আ’লীগ বিএনপির দলীয় কোন্দলে বেড়েছে মনোনয়নপ্রত্যাশী

আওয়ামী লীগে এগিয়ে উপাধ্যক্ষ শহীদ, বিএনপিতে হাজী মুজিব

  সংগ্রাম সিংহ, সিলেট, সৈয়দ সালাউদ্দিন, শ্রীমঙ্গল ও আব্দুর রাজ্জাক রাজা, কমলগঞ্জ ১৪ অক্টোবর ২০১৮, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

আ’লীগ বিএনপির দলীয় কোন্দলে বেড়েছে মনোনয়নপ্রত্যাশী
ছবি-যুগান্তর

কমলগঞ্জ ও শ্রীমঙ্গল উপজেলা নিয়ে গঠিত মৌলভীবাজার-৪ আসন। ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী ও চা-শ্রমিক অধ্যুষিত এ আসন ‘আওয়ামী লীগের ঘাঁটি’ হিসেবে পরিচিত। গত ১০টি সংসদীয় নির্বাচনের মধ্যে ‘বিতর্কিত’ দুটি ছাড়া বাকি নির্বাচনে এ আসনের প্রতিনিধিত্ব আওয়ামী লীগের হাতেই ছিল।

১৯৯১ সালের সংসদ নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী ছিলেন প্রয়াত অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী এম সাইফুর রহমান। বিজয়ী হন আওয়ামী লীগের উপাধ্যক্ষ আবদুস শহীদ। ১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারির বিতর্কিত নির্বাচনে বিএনপি থেকে এমপি নির্বাচিত হন শ্রীমঙ্গল উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি শফিকুর রহমান।

এরপর ১৯৯৬, ২০০১ ও ২০০৮ সালের জাতীয় নির্বাচনে এ আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী বর্তমান সংসদ সদস্য উপাধ্যক্ষ আবদুস শহীদ এমপি নির্বাচিত হন। ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির নির্বাচনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় আবদুস শহীদ নির্বাচিত হন।

এ আসনের বর্তমান এমপি আওয়ামী লীগের হলেও স্থানীয় রাজনীতিক ও সাধারণ ভোটাররা বলছেন, নৌকার ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত এ আসনে দলটির কর্তৃত্ব এখন একহাতে নেই। বিভক্তি এসেছে দলে। নৌকার মনোনয়নপ্রত্যাশীর সংখ্যা ক্রমেই বাড়ছে।

এ অবস্থায় দলে ঐক্য আনতে না পারলে ‘অনৈক্যের চরে’ নৌকা আটকে পড়া অস্বাভাবিক কিছু নয়। সে ক্ষেত্রে সুসংহত হয়ে বিএনপি জয়ের প্রত্যাশা করতে পারে। তবে ফলাফল যাইহোক, এটা নিশ্চিত এ আসনে নির্বাচনী লড়াই হবে বড় দুই দল আওয়ামী লীগ ও বিএনপিতেই।

এদিকে নির্বাচন সামনে রেখে মনোনয়ন লড়াইয়ে আওয়ামী লীগ ও বিএনপিতে ভাঙন ক্রমেই স্পষ্ট হচ্ছে। এবার ছাড় দেয়ার মানসিকতা নেই বললেই চলে দুই দলের মনোনয়নপ্রত্যাশীদের মধ্যে।

এ আসনে পাঁচবার নির্বাচিত সংসদ সদস্য মুক্তিযোদ্ধা উপাধ্যক্ষ আলহাজ ড. মো. আবদুস শহীদ এমপিকে মাঠে রেখেই মনোনয়ন দাবি করে মাঠে নেমেছেন দলের তিন নেতা। বিএনপিতেও বাসা বেঁধেছে দ্বন্দ্ব-কোন্দল। এর ওপর হামলা-মামলায় জর্জরিত নেতাকর্মীরা।

তারপরও বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য হাজী মুজিবুর রহমান চৌধুরী (হাজী মুজিব) দলীয় মনোনয়নের প্রত্যাশায় মাঠে রয়েছেন। শ্রীমঙ্গল উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি জালাল উদ্দিন আহমেদ জিপুও মনোনয়ন চান বিএনপির।

উপাধ্যক্ষ ড. আবদুস শহীদ আওয়ামী লীগের দলীয় ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপের দায়িত্বও পালন করেছেন। বর্তমানে সরকারি প্রতিশ্রুতি সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি। মাঠের নেতাকর্মীরা বলছেন, আওয়ামী লীগে একাধিক মনোনয়নপ্রত্যাশী থাকলেও সর্বশেষ ড. শহীদই মনোনয়ন পাবেন। দলে বিরোধী বলয় থাকলেও তিনি সবাইকে ম্যানেজ করতে বেশ কৌশলী।

অভিজ্ঞ পার্লামেন্টারিয়ান আবদুস শহীদ যুগান্তরকে বলেন, দলীয় প্রধান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভিশন বাস্তবায়নে তৃণমূল থেকে শুরু করে সর্বত্রই কাজ করে যাচ্ছি। ১৯৯০ সালের আগে শ্রীমঙ্গলে মাত্র ১০-১২ কিলোমিটার পাকা সড়ক ছিল।

বর্তমানে ২৭০ কিলোমিটারের বেশি পাকা সড়ক হয়েছে। ঠিক একইভাবে কমলগঞ্জ উপজেলায়ও ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে। একনেকে ৫২ কোটি টাকার প্রকল্প পাস হয়েছে। শিগগির তা বাস্তবায়ন হবে। মনোনয়ন প্রত্যাশা সবার গণতান্ত্রিক অধিকার।

অনেকে সম্ভাব্য প্রার্থী তালিকায় থাকতে পারেন। তবে সিদ্ধান্ত দেবে জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে গঠিত মনোনয়ন বোর্ড। দলের কোন্দল প্রসঙ্গে তিনি বলেন, দলে মতভেদ আছে। এটা থাকাটাই স্বাভাবিক। ৫৬ বছর ধরে আওয়ামী লীগের রাজনীতি করে আসছি। আমার সঙ্গে কারোর দূরত্ব নেই।

তৃণমূল নেতারাসহ জনগণের ভালোবাসায় পাঁচবার এমপি নির্বাচিত হয়েছি। বাকি জীবনটুকু মানুষের কল্যাণেই উৎসর্গ করতে চাই।

এ আসনে নৌকার মনোনয়ন প্রত্যাশায় মাঠে সক্রিয় ওয়ান-ইলেভেনের নির্যাতিত ও কারাবরণকারী কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের সদস্য, কমলগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও কমলগঞ্জ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক রফিকুর রহমান।

রফিকুর রহমান যুগান্তরকে বলেন, মানুষ পরিবর্তন চায়। এলাকার জনগণ এখন নতুন মুখ দেখতে আগ্রহী। আমি পাকিস্তান আমলে বঙ্গবন্ধুর সাহচর্যে আওয়ামী লীগ করেছি। এখনও আমি আওয়ামী লীগের কর্মী হিসেবেই কাজ করে যাচ্ছি। দল আমাকে মনোনয়ন দিলে নৌকার প্রার্থী হব।

মাঠে আছেন জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শ্রীমঙ্গল দ্বারিকা পাল মহিলা ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ সৈয়দ মনসুরুল হক। তিনি জানান, ১৯৭৭ সালে শ্রীমঙ্গলের ভিক্টোরিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে ছাত্রলীগের কার্যকরী কমিটির সদস্য হিসেবে রাজনীতিতে যোগ দেন।

ইতিমধ্যে দুই উপজেলায় ‘প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে নৌকা বাংলার ঘরে ঘরে- নৌকায় ভোট দিন’ এমন পোস্টারিং করে আলোচনায় আছেন সৈয়দ মনসুরুল। তিনি বলেন, দলের অধিকাংশ নেতাকর্মী আমার পক্ষে আছে, আশা করি আগামী নির্বাচনে আমাকেই মনোয়ন দেবে দল।

আওয়ামী লীগের আরেক মনোনয়নপ্রত্যাশী শ্রীমঙ্গল উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান রণধীর কুমার দেব। হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের কেন্দ্রীয় এ নেতা বলেন, যদি দলের সভানেত্রী উপযুক্ত মনে করেন, তাহলে নির্বাচনের মাঠে থাকব।

এ আসনে বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশী একাধিক হলেও হাজী মুজিবুর রহমান চৌধুরীর নাম শীর্ষে রয়েছে। পাশাপাশি তাকে ঘিরে রয়েছে দলে চরম অসন্তোষও। ২০০৬ সালে প্রয়াত অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী এম সাইফুর রহমানের হাত ধরে বিএনপিতে যোগ দেন আওয়ামী পরিবারের সন্তান মুজিবুর রহমান চৌধুরী।

এর আগে ২০০১ সালে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে তিনি আবদুস শহীদের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে আলোড়ন সৃষ্টি করেন। বিএনপিতে যোগ দেয়ার পর তিনি ২০০৮ সালে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করে প্রায় ৫৫ হাজার ভোটের ব্যবধানে হেরে যান। এই নির্বাচনে আবদুস শহীদ ভোট পান ১ লাখ ৩৪ হাজার ভোট।

এ আসনের বিএনপি দুটি বলয়ে বিভক্ত। একটি জেলা বিএনপির সভাপতি এম নাসের রহমান নিয়ন্ত্রিত। অন্যটি বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য হাজী মুজিবের অনুসারী। দুটি বলয়ের পাল্টাপাল্টি দুটি কমিটিও রয়েছে। একটি কমিটি জেলা থেকে অপরটি কেন্দ্র থেকে অনুমোদিত। উভয় কমিটির অনুসারীরা পরস্পরকে ‘আওয়ামী লীগের দালাল’ আখ্যা দিয়ে মাঠে সক্রিয়।

হাজী মুজিব সমর্থিত কমিটিতে তার ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের কর্মচারী ও বহিষ্কৃতরা রয়েছেন। এমন অভিযোগ করেছেন কমলগঞ্জ পৌরসভার সাবেক মেয়র ও পৌর বিএনপির একাংশের সভাপতি আবু ইব্রাহিম জমশেদ। তিনি বলেন, বিগত পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলে হাজী মুজিবের লোকজন আমার বিপক্ষে ও নৌকার পক্ষে কাজ করেছেন।

এমন অভিযোগে জেলা থেকে এসব নেতাকে বহিষ্কার করা হলেও তাদের দিয়েই আবার তিনি কেন্দ্র থেকে বিএনপি-যুবদলের উপজেলা ও পৌর কমিটি অনুমোদন করে নিয়ে এসেছেন।

এদিকে শ্রীমঙ্গল উপজেলার এম নাসের রহমান নিয়ন্ত্রিত কমিটির সাধারণ সম্পাদক ইয়াকুব আলী বলেন, হাজী মুজিব কেন্দ্র থেকে নিয়ে আসা কমিটিতে বিতর্কিতদের জায়গা করে দিয়েছেন। কমিটির উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক পদে তাজু উদ্দিন (হাতকাটা তাজু) ’৯০-র দশকে শ্রীমঙ্গল পৌর যুবলীগের সভাপতি থাকাকালীন তৎকালীন উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মামুন অর রশিদ মামুনকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে পঙ্গু করার দায়ে অভিযুক্ত।

সাবেক অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী এম সাইফুর রহমান উন্নত চিকিৎসার জন্য মামুনকে লন্ডনে পাঠিয়েছিলেন। পঙ্গু হয়ে পড়া মামুন অভিশপ্ত জীবন নিয়ে বেঁচে আছেন।

হাজী মুজিবুর রহমান চৌধুরী নির্বাচনের প্রার্থী তালিকায় এগিয়ে থাকলেও দলের অভ্যন্তরে এমন অসন্তোষের কারণে করুণ পরিণতির মুখোমুখি পড়তে পারেন। এ ছাড়া তাকে মাঠে রেখেই বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশায় সাবেক ছাত্রনেতা লন্ডন প্রবাসী জালাল উদ্দিন আহমেদ জিপু জনসংযোগ শুরু করেছেন।

জিপু বলেন, আমি ছোটবেলা থেকে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। খালেদা জিয়ার সিলেট সফরকালে শ্রীমঙ্গলে স্বাগত মিছিল বের করায় আমার বিরুদ্ধে মামলা হয় ও কারাভোগ করতে হয়।

কমলগঞ্জ বিএনপির একাংশের সভাপতি গোলাম কিবরিয়া শফি বলেন, হাজী মুজিব ও তার অনুসারীরা স্থানীয় ইউপি ও পৌর নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থীদের পক্ষে কাজ করেছেন। তার বিরুদ্ধে উভয় উপজেলা বিএনপি ও সব অঙ্গসংগঠনের নেতারা একযোগে কেন্দ্রেও লিখিত অভিযোগ করেছেন। হাজী মুজিব এখনও আওয়ামী লীগের মায়া ত্যাগ করতে পারেননি। এখন পর্যন্ত তার বিরুদ্ধে যেসব মামলা রয়েছে তার অধিকাংশই সোনা চোরাচালানের মামলা। তারপরও দলের বৃহত্তর স্বার্থে দলীয় প্রতীক ধানের শীষ যিনি পাবেন আমরা তার পক্ষেই কাজ করব।

মুজিবুর রহমান চৌধুরী বলেন, পুলিশের হয়রানির কারণে এলাকায় যেতে পারি না। এলাকায় গেলে বাড়ির সামনে পুলিশের গাড়ি, কখনও শ্রীমঙ্গলের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের সামনে পুলিশ দাঁড়িয়ে থাকে। একের পর এক হামলা-মামলায় জর্জরিত হয়ে আছি। কোনো রাজনৈতিক কর্মসূচি পালনে প্রশাসন থেকে অনুমতি দেয়া হয় না।

মনোনয়ন প্রসঙ্গে হাজী মুজিবুর রহমান বলেন, তৃণমূল নেতাকর্মীদের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রয়েছে। আমি ছাড়া এ আসনে বিএনপির আর কে মনোনয়ন পাবে? আওয়ামী লীগ থেকে সুযোগ-সুবিধা নেয়া আতাউর রহমান লাল হাজি ও ইয়াকুব আলী বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত। লাল হাজি, ইয়াকুব ও পৌর মেয়র মহসিন মিয়া মধু এমপি শহীদ সাহেবের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করে আওয়ামী লীগের বি-টিম হিসেবে কাজ করছেন। এই নেতাদেরকে কেন্দ্র থেকে আগেই বহিষ্কার করা হয়েছে।

তিনি দাবি করেন, জেলা থেকে ঘোষিত শ্রীমঙ্গল-কমলগঞ্জ বিএনপির দুটি কমিটিতেই বিএনপির কেউ নেই। তার বিরুদ্ধে সোনা চোরাচালানের মামলা নিয়ে দলীয় নেতাকর্মীদের যে অভিযোগ, সে প্রসঙ্গে তিনি বলেন, অনেকে অনেক কথা বলে, ওসবের কোনো ভিত্তি নেই।

হাজী মুজিবুর রহমানের আনা অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে বিএনপি নেতা ও শ্রীমঙ্গলের পৌর মেয়র মহসিন মিয়া মধু বলেন, হাজী মুজিব একজন চোরাকারবারি। তিনি কী বললেন, না বললেন তাতে আমার কিছু যায়-আসে না। আমি একজন রাজনীতিবিদ। আমার ব্যাকগ্রাউন্ড পলিটিক্যাল। একজন সোনা চোরাকারবারির সঙ্গে পলিটিক্যাল লোকের কোনো সম্পর্ক হতে পারে না। তার দাবি, হাজী মুজিব বিএনপির প্রতিনিধিত্ব করেন না।

মৌলভীবাজার সদর উপজেলা চেয়ারম্যান ও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান মিজান বলেন, সামনে নির্বাচন। নির্বাচন আর দেশনেত্রীর কারামুক্তিকে সামনে রেখে আমাদের ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। কমিটির বিষয়ে তিনি বলেন, কেন্দ্র থেকে দেয়া কমিটি অস্বীকার করার সুযোগ নেই তারপরও আমরা জেলা নেতারা কেন্দ্রে যোগাযোগ রাখছি যাতে একটা সমাধানে পৌঁছানো যায়।

মৌলভীবাজার জেলা জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক হাজী কামাল হোসেন বলেন, জাতীয় রাজনীতির গতি-প্রকৃতির ওপর নির্ভর করছে এ আসনে দলীয় প্রার্থী দেয়া হবে কি না। তবে দল এককভাবে নির্বাচন করলে আমি মনোনয়ন চাইব।

ঘটনাপ্রবাহ : একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৮

converter
×