বাজার কমেছে মোবাইল গেমিংয়ের
jugantor
বাজার কমেছে মোবাইল গেমিংয়ের

  সাইফ আহমাদ  

০৯ আগস্ট ২০২২, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

বিশ্বব্যাপী চলতি বছরের প্রথমার্ধে মোবাইল গেমিংয়ের বাজার ১০ শতাংশ কমেছে। এ সময় অধিকাংশ গেমের ডাউনলোড উল্লেখযোগ্য হারে কমে আসে। সম্প্রতি সেন্সর টাওয়ারের গেম ইন্টেলিজেন্স তথ্য সূত্রে এটি জানা গেছে।

এক বছরের ব্যবধানে মোবাইল গেমিংয়ের বাজার ৯ দশমিক ৬ শতাংশ কমে ১ হাজার ১৪০ কোটি ডলারে নেমেছে। এর মধ্যে আর্কেড ও টেবিলটপ ক্যাটাগরির গেমগুলো মুনাফা অর্জন করতে পেরেছে।

অ্যাপলইনসাইডারের তথ্যানুযায়ী, আর্কেড গেমের আয় আগের বছরের তুলনায় ১৪ দশমিক ৮ শতাংশ বেড়ে ১৭ কোটি ৬০ লাখ ডলারে পৌঁছেছে। হাইপারক্যাজুয়াল ও আরপিজি গেমগুলোর আয় ও মুনাফা কমেছে।

বছরের প্রথমার্ধে রেসিং গেমগুলো সবচেয়ে বেশি ২৮ দশমিক ৮ শতাংশ রাজস্ব বাজার হারিয়েছে। অন্যদিকে জিও অবস্থানভিত্তিক ও অগমেন্টেড রিয়েলিটিভিত্তিক গেমগুলো একই সময়ে ২৬ শতাংশ বাজার হারিয়েছে। রাজস্বের পাশাপাশি আগের বছরের তুলনায় চলতি বছর গেম ডাউনলোডের পরিমাণ ২ দশমিক ৫ শতাংশ কমে ২৪০ কোটিতে নেমে এসেছে।

শুধু দ্বিতীয় প্রান্তিকে আয় ১১ দশমিক ৪ শতাংশ কমে ৫৬০ কোটি ডলারে নেমে গিয়েছে। এ ছাড়া গেম ডাউনলোডের পরিমাণ ১২০ কোটিতে নেমেছে।

বাংলাদেশের গেমিং খাতের অবস্থা

বিগত কয়েক বছর ধরে গেমিং খাতের বিশাল এ বাজার ধরতে বাংলাদেশি কোম্পানিগুলো নিজ উদ্যোগে নিরলস প্রচেষ্টা করে যাচ্ছে। কিন্তু সম্ভাবনাময় বাজারে আমাদের অবদান মাত্র ৫০-৬০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের মতো যা কিনা এক শতাংশেরও অনেক নিচে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এখানে আমাদের অনেক সুযোগ রয়েছে। ইতোমধ্যে মুনফ্রগ ল্যাবস ও উল্কা গেমস লিমিটেড-এর লুডো ক্লাব, তিন পাত্তি গোল্ড, আড্ডা, ক্যারাম ইত্যাদি গেম বিশ্বব্যাপী বেশ জনপ্রিয় হয়েছে। সব মিলিয়ে বিশ্বজুড়ে ১৮ কোটির বেশি ডাউনলোড হয়েছে গেমগুলো।

বাজার কমেছে মোবাইল গেমিংয়ের

 সাইফ আহমাদ 
০৯ আগস্ট ২০২২, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

বিশ্বব্যাপী চলতি বছরের প্রথমার্ধে মোবাইল গেমিংয়ের বাজার ১০ শতাংশ কমেছে। এ সময় অধিকাংশ গেমের ডাউনলোড উল্লেখযোগ্য হারে কমে আসে। সম্প্রতি সেন্সর টাওয়ারের গেম ইন্টেলিজেন্স তথ্য সূত্রে এটি জানা গেছে।

এক বছরের ব্যবধানে মোবাইল গেমিংয়ের বাজার ৯ দশমিক ৬ শতাংশ কমে ১ হাজার ১৪০ কোটি ডলারে নেমেছে। এর মধ্যে আর্কেড ও টেবিলটপ ক্যাটাগরির গেমগুলো মুনাফা অর্জন করতে পেরেছে।

অ্যাপলইনসাইডারের তথ্যানুযায়ী, আর্কেড গেমের আয় আগের বছরের তুলনায় ১৪ দশমিক ৮ শতাংশ বেড়ে ১৭ কোটি ৬০ লাখ ডলারে পৌঁছেছে। হাইপারক্যাজুয়াল ও আরপিজি গেমগুলোর আয় ও মুনাফা কমেছে।

বছরের প্রথমার্ধে রেসিং গেমগুলো সবচেয়ে বেশি ২৮ দশমিক ৮ শতাংশ রাজস্ব বাজার হারিয়েছে। অন্যদিকে জিও অবস্থানভিত্তিক ও অগমেন্টেড রিয়েলিটিভিত্তিক গেমগুলো একই সময়ে ২৬ শতাংশ বাজার হারিয়েছে। রাজস্বের পাশাপাশি আগের বছরের তুলনায় চলতি বছর গেম ডাউনলোডের পরিমাণ ২ দশমিক ৫ শতাংশ কমে ২৪০ কোটিতে নেমে এসেছে।

শুধু দ্বিতীয় প্রান্তিকে আয় ১১ দশমিক ৪ শতাংশ কমে ৫৬০ কোটি ডলারে নেমে গিয়েছে। এ ছাড়া গেম ডাউনলোডের পরিমাণ ১২০ কোটিতে নেমেছে।

বাংলাদেশের গেমিং খাতের অবস্থা

বিগত কয়েক বছর ধরে গেমিং খাতের বিশাল এ বাজার ধরতে বাংলাদেশি কোম্পানিগুলো নিজ উদ্যোগে নিরলস প্রচেষ্টা করে যাচ্ছে। কিন্তু সম্ভাবনাময় বাজারে আমাদের অবদান মাত্র ৫০-৬০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের মতো যা কিনা এক শতাংশেরও অনেক নিচে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এখানে আমাদের অনেক সুযোগ রয়েছে। ইতোমধ্যে মুনফ্রগ ল্যাবস ও উল্কা গেমস লিমিটেড-এর লুডো ক্লাব, তিন পাত্তি গোল্ড, আড্ডা, ক্যারাম ইত্যাদি গেম বিশ্বব্যাপী বেশ জনপ্রিয় হয়েছে। সব মিলিয়ে বিশ্বজুড়ে ১৮ কোটির বেশি ডাউনলোড হয়েছে গেমগুলো।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন