পৃথিবীতে পানি এসেছে যেভাবে
jugantor
পৃথিবীতে পানি এসেছে যেভাবে

  আইটি ডেস্ক  

১৮ আগস্ট ২০২২, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

পৃথিবীতে পানি কীভাবে এলো, তা নিয়ে চলছে গবেষণা। এবার এই গবেষণায় নতুন দিশার সন্ধান মিলল। সম্প্রতি জাপানের এক দল গবেষক জানিয়েছেন, পৃথিবীতে পানি এসেছে গ্রহাণু থেকে। জাপানের ‘হায়াবুসা টু’ স্পেস প্রোব থেকে এ তথ্য পাওয়া গেছে। বিজ্ঞানীরা মরিয়া হয়ে থাকেন ভিনগ্রহে পানির উৎস সম্পর্কে জানতে। এজন্য মহাকাশে একের পর এক অভিযান চলে। কিন্তু কিছুতেই যেন কূল-কিনারা মেলে না।

নেচার অ্যাস্ট্রোনমি শীর্ষক জার্নালে প্রকাশিত ‘হায়াবুসা টু’ মহাকাশে বলা হয়েছে, জন্মের আদিলগ্নে পৃথিবী আদৌ সুজলা-সুফলা-শস্য শ্যামলা ছিল না। বরং গলে যাওয়া ম্যাগমার এক বিশাল পিণ্ডের চেহারায় ছিল এ গ্রহ। জাপান এজেন্সি ফর মেরিন-আর্থ সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির বর্ষীয়ান গবেষক মটু আইটো বলেন, ‘বৃহৎ অর্থে বলাই যায় যে ছোট ছোট মহাজাগতিক বস্তুই এখানে এমন কিছু নিয়ে আসে যেখান থেকে পানি ও জীবনের সূত্রপাত’।

ছয় বছরের জন্য ‘হায়াবুসা টু’তে একটি ক্যাপসুল পাঠায় জাপান অ্যারোস্পেস এক্সপ্লোরেশন এজেন্সি। সেই ক্যাপসুলই রাইগু নামে একটি গ্রহাণুর প্রায় ৫.৪ গ্রাম ‘মাটি’ পাঠিয়েছে। সেই মাটির গঠন বিশ্লেষণ করে জাপানের বিজ্ঞানীরা দাবি করছেন, পানির সঙ্গে লক্ষণীয় মিল রয়েছে। তবে দুটো পুরোপুরি এক রকম নয়। তাই একই সঙ্গে তারা জানাচ্ছেন, পৃথিবীতে পানির উৎপত্তি-রহস্য হয়তো গ্রহাণু ছাড়াও অন্য কোথাও লুকিয়ে থাকতে পারে। তবে আপাতত গ্রহাণুর ভূমিকাই বোঝার চেষ্টা করেছেন তারা। সে জন্য আটটি উপাদান বিশ্লেষণ করা হয়েছে। দেখা যায়, প্রত্যেকটিই জৈব পদার্থ। শুধু তাই নয়। ‘হাইড্রক্সিল গ্রুপ’-র চেহারায় পানিরও খোঁজ মেলে এতে।

এই রূপে অক্সিজেনের একটি পরমাণুর সঙ্গে হাইড্রোজেনের একটি পরমাণু জুড়ে থাকে। মহাজাগতিক ধুলা ও ধূমকেতুর মধ্যে বহু সময়ই এভাবে পানির খোঁজ পাওয়া যায়। সেখান থেকে কীভাবে পৃথিবীতে পানি এসে থাকতে পারে তার একটা জোরালো আভাস পাওয়া গেছে। দাবি জাপানের।

পৃথিবীতে পানি এসেছে যেভাবে

 আইটি ডেস্ক 
১৮ আগস্ট ২০২২, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

পৃথিবীতে পানি কীভাবে এলো, তা নিয়ে চলছে গবেষণা। এবার এই গবেষণায় নতুন দিশার সন্ধান মিলল। সম্প্রতি জাপানের এক দল গবেষক জানিয়েছেন, পৃথিবীতে পানি এসেছে গ্রহাণু থেকে। জাপানের ‘হায়াবুসা টু’ স্পেস প্রোব থেকে এ তথ্য পাওয়া গেছে। বিজ্ঞানীরা মরিয়া হয়ে থাকেন ভিনগ্রহে পানির উৎস সম্পর্কে জানতে। এজন্য মহাকাশে একের পর এক অভিযান চলে। কিন্তু কিছুতেই যেন কূল-কিনারা মেলে না।

নেচার অ্যাস্ট্রোনমি শীর্ষক জার্নালে প্রকাশিত ‘হায়াবুসা টু’ মহাকাশে বলা হয়েছে, জন্মের আদিলগ্নে পৃথিবী আদৌ সুজলা-সুফলা-শস্য শ্যামলা ছিল না। বরং গলে যাওয়া ম্যাগমার এক বিশাল পিণ্ডের চেহারায় ছিল এ গ্রহ। জাপান এজেন্সি ফর মেরিন-আর্থ সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির বর্ষীয়ান গবেষক মটু আইটো বলেন, ‘বৃহৎ অর্থে বলাই যায় যে ছোট ছোট মহাজাগতিক বস্তুই এখানে এমন কিছু নিয়ে আসে যেখান থেকে পানি ও জীবনের সূত্রপাত’।

ছয় বছরের জন্য ‘হায়াবুসা টু’তে একটি ক্যাপসুল পাঠায় জাপান অ্যারোস্পেস এক্সপ্লোরেশন এজেন্সি। সেই ক্যাপসুলই রাইগু নামে একটি গ্রহাণুর প্রায় ৫.৪ গ্রাম ‘মাটি’ পাঠিয়েছে। সেই মাটির গঠন বিশ্লেষণ করে জাপানের বিজ্ঞানীরা দাবি করছেন, পানির সঙ্গে লক্ষণীয় মিল রয়েছে। তবে দুটো পুরোপুরি এক রকম নয়। তাই একই সঙ্গে তারা জানাচ্ছেন, পৃথিবীতে পানির উৎপত্তি-রহস্য হয়তো গ্রহাণু ছাড়াও অন্য কোথাও লুকিয়ে থাকতে পারে। তবে আপাতত গ্রহাণুর ভূমিকাই বোঝার চেষ্টা করেছেন তারা। সে জন্য আটটি উপাদান বিশ্লেষণ করা হয়েছে। দেখা যায়, প্রত্যেকটিই জৈব পদার্থ। শুধু তাই নয়। ‘হাইড্রক্সিল গ্রুপ’-র চেহারায় পানিরও খোঁজ মেলে এতে।

এই রূপে অক্সিজেনের একটি পরমাণুর সঙ্গে হাইড্রোজেনের একটি পরমাণু জুড়ে থাকে। মহাজাগতিক ধুলা ও ধূমকেতুর মধ্যে বহু সময়ই এভাবে পানির খোঁজ পাওয়া যায়। সেখান থেকে কীভাবে পৃথিবীতে পানি এসে থাকতে পারে তার একটা জোরালো আভাস পাওয়া গেছে। দাবি জাপানের।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন