পেশাদারিত্বে সফলতা
jugantor
পেশাদারিত্বে সফলতা

  আজওয়াদ উৎস  

২৫ অক্টোবর ২০১৯, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

ক্যারিয়ারে শতভাগ সফলতার জন্য আমরা কত কিছুই না করি। কিন্তু নিজেদের পেশাদারিত্বটা বজায় রাখি কতটুকু? পেশা যাই হোক না কেন পেশাদারি না থাকলে পেশা জীবনটাই মিছে। কর্মক্ষেত্রে পেশাদারিত্ব না থাকলে সমস্যাটা বাধে তখনই যখন বিশ্বের অন্যান্য দেশের সঙ্গে তাল মিলিয়ে আমরা ব্যবসা বাণিজ্য করতে যাই। প্রতিযোগিতাময় বাজারে এই গুণটি না থাকলে পিছিয়ে পড়তে হয় প্রতিনিয়ত, ধাক্কা খেতে হয় পদে পদে। তাই নিজেকে এবং পেশায় সফল হতে হলে এই গুণটি অবশ্যই জরুরি।

পেশাদার হতে হলে নিজের মধ্যে কিছু দরকারি গুণ থাকা চাই। প্রথমে হওয়া চাই শতভাগ সৎ, সততা থাকতে হবে প্রতিষ্ঠানের সব বিষয়ে। একজন পেশাদারকর্মী শুধু তার কাজের প্রতি নন, প্রতিষ্ঠানের সব কর্মকর্তা-কর্মচারীর প্রতি দায়িত্বশীল মনোভাবের হন। অফিসের বড় কর্তা থেকে শুরু করে সবচেয়ে ছোট পদ সবার কাজের প্রতিই থাকা চাই শ্রদ্ধাবোধ। অন্যকে সম্মান না দেখালে তাদের কাছ থেকে সম্মান ও পেশাদারি মনোভাব আশা করা বৃথা।

পেশা জীবনে অনেক মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করতে হয়। এক্ষেত্রে অনেকেই পেশাদারি মনোভাব বজায় রাখে না। যা মোটেও উচিত নয়। নেটওয়ার্কিং এবং যোগাযোগে নতুন চিন্তা, নতুন কর্মপন্থা, নতুন সুযোগ তৈরি করে। এগুলো জরুরি বিষয়। প্রতিষ্ঠানে ও কাজের প্রতি নিষ্ঠাবান হওয়াটাও পেশাদারির অন্যতম প্রধান উপাদান। প্রতিষ্ঠানের প্রতি যদি নিষ্ঠা, আর নিজেকে সম্পূর্ণভাবে প্রয়োগের মনোভাব না থাকে, তাহলে প্রতিষ্ঠান ও আপনার কাজকে স্বীকৃতি দেবে না। এর সঙ্গে বাড়িয়ে নিতে হবে অভিজ্ঞতা, দক্ষতা আর জ্ঞানের পরিধি। ব্যক্তিগত উন্নয়ন হলেই তো প্রতিষ্ঠানের উন্নতি হবে।

আর একজন পেশাদার প্রতিনিয়ত নিজেকে বদলে ফেলার চেষ্টা করেন। কাজসংশ্লিষ্ট পড়াশোনা, প্রশিক্ষণ, বেশি বেশি কাজের সঙ্গে যুক্ত হওয়া এসবের সমাহারে নিজের উন্নয়ন যেমন সম্ভব তেমনি হতে পারে প্রতিষ্ঠানের উন্নতি। পেশাদাররা কাজের ধরনটা বুঝে উঠতে চান সবার আগে। কিন্তু অ্যামেচাররা সম্ভব হলেই কাজে ফাঁকি দেয়ার চেষ্টা করেন। একজন পেশাদারের কাছে সব কাজই সমান- সেটা সহজ কিংবা খুব জটিলই হোক। অন্যদিকে অ্যামেচাররা সব সময় কঠিন কাজ ও বড় দায়িত্ব এড়িয়ে চলেন।

পেশাদাররা নিজেরাই ঠিক করে নেন, কাজের প্রয়োজনে কি করতে হবে। কিন্তু অ্যামেচাররা তা ঠিক করেন অন্যেরটা দেখে। পেশাদাররা সব বিষয়ে ইতিবাচক মনোভাব দেখান পক্ষান্তরে অ্যামেচারদের কাজই হল নেতিবাচক মনোভাব প্রদর্শন। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কাজ যদি শেষ হয়ে যায়, বুঝে নিতে হবে এটাই পেশাদারির পরিচয়।

পেশাদারিত্বে সফলতা

 আজওয়াদ উৎস 
২৫ অক্টোবর ২০১৯, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

ক্যারিয়ারে শতভাগ সফলতার জন্য আমরা কত কিছুই না করি। কিন্তু নিজেদের পেশাদারিত্বটা বজায় রাখি কতটুকু? পেশা যাই হোক না কেন পেশাদারি না থাকলে পেশা জীবনটাই মিছে। কর্মক্ষেত্রে পেশাদারিত্ব না থাকলে সমস্যাটা বাধে তখনই যখন বিশ্বের অন্যান্য দেশের সঙ্গে তাল মিলিয়ে আমরা ব্যবসা বাণিজ্য করতে যাই। প্রতিযোগিতাময় বাজারে এই গুণটি না থাকলে পিছিয়ে পড়তে হয় প্রতিনিয়ত, ধাক্কা খেতে হয় পদে পদে। তাই নিজেকে এবং পেশায় সফল হতে হলে এই গুণটি অবশ্যই জরুরি।

পেশাদার হতে হলে নিজের মধ্যে কিছু দরকারি গুণ থাকা চাই। প্রথমে হওয়া চাই শতভাগ সৎ, সততা থাকতে হবে প্রতিষ্ঠানের সব বিষয়ে। একজন পেশাদারকর্মী শুধু তার কাজের প্রতি নন, প্রতিষ্ঠানের সব কর্মকর্তা-কর্মচারীর প্রতি দায়িত্বশীল মনোভাবের হন। অফিসের বড় কর্তা থেকে শুরু করে সবচেয়ে ছোট পদ সবার কাজের প্রতিই থাকা চাই শ্রদ্ধাবোধ। অন্যকে সম্মান না দেখালে তাদের কাছ থেকে সম্মান ও পেশাদারি মনোভাব আশা করা বৃথা।

পেশা জীবনে অনেক মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করতে হয়। এক্ষেত্রে অনেকেই পেশাদারি মনোভাব বজায় রাখে না। যা মোটেও উচিত নয়। নেটওয়ার্কিং এবং যোগাযোগে নতুন চিন্তা, নতুন কর্মপন্থা, নতুন সুযোগ তৈরি করে। এগুলো জরুরি বিষয়। প্রতিষ্ঠানে ও কাজের প্রতি নিষ্ঠাবান হওয়াটাও পেশাদারির অন্যতম প্রধান উপাদান। প্রতিষ্ঠানের প্রতি যদি নিষ্ঠা, আর নিজেকে সম্পূর্ণভাবে প্রয়োগের মনোভাব না থাকে, তাহলে প্রতিষ্ঠান ও আপনার কাজকে স্বীকৃতি দেবে না। এর সঙ্গে বাড়িয়ে নিতে হবে অভিজ্ঞতা, দক্ষতা আর জ্ঞানের পরিধি। ব্যক্তিগত উন্নয়ন হলেই তো প্রতিষ্ঠানের উন্নতি হবে।

আর একজন পেশাদার প্রতিনিয়ত নিজেকে বদলে ফেলার চেষ্টা করেন। কাজসংশ্লিষ্ট পড়াশোনা, প্রশিক্ষণ, বেশি বেশি কাজের সঙ্গে যুক্ত হওয়া এসবের সমাহারে নিজের উন্নয়ন যেমন সম্ভব তেমনি হতে পারে প্রতিষ্ঠানের উন্নতি। পেশাদাররা কাজের ধরনটা বুঝে উঠতে চান সবার আগে। কিন্তু অ্যামেচাররা সম্ভব হলেই কাজে ফাঁকি দেয়ার চেষ্টা করেন। একজন পেশাদারের কাছে সব কাজই সমান- সেটা সহজ কিংবা খুব জটিলই হোক। অন্যদিকে অ্যামেচাররা সব সময় কঠিন কাজ ও বড় দায়িত্ব এড়িয়ে চলেন।

পেশাদাররা নিজেরাই ঠিক করে নেন, কাজের প্রয়োজনে কি করতে হবে। কিন্তু অ্যামেচাররা তা ঠিক করেন অন্যেরটা দেখে। পেশাদাররা সব বিষয়ে ইতিবাচক মনোভাব দেখান পক্ষান্তরে অ্যামেচারদের কাজই হল নেতিবাচক মনোভাব প্রদর্শন। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কাজ যদি শেষ হয়ে যায়, বুঝে নিতে হবে এটাই পেশাদারির পরিচয়।