চাকরির পরীক্ষায় সাফল্য
jugantor
চাকরির পরীক্ষায় সাফল্য

   

১৩ মার্চ ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

ভয় পাবেন না পরীক্ষার আগে। প্রতি বছর লক্ষাধিক পড়ুয়া চাকরির পরীক্ষায় বসেন। পাস করেন মাত্র তিন থেকে চার শতাংশ। ভয় পাওয়ার কোনো দরকার নেই। এ পরীক্ষা কিন্তু খুব কঠিন নয়। কীভাবে পড়াশোনা করলে ভালো ফল পাবেন, তা জেনে নিন।

পড়াশোনার মধ্যে থাকা জরুরি : আপনাকে প্রচুর পড়াশোনা করতে হবে। এ বিষয়টি মাথায় গেঁথে নিন। রোজ নিয়ম করে পড়াশোনা করা জরুরি। ফাঁকি দিলে কিন্তু নিজেই ফাঁকিতে পড়বেন। একটা রুটিন করে নিন। সেই রুটিন মেনে নিয়মিত পড়াশোনা করুন। পরীক্ষা ক্র্যাক করে ফেলবেন অনায়াসে।

প্র্যাকটিস দরকার : বিগত বছরগুলোর প্রশ্নপত্র জোগাড় করুন। প্রশ্নপত্র সমাধান করার অভ্যাস থাকলে পরীক্ষার দিন বিশেষ চাপ হবে না। তাছাড়া নিজে প্র্যাকটিস করার প্রয়োজন আছে বৈকি। প্রশ্নপত্র সমাধান করতে করতে বুঝতে পারবেন আপনি কতটা তৈরি। এতে মনোবল ফিরবে। পরীক্ষার প্রতি যে ভয় তৈরি হয়েছে সেটিও কেটে যাবে। ফলে প্র্যাকটিস করুন নিয়মিত।

রিভিশন করুন : প্রত্যেকটা মডিউল ধরে শেষ করুন এবং মডিউল ভাগ করেই রিভিশন দিন। আপনার ক্ষেত্রে ডিভিশনে রিভিশন কিন্তু ভালো স্ট্র্যাটেজি। ট্রাই করে দেখুন। সুফল মিলতে বাধ্য।

মক টেস্ট : পরীক্ষার দিন আপনার মাথায় অনেকটা চাপ পড়তে পারে। যাতে সেটি না হয়, সেজন্য বিভিন্ন জায়গায় মক টেস্ট দিতে পারেন। নিয়মিত মক টেস্ট দিতে থাকলে পরীক্ষার সঙ্গে বন্ধুত্ব হয়ে যাবে। তাছাড়া এতে আপনার হাতের স্পিড বাড়বে এবং মূল পরীক্ষার জন্য আপনি কতটা তৈরি সেটিও বুঝতে পারবেন।

ভার্চুয়াল দুনিয়া : সোশ্যাল মিডিয়া থেকে বেরিয়ে ইন্টারনেটে আপনি পড়াশোনাসংক্রান্ত সব তথ্য পেয়ে যাবেন এটি সত্য কথা। একটি মাত্র ক্লিকেই যখন যা দরকার তখন সেটি মিলবে। কিন্তু পড়াশোনা চলাকালীন সোশ্যাল মিডিয়ার নোটিফিকেশন পপ আপ হলে? মনোযোগ নষ্ট হয়ে যাবে এক মুহূর্তে; যা তথ্য দরকার তা অবসরে খাতায় নোট করে নিয়ে পড়াশোনার সময়ে ফোন সুইচ অফ করে দিন।

ঘুম জরুরি : এ পরীক্ষা ভীষণ কঠিন। এ ব্যাপারটা আপনার মাথায় গেঁথে নিয়েছেন। ফলে নাওয়া-খাওয়া ভুলে সারা দিন সারা রাত পড়াশোনা করছেন। এমন করলে কিন্তু শরীর ভেঙে যাবে। রাতে ৬ ঘণ্টা ঘুমাতেই হবে এটি বুঝে নিন। সুস্থ থাকলে তবেই না ভালো রেজাল্ট করতে পারবেন।

স্বাস্থ্য : আগে ঘুমের মতো খাওয়া-দাওয়ার প্রতি যত্নশীল হতে হবে আপনাকে। স্বাস্থ্যকর খাবার খেতে হবে। তাছাড়া জল খেতে হবে যথেষ্ট পরিমাণে। এতে দেহ হাইড্রেটেড থাকবে। পড়াশোনার ফাঁকে খাওয়া-দাওয়া সেরে নিন। বাদাম, অ্যাভোকাডো কিংবা পপকর্নের মতো স্ন্যাক্স কিন্তু বেশ ভালো অপশন। জাঙ্ক ফুড এড়িয়ে চলা ভালো।

চাকরির পরীক্ষায় সাফল্য

  
১৩ মার্চ ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

ভয় পাবেন না পরীক্ষার আগে। প্রতি বছর লক্ষাধিক পড়ুয়া চাকরির পরীক্ষায় বসেন। পাস করেন মাত্র তিন থেকে চার শতাংশ। ভয় পাওয়ার কোনো দরকার নেই। এ পরীক্ষা কিন্তু খুব কঠিন নয়। কীভাবে পড়াশোনা করলে ভালো ফল পাবেন, তা জেনে নিন।

পড়াশোনার মধ্যে থাকা জরুরি : আপনাকে প্রচুর পড়াশোনা করতে হবে। এ বিষয়টি মাথায় গেঁথে নিন। রোজ নিয়ম করে পড়াশোনা করা জরুরি। ফাঁকি দিলে কিন্তু নিজেই ফাঁকিতে পড়বেন। একটা রুটিন করে নিন। সেই রুটিন মেনে নিয়মিত পড়াশোনা করুন। পরীক্ষা ক্র্যাক করে ফেলবেন অনায়াসে।

প্র্যাকটিস দরকার : বিগত বছরগুলোর প্রশ্নপত্র জোগাড় করুন। প্রশ্নপত্র সমাধান করার অভ্যাস থাকলে পরীক্ষার দিন বিশেষ চাপ হবে না। তাছাড়া নিজে প্র্যাকটিস করার প্রয়োজন আছে বৈকি। প্রশ্নপত্র সমাধান করতে করতে বুঝতে পারবেন আপনি কতটা তৈরি। এতে মনোবল ফিরবে। পরীক্ষার প্রতি যে ভয় তৈরি হয়েছে সেটিও কেটে যাবে। ফলে প্র্যাকটিস করুন নিয়মিত।

রিভিশন করুন : প্রত্যেকটা মডিউল ধরে শেষ করুন এবং মডিউল ভাগ করেই রিভিশন দিন। আপনার ক্ষেত্রে ডিভিশনে রিভিশন কিন্তু ভালো স্ট্র্যাটেজি। ট্রাই করে দেখুন। সুফল মিলতে বাধ্য।

মক টেস্ট : পরীক্ষার দিন আপনার মাথায় অনেকটা চাপ পড়তে পারে। যাতে সেটি না হয়, সেজন্য বিভিন্ন জায়গায় মক টেস্ট দিতে পারেন। নিয়মিত মক টেস্ট দিতে থাকলে পরীক্ষার সঙ্গে বন্ধুত্ব হয়ে যাবে। তাছাড়া এতে আপনার হাতের স্পিড বাড়বে এবং মূল পরীক্ষার জন্য আপনি কতটা তৈরি সেটিও বুঝতে পারবেন।

ভার্চুয়াল দুনিয়া : সোশ্যাল মিডিয়া থেকে বেরিয়ে ইন্টারনেটে আপনি পড়াশোনাসংক্রান্ত সব তথ্য পেয়ে যাবেন এটি সত্য কথা। একটি মাত্র ক্লিকেই যখন যা দরকার তখন সেটি মিলবে। কিন্তু পড়াশোনা চলাকালীন সোশ্যাল মিডিয়ার নোটিফিকেশন পপ আপ হলে? মনোযোগ নষ্ট হয়ে যাবে এক মুহূর্তে; যা তথ্য দরকার তা অবসরে খাতায় নোট করে নিয়ে পড়াশোনার সময়ে ফোন সুইচ অফ করে দিন।

ঘুম জরুরি : এ পরীক্ষা ভীষণ কঠিন। এ ব্যাপারটা আপনার মাথায় গেঁথে নিয়েছেন। ফলে নাওয়া-খাওয়া ভুলে সারা দিন সারা রাত পড়াশোনা করছেন। এমন করলে কিন্তু শরীর ভেঙে যাবে। রাতে ৬ ঘণ্টা ঘুমাতেই হবে এটি বুঝে নিন। সুস্থ থাকলে তবেই না ভালো রেজাল্ট করতে পারবেন।

স্বাস্থ্য : আগে ঘুমের মতো খাওয়া-দাওয়ার প্রতি যত্নশীল হতে হবে আপনাকে। স্বাস্থ্যকর খাবার খেতে হবে। তাছাড়া জল খেতে হবে যথেষ্ট পরিমাণে। এতে দেহ হাইড্রেটেড থাকবে। পড়াশোনার ফাঁকে খাওয়া-দাওয়া সেরে নিন। বাদাম, অ্যাভোকাডো কিংবা পপকর্নের মতো স্ন্যাক্স কিন্তু বেশ ভালো অপশন। জাঙ্ক ফুড এড়িয়ে চলা ভালো।