশের গ্রাহকদের জন্য ‘বাংলাদেশে তৈরি’ নোকিয়া ফোনের যাত্রা শুরুর ঘোষণা দেওয়া হয়। নোকিয়া জি-১০ এর মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১৩ হাজার ৪৯৯ টাকা এবং জি-২০ ১৪ হাজার ৯৯৯ টাকা।

অনুষ্ঠানে এইচএমডি গ্লোবালের জেনারেল ম্যানেজার (প্যান এশিয়া) রাভি কুনওয়ার বলেন, আজ আমাদের জন্য স্মরণীয় একটি দিন। নিঃসন্দেহে বিগত এক বছর ছিল আমাদের জন্য অনেক চ্যালেঞ্জিং। তবে এ সময় আমাদের চিন্তাভাবনা করে প্রস্তুত হয়ে পরবর্তী বড় পদক্ষেপ গ্রহণের সুযোগ করে দিয়েছে।

ইউনিয়ন গ্রুপের ডিরেক্টর আলভী রানা বলেন, নোকিয়ার মতো গ্লোবাল একটি ব্র্যান্ডের অংশীদার হওয়া আমাদের জন্য খুবই সম্মানজনক। এইচ এমডি গ্লোবালের নির্দেশনায় ইউরোপীয় মানে আমরা কারখানা স্থাপন করেছি। নিশ্চিতভাবেই বাংলাদেশে তৈরি হ্যান্ডসেট ভোক্তারা সাশ্রয়ী মূল্যে পাবেন।

শুরুতে কারখানায় প্রতিদিন ৩০০ ফোন সংযোজন করা হবে। দুটি মোড়কজাতকরণ ও চারটি সংযোজনসহ মোট ছয়টি প্রডাকশন লাইন আছে কারখানাটিতে। নিজস্ব পরীক্ষাগার সংবলিত কারখানাটি প্রয়োজনীয় সব অবকাঠামোতে স্বয়ংসম্পূর্ণ এবং কারখানাটিতে প্রায় ২০০ জন কর্মী রয়েছেন।

বাংলাদেশে তৈরি স্মার্টফোন উন্মোচন করল নোকিয়া

 আইটি ডেস্ক 
২৭ নভেম্বর ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

এক সময়ের তুমুল জনপ্রিয় মোবাইল ফোন ব্র্যান্ড নোকিয়া প্রায় হারিয়েই যাচ্ছিল। ব্যবহারকারীর পছন্দের তালিকায় যখন অ্যান্ড্রয়েড এসে হাজির, তখনো নিজেদের অপারেটিং সিস্টেমে চালিয়ে যাওয়াকে এর অন্যতম কারণ বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা। এবার বাংলাদেশের বাজার ধরতে এবং নোকিয়ার প্রতি মোবাইলপ্রেমীদের যে আস্থা এবং ভালোলাগা সেটি ফিরিয়ে আনতে বাংলাদেশে নিজেদের কারখানায় স্মার্টফোন তৈরি করছে প্রতিষ্ঠানটি।

গাজীপুরের কালিয়াকৈরে অবস্থিত বঙ্গবন্ধু হাইটেক সিটির একটি কারখানায় তৈরি করা জি-সিরিজের দুটি মডেল জি-১০ ও জি-২০ বাংলাদেশের বাজারে আনার ঘোষণা দিয়েছে এইচএমডি গ্লোবাল। যুক্তরাজ্যভিত্তিক কোম্পানি ভাইব্রেন্ট সফটওয়্যার ও ইউনিয়ন গ্রুপ বাংলাদেশের সমন্বয়ে গঠিত ‘ভাইব্রেন্ট সফটওয়্যার (বাংলাদেশ) লিমিটেড’ বিশ্বখ্যাত নোকিয়া ব্র্যান্ডের স্মার্টফোন বাংলাদেশে তৈরির জন্য প্রথম কারখানাটি স্থাপন করেছে।

২৫ নভেম্বর রাজধানীর একটি হোটেলে আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশের গ্রাহকদের জন্য ‘বাংলাদেশে তৈরি’ নোকিয়া ফোনের যাত্রা শুরুর ঘোষণা দেওয়া হয়। নোকিয়া জি-১০ এর মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১৩ হাজার ৪৯৯ টাকা এবং জি-২০ ১৪ হাজার ৯৯৯ টাকা।

অনুষ্ঠানে এইচএমডি গ্লোবালের জেনারেল ম্যানেজার (প্যান এশিয়া) রাভি কুনওয়ার বলেন, আজ আমাদের জন্য স্মরণীয় একটি দিন। নিঃসন্দেহে বিগত এক বছর ছিল আমাদের জন্য অনেক চ্যালেঞ্জিং। তবে এ সময় আমাদের চিন্তাভাবনা করে প্রস্তুত হয়ে পরবর্তী বড় পদক্ষেপ গ্রহণের সুযোগ করে দিয়েছে।

ইউনিয়ন গ্রুপের ডিরেক্টর আলভী রানা বলেন, নোকিয়ার মতো গ্লোবাল একটি ব্র্যান্ডের অংশীদার হওয়া আমাদের জন্য খুবই সম্মানজনক। এইচ এমডি গ্লোবালের নির্দেশনায় ইউরোপীয় মানে আমরা কারখানা স্থাপন করেছি। নিশ্চিতভাবেই বাংলাদেশে তৈরি হ্যান্ডসেট ভোক্তারা সাশ্রয়ী মূল্যে পাবেন।

শুরুতে কারখানায় প্রতিদিন ৩০০ ফোন সংযোজন করা হবে। দুটি মোড়কজাতকরণ ও চারটি সংযোজনসহ মোট ছয়টি প্রডাকশন লাইন আছে কারখানাটিতে। নিজস্ব পরীক্ষাগার সংবলিত কারখানাটি প্রয়োজনীয় সব অবকাঠামোতে স্বয়ংসম্পূর্ণ এবং কারখানাটিতে প্রায় ২০০ জন কর্মী রয়েছেন।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন