ক্রিপ্টোক্র্যাশের শঙ্কা
jugantor
ক্রিপ্টোক্র্যাশের শঙ্কা

  আইটি ডেস্ক  

১৫ মে ২০২২, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

সংশ্লিষ্ট স্টেবলকয়েনের দামে নেমেছে ধস। ক্রিপ্টো মুদ্রা আর স্টেবলকয়েনের বাজারের এমন অবনতিতে বিনিয়োগকারীরা এখন শঙ্কিত ‘ক্রিপ্টোক্র্যাশ’ নিয়ে। ক্রিপ্টো মুদ্রা আর স্টেবলকয়েন বাজারের অনিশ্চয়তার মধ্যে গুগল ও টুইটারে ‘ক্রিপ্টোক্র্যাশ’ লিখে সার্চও বেড়েছে। বৈশ্বিক ক্রিপ্টো মুদ্রা বাজারের সম্মিলিত বাজার মূল্য এখন এক লাখ ১২ হাজার কোটি ডলার, যা গত নভেম্বরের এক-তৃতীয়াংশ। এর মধ্যে ৩৫ শতাংশ দাম পড়েছে গত এক সপ্তাহে। ২০২১ সালের শেষ দিকে সর্বোচ্চ মূল্যের নতুন রেকর্ড গড়েছিল বাজারের বৃহত্তম ক্রিপ্টো মুদ্রা বিটকয়েন। ওই সময়ে প্রতিটি বিটকয়েনের দাম ছিল প্রায় ৭০ হাজার ডলার। কয়েক মাসের ব্যবধানে বিটকয়েনের দাম নেমে এসেছে ২৭ হাজার ডলারের নিচে। ক্রিপ্টো মুদ্রা বাজারের দ্বিতীয় বৃহত্তম মুদ্রা ইথেরিয়ামের দাম ২৪ ঘণ্টায় কমেছে ২০ শতাংশ। টেরাইউএসডির ধস দেখেই বিনিয়োগকারীরা আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন বলে বিবিসিকে জানিয়েছেন অর্থনীতিবিদ ফ্রান্সেস কপোলা। বড় আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো নিজস্ব ক্রিপ্টে সম্পদের একটা বড় অংশ বেচে দেওয়ায় এবং বাকি সবাই বাজার থেকে দ্রুত বিনিয়োগের অর্থ উঠিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করার ফলেই এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে বলে মনে করেন তিনি। সংকট কাটিয়ে ওঠার সম্ভাব্য উপায় হিসাবে নতুন টেরা লুনা টোকেন প্রচলনের কথাও বিবেচনা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে বিবিসি।

ক্রিপ্টোক্র্যাশের শঙ্কা

 আইটি ডেস্ক 
১৫ মে ২০২২, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

সংশ্লিষ্ট স্টেবলকয়েনের দামে নেমেছে ধস। ক্রিপ্টো মুদ্রা আর স্টেবলকয়েনের বাজারের এমন অবনতিতে বিনিয়োগকারীরা এখন শঙ্কিত ‘ক্রিপ্টোক্র্যাশ’ নিয়ে। ক্রিপ্টো মুদ্রা আর স্টেবলকয়েন বাজারের অনিশ্চয়তার মধ্যে গুগল ও টুইটারে ‘ক্রিপ্টোক্র্যাশ’ লিখে সার্চও বেড়েছে। বৈশ্বিক ক্রিপ্টো মুদ্রা বাজারের সম্মিলিত বাজার মূল্য এখন এক লাখ ১২ হাজার কোটি ডলার, যা গত নভেম্বরের এক-তৃতীয়াংশ। এর মধ্যে ৩৫ শতাংশ দাম পড়েছে গত এক সপ্তাহে। ২০২১ সালের শেষ দিকে সর্বোচ্চ মূল্যের নতুন রেকর্ড গড়েছিল বাজারের বৃহত্তম ক্রিপ্টো মুদ্রা বিটকয়েন। ওই সময়ে প্রতিটি বিটকয়েনের দাম ছিল প্রায় ৭০ হাজার ডলার। কয়েক মাসের ব্যবধানে বিটকয়েনের দাম নেমে এসেছে ২৭ হাজার ডলারের নিচে। ক্রিপ্টো মুদ্রা বাজারের দ্বিতীয় বৃহত্তম মুদ্রা ইথেরিয়ামের দাম ২৪ ঘণ্টায় কমেছে ২০ শতাংশ। টেরাইউএসডির ধস দেখেই বিনিয়োগকারীরা আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন বলে বিবিসিকে জানিয়েছেন অর্থনীতিবিদ ফ্রান্সেস কপোলা। বড় আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো নিজস্ব ক্রিপ্টে সম্পদের একটা বড় অংশ বেচে দেওয়ায় এবং বাকি সবাই বাজার থেকে দ্রুত বিনিয়োগের অর্থ উঠিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করার ফলেই এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে বলে মনে করেন তিনি। সংকট কাটিয়ে ওঠার সম্ভাব্য উপায় হিসাবে নতুন টেরা লুনা টোকেন প্রচলনের কথাও বিবেচনা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে বিবিসি।

 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন