ফাইবার-অপটিক ক্যাবলে শোনা গেল তিমির গান
jugantor
ফাইবার-অপটিক ক্যাবলে শোনা গেল তিমির গান

  আইটি ডেস্ক  

২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

আর্কটিক অঞ্চলের গভীর সমুদ্রে তিমির বাসস্থান আর চলাফেরার তথ্য সংগ্রহ করতে ফাইবার-অপটিক কেবলের সাহায্য নিচ্ছেন গবেষকরা।

বিশ্বের এক প্রান্ত থেকে আরেক প্রান্তের সঙ্গে ইন্টারনেট সংযোগ স্থাপন করতে ব্যবহৃত হয় ফাইবার-অপটিক কেবল। প্রচলিত সাইসমিক স্টেশনের যন্ত্রপাতি পর্যবেক্ষণে ধরা পড়ে না-গভীর সমুদ্রের এমন ভূমিকম্প চিহ্নিত করতেও একই প্রযুক্তির ওপর নির্ভর করেন গবেষকরা।

তিমি গবেষকরা আর্কটিকে এ ফাইবার-অপটিক কেবল ব্যবহার করছেন তিমির আওয়াজ চিহ্নিত করতে। সম্প্রতি সে গবেষণার ফলাফলও প্রকাশ করেছেন তারা।

বন্যপ্রাণীর ওপর নজর রাখতে ‘ডিস্ট্রিবিউটেড অ্যাকোস্টিক সেন্সিংস’ কৌশল ব্যবহারের এটাই প্রথম ঘটনা বলে দাবি করেছেন নরওয়েজিয়ান ইউনিভার্সিটি অফ সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির বিজ্ঞানীরা।

বিজ্ঞান সাময়িকী ফ্রন্টিয়ার্সে প্রকাশিত এ গবেষণা প্রতিবেদনের অন্যতম লেখক এবং নরওয়েজিয়ান ইউনিভার্সিটি অফ সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির শিক্ষার্থী লিয়া বুফো প্রযুক্তিবিষয়ক সাইট ভার্জকে বলেন, যে অঞ্চলগুলোতে পৌঁছানো কঠিন, ডিস্ট্রিবিউটেড অ্যাকোস্টিক সেন্সিংয়ের মাধ্যমে সেখানেও গবেষণা চালিয়ে নেওয়া সম্ভব।

ফাইবার-অপটিক ক্যাবলে শোনা গেল তিমির গান

 আইটি ডেস্ক 
২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

আর্কটিক অঞ্চলের গভীর সমুদ্রে তিমির বাসস্থান আর চলাফেরার তথ্য সংগ্রহ করতে ফাইবার-অপটিক কেবলের সাহায্য নিচ্ছেন গবেষকরা।

বিশ্বের এক প্রান্ত থেকে আরেক প্রান্তের সঙ্গে ইন্টারনেট সংযোগ স্থাপন করতে ব্যবহৃত হয় ফাইবার-অপটিক কেবল। প্রচলিত সাইসমিক স্টেশনের যন্ত্রপাতি পর্যবেক্ষণে ধরা পড়ে না-গভীর সমুদ্রের এমন ভূমিকম্প চিহ্নিত করতেও একই প্রযুক্তির ওপর নির্ভর করেন গবেষকরা।

তিমি গবেষকরা আর্কটিকে এ ফাইবার-অপটিক কেবল ব্যবহার করছেন তিমির আওয়াজ চিহ্নিত করতে। সম্প্রতি সে গবেষণার ফলাফলও প্রকাশ করেছেন তারা।

বন্যপ্রাণীর ওপর নজর রাখতে ‘ডিস্ট্রিবিউটেড অ্যাকোস্টিক সেন্সিংস’ কৌশল ব্যবহারের এটাই প্রথম ঘটনা বলে দাবি করেছেন নরওয়েজিয়ান ইউনিভার্সিটি অফ সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির বিজ্ঞানীরা।

বিজ্ঞান সাময়িকী ফ্রন্টিয়ার্সে প্রকাশিত এ গবেষণা প্রতিবেদনের অন্যতম লেখক এবং নরওয়েজিয়ান ইউনিভার্সিটি অফ সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির শিক্ষার্থী লিয়া বুফো প্রযুক্তিবিষয়ক সাইট ভার্জকে বলেন, যে অঞ্চলগুলোতে পৌঁছানো কঠিন, ডিস্ট্রিবিউটেড অ্যাকোস্টিক সেন্সিংয়ের মাধ্যমে সেখানেও গবেষণা চালিয়ে নেওয়া সম্ভব।

 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন