ইন্টারনেটে ছড়িয়েছে ইরানের চলমান অস্থিরতা
jugantor
ইন্টারনেটে ছড়িয়েছে ইরানের চলমান অস্থিরতা

  আইটি ডেস্ক  

২৬ সেপ্টেম্বর ২০২২, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

ইরানের সবচেয়ে বড় মোবাইল ফোন অপারেটর অফলাইনে চলে যাওয়ায় মূলত ইন্টারনেট ব্ল্যাকআউটের ঘটনা ঘটেছে। ‘ইরান মোবাইল কমিউনিকেশন্স কোম্পানি’ নামে পরিচিত এ অপারেটরের গ্রাহক সংখ্যা ছয় কোটিরও বেশি। এ ছাড়াও চলমান বিক্ষোভ দমাতে ইন্টারনেটসেবা নিয়ন্ত্রিত করেছে দেশটির কর্তৃপক্ষ। তেহরানের এই পদক্ষেপের জবাবে ইন্টারনেটসেবার ওপর নিষেধাজ্ঞা শিথিল করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ওয়াশিংটন।

এ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন বলেছেন, ‘ইরানি জনগণ যাতে বিচ্ছিন্ন ও অন্ধকারে না থাকে, তা নিশ্চিত করতে আমরা সাহায্য করতে যাচ্ছি।

ইরানে প্রকাশ্যে নারীদের বাধ্যতামূলক হিজাব পরাসহ কঠোর পর্দাবিধি রয়েছে। এ বিধিগুলো কার্যকর হচ্ছে কি না, তা তদারক করে দেশটির ‘নৈতিকতাবিষয়ক’ পুলিশ। এ বিধির আওতায় নৈতিকতাবিষয়ক পুলিশের একটি দল ১৩ সেপ্টেম্বর মাশাহ আমিনি নামের এক তরুণীকে তেহরান থেকে আটক করে। আমিনি তার পরিবারের সঙ্গে তেহরান সফরে গিয়েছিলেন। আটকের পর আমিনি থানায় অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে তেহরানের একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এর তিন দিন পর ১৬ সেপ্টেম্বর চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। তার মৃত্যুর পর ইরানজুড়ে ব্যাপক বিক্ষোভ শুরু হয়।

আমিনির মৃত্যুতে ইরানজুড়ে বিক্ষোভ শুরুর পর থেকেই দেশটির ইন্টারনেটে বিরতিহীন ব্লাকআউট চলার খবর দিয়েছে বিবিসি।

ইরান জুড়ে ইন্টারনেট বিভ্রাট নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন বিক্ষোভকারীরা ও বিভিন্ন সামাজিক মাধ্যমে প্রবেশ না করতে পারা নাগরিকরা।

ইন্টারনেট মনিটরিং দল নেটব্লকসের তথ্য অনুযায়ী, ইরানে অনুমোদিত দুটি বড় সামাজিক মাধ্যম ইনস্টাগ্রাম ও হোয়াটসঅ্যাপে প্রবেশও সীমিত করে দিয়েছে দেশটি।

মেটা মালিকানাধীন এ অ্যাপ দুটিতে আছে ইরানের কয়েক মিলিয়ন ব্যবহারকারী। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে দেশটি ফেসবুক ও টুইটারের মতো অন্যান্য প্ল্যাটফরম ব্লক করার পর ব্যাপক হারে বেড়েছে অ্যাপ দুটোর জনপ্রিয়তা। এ ছাড়া, টেলিগ্রাম, ইউটিউব ও টিকটকও বিভিন্ন সময়ে বন্ধ করেছে দেশটি।

হোয়াটসঅ্যাপ বলেছে, ইরানের ব্যবহারকারীদের সংযোগ ফিরিয়ে আনতে কাজ করছে তারা।

ইন্টারনেটে ছড়িয়েছে ইরানের চলমান অস্থিরতা

 আইটি ডেস্ক 
২৬ সেপ্টেম্বর ২০২২, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

ইরানের সবচেয়ে বড় মোবাইল ফোন অপারেটর অফলাইনে চলে যাওয়ায় মূলত ইন্টারনেট ব্ল্যাকআউটের ঘটনা ঘটেছে। ‘ইরান মোবাইল কমিউনিকেশন্স কোম্পানি’ নামে পরিচিত এ অপারেটরের গ্রাহক সংখ্যা ছয় কোটিরও বেশি। এ ছাড়াও চলমান বিক্ষোভ দমাতে ইন্টারনেটসেবা নিয়ন্ত্রিত করেছে দেশটির কর্তৃপক্ষ। তেহরানের এই পদক্ষেপের জবাবে ইন্টারনেটসেবার ওপর নিষেধাজ্ঞা শিথিল করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ওয়াশিংটন।

এ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন বলেছেন, ‘ইরানি জনগণ যাতে বিচ্ছিন্ন ও অন্ধকারে না থাকে, তা নিশ্চিত করতে আমরা সাহায্য করতে যাচ্ছি।

ইরানে প্রকাশ্যে নারীদের বাধ্যতামূলক হিজাব পরাসহ কঠোর পর্দাবিধি রয়েছে। এ বিধিগুলো কার্যকর হচ্ছে কি না, তা তদারক করে দেশটির ‘নৈতিকতাবিষয়ক’ পুলিশ। এ বিধির আওতায় নৈতিকতাবিষয়ক পুলিশের একটি দল ১৩ সেপ্টেম্বর মাশাহ আমিনি নামের এক তরুণীকে তেহরান থেকে আটক করে। আমিনি তার পরিবারের সঙ্গে তেহরান সফরে গিয়েছিলেন। আটকের পর আমিনি থানায় অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে তেহরানের একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এর তিন দিন পর ১৬ সেপ্টেম্বর চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। তার মৃত্যুর পর ইরানজুড়ে ব্যাপক বিক্ষোভ শুরু হয়।

আমিনির মৃত্যুতে ইরানজুড়ে বিক্ষোভ শুরুর পর থেকেই দেশটির ইন্টারনেটে বিরতিহীন ব্লাকআউট চলার খবর দিয়েছে বিবিসি।

ইরান জুড়ে ইন্টারনেট বিভ্রাট নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন বিক্ষোভকারীরা ও বিভিন্ন সামাজিক মাধ্যমে প্রবেশ না করতে পারা নাগরিকরা।

ইন্টারনেট মনিটরিং দল নেটব্লকসের তথ্য অনুযায়ী, ইরানে অনুমোদিত দুটি বড় সামাজিক মাধ্যম ইনস্টাগ্রাম ও হোয়াটসঅ্যাপে প্রবেশও সীমিত করে দিয়েছে দেশটি।

মেটা মালিকানাধীন এ অ্যাপ দুটিতে আছে ইরানের কয়েক মিলিয়ন ব্যবহারকারী। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে দেশটি ফেসবুক ও টুইটারের মতো অন্যান্য প্ল্যাটফরম ব্লক করার পর ব্যাপক হারে বেড়েছে অ্যাপ দুটোর জনপ্রিয়তা। এ ছাড়া, টেলিগ্রাম, ইউটিউব ও টিকটকও বিভিন্ন সময়ে বন্ধ করেছে দেশটি।

হোয়াটসঅ্যাপ বলেছে, ইরানের ব্যবহারকারীদের সংযোগ ফিরিয়ে আনতে কাজ করছে তারা।

 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন