আবারও সমস্যার কবলে অ্যাপলের ম্যাকবুক প্রো
jugantor
আবারও সমস্যার কবলে অ্যাপলের ম্যাকবুক প্রো

  তানভীর তানিম  

০৫ ডিসেম্বর ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

আবারও সমস্যার কবলে অ্যাপলের ম্যাকবুক প্রো

অ্যাপলের সর্বশেষ মডেলের ম্যাকবুকগুলো বাজারে আসার পরপরই ব্যাপক প্রশংসা কুড়ায়। তবে বর্তমান ব্যবহারকারীরা ছোটখাটো বিভিন্ন সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন এবং এটি ক্রমশ বেড়েই চলেছে। সর্বশেষ সমস্যাটি ব্যাটারি চার্জিং নিয়ে। এটি তাদের ক্ষেত্রে বেশি লক্ষ্যণীয়, যারা ল্যাপটপ ব্যাটারির পাওয়ারে চালান এবং ডাউন টাইমে চার্জ করেন। কারণ ম্যাকবুক প্রো ডাউন হলে একে ম্যাগসেফ কানেক্টর দিয়ে চার্জ করা যায় না; উপরন্তু নির্দেশক আলো কমলার ওপর স্থির থাকে। যা স্বাভাবিক আচরণের বিপরীত। কেননা, ব্যাটারি চার্জ হচ্ছে কিনা তা দেখাতে সাধারণত সবুজ আলো ব্যবহৃত হয়। বিষয়টি নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক তোলপাড় সৃষ্টি হয়।

‘সম্প্রতি আমি লক্ষ করেছি যে, ম্যাকবুক বন্ধ হওয়ার পর চার্জিং নিয়ে সমস্যা হয়....অ্যাপলের প্রস্তাবিত সমাধান অস্থায়ী ছিল। সমস্যা এখনো রয়েছে কিনা, তা দেখার জন্য ম্যাকবুক বন্ধ করে চার্জ করার চেষ্টা করলে আবারও একই সমস্যা দেখতে পাই। এ ধরনের দামি ডিভাইসে এটি হওয়া উচিত নয়। ব্যাটারি এবং ডিভাইসের ওপর এটির নেতিবাচক প্রভাব নিয়ে আমি চিন্তিত।’ ব্যবহারকারীদের এসব বয়ান বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, শুধু ১৪০ ওয়াট (140W)-এর চার্জার ব্যবহার করার সময়ই এটি ঘটে। তবে সমস্যাটি প্রতিটি ম্যাকবুক প্রোতে উপস্থিত নয়।

প্রোমোশন ডিসপ্লে ১২০ হার্জ (120 Hz) সমর্থিত। যা ফ্ল্যাগশিপ স্মার্টফোনের বৈশিষ্ট্যের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। সমস্যা হলো, অ্যাপলের নিজস্ব অ্যাপ্লিকেশন দ্রুত রিফ্রেশ হয় না। উন্নত ডিসপ্লের জন্য ব্যবহৃত সাফারি (Safari) এখনো বিটাতে রয়েছে। এর আগেও অ্যাপল তাদের ম্যাকবুক প্রো-এর চার্জিং এবং পাওয়ার সম্পর্কিত সমস্যায় অভিযুক্ত হয়েছে। লঞ্চ ইভেন্টের সময় ম্যাকওএস (macOS) ল্যাপটপের দ্রুত চার্জিং ক্ষমতা সম্পর্কে ব্যাপকভাবে বলা হয়। দুর্ভাগ্যবশত ১৬ ইঞ্চির এ ম্যাকবুক প্রো-এর সঙ্গে ছিল শুধু একটি ফার্স্ট চার্জিং চার্জার এবং তারের সংযোজন।

নতুন আসা ম্যাকবুক প্রোতে যেসব সমস্যা রয়েছে তা তাদের অভিজ্ঞতার ঘাটতিকে নির্দেশ করে না। তবে সংখ্যাটা যে হারে বাড়ছে তা উপেক্ষা করা কঠিন। ক্ষুদ্র এসব বিষয়কে পরিপূর্ণতা দিয়ে অ্যাপল নিজেকে সেরা দাবি করতে পারে। তবে এর সমন্বয় করা কঠিন। কারণ এ ক্ষেত্রে সবিস্তর পরিসরে ত্রুটি পরীক্ষা এবং মান নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে পণ্য গ্রাহকদের কাছে পৌঁছাতে হবে।

আবারও সমস্যার কবলে অ্যাপলের ম্যাকবুক প্রো

 তানভীর তানিম 
০৫ ডিসেম্বর ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ
আবারও সমস্যার কবলে অ্যাপলের ম্যাকবুক প্রো
ফাইল ছবি

অ্যাপলের সর্বশেষ মডেলের ম্যাকবুকগুলো বাজারে আসার পরপরই ব্যাপক প্রশংসা কুড়ায়। তবে বর্তমান ব্যবহারকারীরা ছোটখাটো বিভিন্ন সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন এবং এটি ক্রমশ বেড়েই চলেছে। সর্বশেষ সমস্যাটি ব্যাটারি চার্জিং নিয়ে। এটি তাদের ক্ষেত্রে বেশি লক্ষ্যণীয়, যারা ল্যাপটপ ব্যাটারির পাওয়ারে চালান এবং ডাউন টাইমে চার্জ করেন। কারণ ম্যাকবুক প্রো ডাউন হলে একে ম্যাগসেফ কানেক্টর দিয়ে চার্জ করা যায় না; উপরন্তু নির্দেশক আলো কমলার ওপর স্থির থাকে। যা স্বাভাবিক আচরণের বিপরীত। কেননা, ব্যাটারি চার্জ হচ্ছে কিনা তা দেখাতে সাধারণত সবুজ আলো ব্যবহৃত হয়। বিষয়টি নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক তোলপাড় সৃষ্টি হয়।

‘সম্প্রতি আমি লক্ষ করেছি যে, ম্যাকবুক বন্ধ হওয়ার পর চার্জিং নিয়ে সমস্যা হয়....অ্যাপলের প্রস্তাবিত সমাধান অস্থায়ী ছিল। সমস্যা এখনো রয়েছে কিনা, তা দেখার জন্য ম্যাকবুক বন্ধ করে চার্জ করার চেষ্টা করলে আবারও একই সমস্যা দেখতে পাই। এ ধরনের দামি ডিভাইসে এটি হওয়া উচিত নয়। ব্যাটারি এবং ডিভাইসের ওপর এটির নেতিবাচক প্রভাব নিয়ে আমি চিন্তিত।’ ব্যবহারকারীদের এসব বয়ান বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, শুধু ১৪০ ওয়াট (140W)-এর চার্জার ব্যবহার করার সময়ই এটি ঘটে। তবে সমস্যাটি প্রতিটি ম্যাকবুক প্রোতে উপস্থিত নয়।

প্রোমোশন ডিসপ্লে ১২০ হার্জ (120 Hz) সমর্থিত। যা ফ্ল্যাগশিপ স্মার্টফোনের বৈশিষ্ট্যের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। সমস্যা হলো, অ্যাপলের নিজস্ব অ্যাপ্লিকেশন দ্রুত রিফ্রেশ হয় না। উন্নত ডিসপ্লের জন্য ব্যবহৃত সাফারি (Safari) এখনো বিটাতে রয়েছে। এর আগেও অ্যাপল তাদের ম্যাকবুক প্রো-এর চার্জিং এবং পাওয়ার সম্পর্কিত সমস্যায় অভিযুক্ত হয়েছে। লঞ্চ ইভেন্টের সময় ম্যাকওএস (macOS) ল্যাপটপের দ্রুত চার্জিং ক্ষমতা সম্পর্কে ব্যাপকভাবে বলা হয়। দুর্ভাগ্যবশত ১৬ ইঞ্চির এ ম্যাকবুক প্রো-এর সঙ্গে ছিল শুধু একটি ফার্স্ট চার্জিং চার্জার এবং তারের সংযোজন।

নতুন আসা ম্যাকবুক প্রোতে যেসব সমস্যা রয়েছে তা তাদের অভিজ্ঞতার ঘাটতিকে নির্দেশ করে না। তবে সংখ্যাটা যে হারে বাড়ছে তা উপেক্ষা করা কঠিন। ক্ষুদ্র এসব বিষয়কে পরিপূর্ণতা দিয়ে অ্যাপল নিজেকে সেরা দাবি করতে পারে। তবে এর সমন্বয় করা কঠিন। কারণ এ ক্ষেত্রে সবিস্তর পরিসরে ত্রুটি পরীক্ষা এবং মান নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে পণ্য গ্রাহকদের কাছে পৌঁছাতে হবে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন