এসএমএস’র ৩০ বছর পূর্তি
jugantor
এসএমএস’র ৩০ বছর পূর্তি

  আইটি ডেস্ক  

০৬ ডিসেম্বর ২০২২, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

ইন্টারনেটের বদৌলতে হোয়াটসঅ্যাপ, মেসেঞ্জার, স্কাইপের মতো মেসেজিং ও ভিডিও কলিং সেবা জনপ্রিয় হলেও এখনো মোবাইল ফোন ব্যবহারকারীদের কাছে এসএমএসের গুরুত্ব রয়েছে সমানভাবে। ব্যাংকের গুরুত্বপূর্ণ মেসেজ থেকে শুরু করে দৈনন্দিন যোগাযোগ, স্মার্টফোন যুগেও এসএমএসের নির্ভরতা কমেনি। প্রত্যেক ৩ জন মোবাইল ব্যবহারকারীর একজন এখনো মোবাইল থেকে এসএমএস পাঠিয়ে থাকেন। সম্প্রতি ৩০ বছর পূর্ণ করল এ টেক্সট মেসেজিং সেবা। হোয়াটসঅ্যাপ, স্কাইপের মতো মেসেজিং অ্যাপ জনপ্রিয়তা পেলেও এখনো মোট মোবাইল ব্যবহারকারীর ২০ শতাংশ এসএমএস অ্যাপকেই ডিফল্ট মেসেজিং অ্যাপ হিসাবে সেট করে রেখেছেন।

সম্প্রতি প্রকাশিত এক সমীক্ষায় জানা গেছে, মোট মোবাইল গ্রাহকের ৩০ শতাংশ প্রতিদিন এসএমএস পাঠান। এ ছাড়াও নিজের পছন্দের মেসেজিং প্ল্যাটফরমে অপর প্রান্তের মানুষটি না থাকার কারণে টেস্ট মেসেজ পাঠাতে বাধ্য হন ৫৪ শতাংশ ব্যবহারকারী।

খুব সহজে টেস্ট মেসেজ পাঠানোর জন্য শুরু হয়েছিল শর্ট মেসেজিং সার্ভিস। ১৯৮৪ সালে এ প্রযুক্তি তৈরির কথা ভাবা হলেও প্রথম এসএমএস পাঠানো হয়েছিল ১৯৯২ সালের ৩ ডিসেম্বর। নিল প্যাপওয়ার্থ নামের এক ইঞ্জিনিয়ার এ মেসেজে ‘Merry Christmas’ লিখে পাঠিয়েছিলেন।

২২ বছর বয়সি প্যাপওয়ার্থ মেসেজটি পাঠিয়েছিলেন সে সময়ের ভোডাফোন প্রধান রিচার্ড জার্ভিসকে। মজার বিষয় হচ্ছে, সম্ভবত হালের ‘সিন জোন’ বিড়ম্বনার শিকার হয়েছিল ইতিহাসের প্রথম টেক্সট মেসেজটিও। প্যাপওয়ার্থের মেসেজটি যখন জার্ভিসের কাছে পৌঁছায় তখন তিনি এক পার্টিতে। কোনো উত্তর পাননি প্যাপওয়ার্থ। বিবিসি জানিয়েছে, জার্ভিসের ফোনটি ছিল অরবিটেল ৯০১ মডেলের, ওজন ছিল দুই কেজি একশ গ্রাম। ওজনে যা আজকের দিনের কম-বেশি ১২টি আইফোন ১৪-এর সমান।

এসএমএস’র ৩০ বছর পূর্তি

 আইটি ডেস্ক 
০৬ ডিসেম্বর ২০২২, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

ইন্টারনেটের বদৌলতে হোয়াটসঅ্যাপ, মেসেঞ্জার, স্কাইপের মতো মেসেজিং ও ভিডিও কলিং সেবা জনপ্রিয় হলেও এখনো মোবাইল ফোন ব্যবহারকারীদের কাছে এসএমএসের গুরুত্ব রয়েছে সমানভাবে। ব্যাংকের গুরুত্বপূর্ণ মেসেজ থেকে শুরু করে দৈনন্দিন যোগাযোগ, স্মার্টফোন যুগেও এসএমএসের নির্ভরতা কমেনি। প্রত্যেক ৩ জন মোবাইল ব্যবহারকারীর একজন এখনো মোবাইল থেকে এসএমএস পাঠিয়ে থাকেন। সম্প্রতি ৩০ বছর পূর্ণ করল এ টেক্সট মেসেজিং সেবা। হোয়াটসঅ্যাপ, স্কাইপের মতো মেসেজিং অ্যাপ জনপ্রিয়তা পেলেও এখনো মোট মোবাইল ব্যবহারকারীর ২০ শতাংশ এসএমএস অ্যাপকেই ডিফল্ট মেসেজিং অ্যাপ হিসাবে সেট করে রেখেছেন।

সম্প্রতি প্রকাশিত এক সমীক্ষায় জানা গেছে, মোট মোবাইল গ্রাহকের ৩০ শতাংশ প্রতিদিন এসএমএস পাঠান। এ ছাড়াও নিজের পছন্দের মেসেজিং প্ল্যাটফরমে অপর প্রান্তের মানুষটি না থাকার কারণে টেস্ট মেসেজ পাঠাতে বাধ্য হন ৫৪ শতাংশ ব্যবহারকারী।

খুব সহজে টেস্ট মেসেজ পাঠানোর জন্য শুরু হয়েছিল শর্ট মেসেজিং সার্ভিস। ১৯৮৪ সালে এ প্রযুক্তি তৈরির কথা ভাবা হলেও প্রথম এসএমএস পাঠানো হয়েছিল ১৯৯২ সালের ৩ ডিসেম্বর। নিল প্যাপওয়ার্থ নামের এক ইঞ্জিনিয়ার এ মেসেজে ‘Merry Christmas’ লিখে পাঠিয়েছিলেন।

২২ বছর বয়সি প্যাপওয়ার্থ মেসেজটি পাঠিয়েছিলেন সে সময়ের ভোডাফোন প্রধান রিচার্ড জার্ভিসকে। মজার বিষয় হচ্ছে, সম্ভবত হালের ‘সিন জোন’ বিড়ম্বনার শিকার হয়েছিল ইতিহাসের প্রথম টেক্সট মেসেজটিও। প্যাপওয়ার্থের মেসেজটি যখন জার্ভিসের কাছে পৌঁছায় তখন তিনি এক পার্টিতে। কোনো উত্তর পাননি প্যাপওয়ার্থ। বিবিসি জানিয়েছে, জার্ভিসের ফোনটি ছিল অরবিটেল ৯০১ মডেলের, ওজন ছিল দুই কেজি একশ গ্রাম। ওজনে যা আজকের দিনের কম-বেশি ১২টি আইফোন ১৪-এর সমান।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন