খালেদা জিয়ার ১১ মামলার শুনানি ২০ জানুয়ারি
jugantor
খালেদা জিয়ার ১১ মামলার শুনানি ২০ জানুয়ারি
কুমিল্লার মামলায় জামিন শুনানি ফের পেছাল

  যুগান্তর রিপোর্ট ও কুমিল্লা ব্যুরো  

২৬ নভেম্বর ২০১৮, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

খালেদা জিয়া
গত ৮ নভেম্বর হাসপাতাল থেকে হুইল চেয়ারে করে খালেদা জিয়াকে কারাগারে নেয়া হয়। ছবি: যুগান্তর

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে দায়ের করা রাষ্ট্রদ্রোহসহ ১১ মামলার শুনানির জন্য ২০ জানুয়ারি দিন ধার্য করেছেন আদালত। রোববার রাজধানীর বকশীবাজারে স্থাপিত ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কেএম ইমরুল কায়েশ মামলাগুলোর শুনানির পরবর্তী দিন ধার্য করেন।

এদিন মামলাগুলোর কার্যক্রম উচ্চ আদালতের নির্দেশে স্থগিত থাকার কথা জানিয়ে সময় আবেদন করেন খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা। আসামিপক্ষের সময় আবেদন মঞ্জুর করে আদালত শুনানির জন্য পরবর্তী ওই দিন ধার্য করেন। খালেদা জিয়ার আইনজীবী সৈয়দ জয়নুল আবেদীন মেজবাহ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

আদালত সূত্র জানায়, খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে রাজধানীর দারুসসালাম থানার নাশকতার আটটি, যাত্রাবাড়ী থানার দুটি ও রাষ্ট্রদ্রোহের অপর একটি মামলা রয়েছে। এরমধ্যে যাত্রাবাড়ী থানায় যাত্রী হত্যা মামলার চার্জশিট (অভিযোগপত্র) গ্রহণের বিষয়ে শুনানির দিন ধার্য ছিল। আর রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় ইতিমধ্যেই আসামিপক্ষ হাইকোর্টে মামলা বাতিল চেয়ে আবেদন করেছেন। ওই মামলায় চার্জ গঠনসংক্রান্ত উচ্চ আদালতের আদেশ দাখিলের দিন ধার্য ছিল। বাকি মামলায় চার্জ গঠনসংক্রান্ত শুনানির দিন ধার্য ছিল।

সূত্র আরও জানায়, মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের সংখ্যা নিয়ে বিরূপ মন্তব্যের অভিযোগে ২০১৬ সালের ২৫ জানুয়ারি খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে আদালতে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলাটি করা হয়। ২০১৫ সালে রাজধানীর দারুসসালাম থানায় নাশকতার অভিযোগে তার বিরুদ্ধে আটটি মামলা হয়। যাত্রাবাড়ীতে যাত্রী হত্যা মামলাটিসহ অপর মামলাগুলো ২০১৫ সালে দায়ের করা হয়। পরের বছরের বিভিন্ন সময় এসব মামলায় আদালতে তার বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করা হয়।

কুমিল্লার মামলায় জামিন শুনানি ৭ জানুয়ারি : কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে পেট্রল বোমা হামলায় বাসের ৮ যাত্রী দগ্ধ হয়ে মৃত্যুর মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার জামিন আবেদনের শুনানি ফের পিছিয়ে ৭ জানুয়ারি ধার্য করা হয়েছে। রাষ্ট্রপক্ষের সময়ের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে কুমিল্লা জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক কেএম শামছুল আলম রোববার এ আদেশ দেন। এর আগে এ মামলায় ১১ নভেম্বর কুমিল্লার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ ৩য় আদালতের বিচারক আবদুর রহিম শুনানির দিন রোববার ধার্য করেছিলেন।

খালেদা জিয়ার পক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট কাইমুল হক রিংকু সাংবাদিকদের বলেন, খালেদা জিয়ার জামিনের শুনানি রাষ্ট্রপক্ষের বারবার সময়ের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ পর্যন্ত তিন দফা পেছানো হয়েছে। আদালত আগামী ৭ জানুয়ারি চতুর্থ দফায় শুনানির তারিখ নির্ধারণ করেছেন। এভাবে সময়ের আবেদন করে রাষ্ট্রপক্ষ জামিন শুনানি বিলম্বিত করছে। এতে খালেদা জিয়া ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। বিএনপি-জামায়াত ২০ দলীয় জোটের হরতাল-অবরোধ চলাকালে ২০১৫ সালের ৩ ফেব্র“য়ারি ভোর রাতে কক্সবাজার থেকে ছেড়ে আসা ঢাকাগামী আইকন পরিবহনের একটি নৈশকোচ চৌদ্দগ্রামের জগমোহনপুর নামক স্থানে পৌঁছলে দুর্বৃত্তরা বাসটি লক্ষ্য করে পেট্রল বোমা নিক্ষেপ করে। এতে আগুনে পুড়ে ঘটনাস্থলে ৭ জন ও হাসপাতালে নেয়ার পর ১ জন মারা যান। ওই ঘটনায় চৌদ্দগ্রাম থানার এসআই নুরুজ্জামান হাওলাদার বাদী হয়ে হত্যা ও বিস্ফোরক আইনে পৃথক দুটি মামলা দায়ের করেন।

খালেদা জিয়ার ১১ মামলার শুনানি ২০ জানুয়ারি

কুমিল্লার মামলায় জামিন শুনানি ফের পেছাল
 যুগান্তর রিপোর্ট ও কুমিল্লা ব্যুরো 
২৬ নভেম্বর ২০১৮, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ
খালেদা জিয়া
গত ৮ নভেম্বর হাসপাতাল থেকে হুইল চেয়ারে করে খালেদা জিয়াকে কারাগারে নেয়া হয়। ছবি: যুগান্তর

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে দায়ের করা রাষ্ট্রদ্রোহসহ ১১ মামলার শুনানির জন্য ২০ জানুয়ারি দিন ধার্য করেছেন আদালত। রোববার রাজধানীর বকশীবাজারে স্থাপিত ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কেএম ইমরুল কায়েশ মামলাগুলোর শুনানির পরবর্তী দিন ধার্য করেন।

এদিন মামলাগুলোর কার্যক্রম উচ্চ আদালতের নির্দেশে স্থগিত থাকার কথা জানিয়ে সময় আবেদন করেন খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা। আসামিপক্ষের সময় আবেদন মঞ্জুর করে আদালত শুনানির জন্য পরবর্তী ওই দিন ধার্য করেন। খালেদা জিয়ার আইনজীবী সৈয়দ জয়নুল আবেদীন মেজবাহ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

আদালত সূত্র জানায়, খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে রাজধানীর দারুসসালাম থানার নাশকতার আটটি, যাত্রাবাড়ী থানার দুটি ও রাষ্ট্রদ্রোহের অপর একটি মামলা রয়েছে। এরমধ্যে যাত্রাবাড়ী থানায় যাত্রী হত্যা মামলার চার্জশিট (অভিযোগপত্র) গ্রহণের বিষয়ে শুনানির দিন ধার্য ছিল। আর রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় ইতিমধ্যেই আসামিপক্ষ হাইকোর্টে মামলা বাতিল চেয়ে আবেদন করেছেন। ওই মামলায় চার্জ গঠনসংক্রান্ত উচ্চ আদালতের আদেশ দাখিলের দিন ধার্য ছিল। বাকি মামলায় চার্জ গঠনসংক্রান্ত শুনানির দিন ধার্য ছিল।

সূত্র আরও জানায়, মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের সংখ্যা নিয়ে বিরূপ মন্তব্যের অভিযোগে ২০১৬ সালের ২৫ জানুয়ারি খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে আদালতে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলাটি করা হয়। ২০১৫ সালে রাজধানীর দারুসসালাম থানায় নাশকতার অভিযোগে তার বিরুদ্ধে আটটি মামলা হয়। যাত্রাবাড়ীতে যাত্রী হত্যা মামলাটিসহ অপর মামলাগুলো ২০১৫ সালে দায়ের করা হয়। পরের বছরের বিভিন্ন সময় এসব মামলায় আদালতে তার বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করা হয়।

কুমিল্লার মামলায় জামিন শুনানি ৭ জানুয়ারি : কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে পেট্রল বোমা হামলায় বাসের ৮ যাত্রী দগ্ধ হয়ে মৃত্যুর মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার জামিন আবেদনের শুনানি ফের পিছিয়ে ৭ জানুয়ারি ধার্য করা হয়েছে। রাষ্ট্রপক্ষের সময়ের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে কুমিল্লা জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক কেএম শামছুল আলম রোববার এ আদেশ দেন। এর আগে এ মামলায় ১১ নভেম্বর কুমিল্লার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ ৩য় আদালতের বিচারক আবদুর রহিম শুনানির দিন রোববার ধার্য করেছিলেন।

খালেদা জিয়ার পক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট কাইমুল হক রিংকু সাংবাদিকদের বলেন, খালেদা জিয়ার জামিনের শুনানি রাষ্ট্রপক্ষের বারবার সময়ের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ পর্যন্ত তিন দফা পেছানো হয়েছে। আদালত আগামী ৭ জানুয়ারি চতুর্থ দফায় শুনানির তারিখ নির্ধারণ করেছেন। এভাবে সময়ের আবেদন করে রাষ্ট্রপক্ষ জামিন শুনানি বিলম্বিত করছে। এতে খালেদা জিয়া ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। বিএনপি-জামায়াত ২০ দলীয় জোটের হরতাল-অবরোধ চলাকালে ২০১৫ সালের ৩ ফেব্র“য়ারি ভোর রাতে কক্সবাজার থেকে ছেড়ে আসা ঢাকাগামী আইকন পরিবহনের একটি নৈশকোচ চৌদ্দগ্রামের জগমোহনপুর নামক স্থানে পৌঁছলে দুর্বৃত্তরা বাসটি লক্ষ্য করে পেট্রল বোমা নিক্ষেপ করে। এতে আগুনে পুড়ে ঘটনাস্থলে ৭ জন ও হাসপাতালে নেয়ার পর ১ জন মারা যান। ওই ঘটনায় চৌদ্দগ্রাম থানার এসআই নুরুজ্জামান হাওলাদার বাদী হয়ে হত্যা ও বিস্ফোরক আইনে পৃথক দুটি মামলা দায়ের করেন।

 

ঘটনাপ্রবাহ : কারাগারে খালেদা জিয়া