রোডমার্চে ঐক্যফ্রন্টের নেতারা

৩০ ডিসেম্বর ভোট বিপ্লব হবে

‘২২ ডিসেম্বরের পর প্রশাসন সরকারের কথা শুনবে না’ * কেন্দ্র পাহারা কমিটি গঠন ও ভোটের আগে ভোট বাক্স পরীক্ষা করার নির্দেশ * প্রধানমন্ত্রী ভয় পেয়েছেন * অসুস্থতার কারণে অংশ নেননি ড. কামাল

  যুগান্তর ডেস্ক ১৬ ডিসেম্বর ২০১৮, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

রব,

জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নেতারা বলেছেন, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে প্রধানমন্ত্রী ভয় পেয়েছেন এবং নির্বাচন থেকে তিনি পালিয়ে যেতে চান। তারা বলেন, ৩০ ডিসেম্বর বাংলাদেশে ভোট বিপ্লব হবে।

দেশের মানুষ ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দেয়ার জন্য অধীর অপেক্ষায় আছে। ২২ ডিসেম্বরের পরে পুলিশসহ প্রশাসনের সব স্তরের কর্মকর্তারা নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করবে এবং ধরপাকড়, গ্রেফতার ও নির্যাতন হবে না।

জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের প্রথম রোডমার্চ থেকে শনিবার টঙ্গী কলেজ গেট এলাকায় গাজীপুর-২ আসনের বিএনপির সালাহ উদ্দিন সরকারের সমর্থনে এক নির্বাচনী জনসভায় এসব কথা বলেন নেতারা। যুগান্তর রিপোর্ট, ব্যুরো ও প্রতিনিধিদের পাঠানো খবর-

শেরপুরের উদ্দেশে দুপুর ২টায় রাজধানীর উত্তরা ৩ নম্বর সেক্টরে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জেএসডির সভাপতি আ স ম আবদুর রবের বাড়ি থেকে যাত্রা শুরু করেন জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নেতারা।

রোডমার্চে টঙ্গী থেকে শেরপুর পর্যন্ত আটটি আসনের প্রার্থীদের জন্য সাতটি নির্বাচনী সভা করেন ঐক্যফ্রন্টের নেতারা। ময়মনসিংহে একাধিক পথসভার মধ্য দিয়ে এ কর্মসূচি শেষ হয়।

রোডমার্চে অংশ নেন জেএসডির সভাপতি আ স ম আবদুর রব, কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের আবদুল কাদের সিদ্দিকী, নাগরিক ঐক্যের মাহমুদুর রহমান মান্না, গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী, বিএনপির সেলিমা রহমান, এজেডএম জাহিদ হোসেন, গাজীপুর-২ আসনে বিএনপির প্রার্থী সালাহ উদ্দিন সরকার, গাজীপুর মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সোহরাব উদ্দিন। তবে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষনেতা ও গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল হোসেন ‘অসুস্থতার কারণে’ এ কর্মসূচিতে অংশ নিতে পারেননি।

আ স ম রব বলেন, ৩০ ডিসেম্বর বাংলাদেশে ভোট বিপ্লব হবে। দেশের মানুষ ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দেয়ার জন্য অধীর অপেক্ষায় আছে। তিনি নির্বাচন কমিশনের প্রতি প্রশ্ন ছুড়ে দিয়ে বলেন, প্রধানমন্ত্রী যেখানে যায় প্রটোকল পায়, কিন্তু আমাদের বেলায় প্রটোকল কোথায়? এভাবে নির্বাচনী মাঠে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি হয় না।

ভোটের দিন কেন্দ্র পাহারার জন্য গণকমিটি গঠনের নির্দেশ দিয়ে নেতাকর্মীদের উদ্দেশে আ স ম রব বলেন, ভোট কারচুপি রোধে মসজিদের ইমাম, মাদ্রাসার সুপার, শিক্ষকসহ বিভিন্ন পেশার ১০১ জনের গণকমিটি গঠন করবেন।

এ কমিটির সবাই ভোটের দিন ভোট শেষ হওয়ার আগে কেন্দ্র ঘেরাও করে রাখবেন। রেজাল্ট শিট না নিয়ে কেউ কেন্দ্র ছেড়ে যাবেন না এবং প্রিসাইডিং-পোলিং অফিসাদের যেতে দেবেন না।

তিনি বলেন, কারও ভয়ে ভোট কেন্দ্র ছেড়ে আসা যাবে না। ভোটের আগের রাত ৪টার আগে থেকে কেন্দ্রে পাহারা দিতে হবে। কেন্দ্রে গিয়ে বাক্সগুলো পরীক্ষা করে দেখতে হবে, কোনো বাক্সে ব্যালট আছে কিনা।

এক আনসার সদস্যের উদ্ধৃতি দিয়ে তিনি বলেন, ভোটের দিন নাকি পাশের রুমে নৌকা মার্কার ব্যালট ভরা বাক্স থাকবে। নির্বাচনী এজেন্ট বা কর্মীরা যখন খেতে যাবেন বা টয়লেটে যাবেন ওই মুহূর্তে খালি বাক্স সরিয়ে ভরা বাক্সগুলো ঢুকিয়ে দেবে।

নির্বাচনে কারচুপির চক্রান্ত হচ্ছে জানিয়ে তিনি বলেন, তথ্য আছে, বিজি প্রেসে ডাবল ব্যালট পেপার ছাপানো হচ্ছে। প্রেসের কর্মচারী ভাইদের বলব, এ অন্যায় কাজ থেকে বিরত থাকেন। এ জন্য আপনাদের চাকরি গেলে ঐক্যফ্রন্ট ক্ষমতায় গেলে আপনাদের চাকরি ফিরিয়ে দেব।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে উদ্দেশ করে রব বলেন, শেখ হাসিনা ভয় পেয়েছেন জাতীয় ঐক্যফ্রন্টকে। নির্বাচন থেকে কীভাবে পালিয়ে যাওয়া যায় সেই পথ খুঁজছেন। আপনি যদি চলে যেতে চান, তাও দেব, আমরা বিজয়ী হলে কাউকে কোনো নির্যাতন করব না।

ঐক্যফ্রন্টের নেতাকর্মীদের গ্রেফতারের অভিযোগ তুলে জোটের এ নেতা বলেন, যদি হামলা ও মামলা বন্ধ না করেন, জনগণ যদি রুখে দাঁড়ায়, তাহলে পালানোর পথ খুঁজে পাবেন না। সেই অবস্থা সৃষ্টি হলে এর দায় শেখ হাসিনাকে নিতে হবে।

আ স ম আবদুর রব বলেন, ২৫ থেকে ২৮ মার্চ রাত পর্যন্ত হিন্দু-মুসলমান মা-বোনদের ওপর যে কমান্ডো বাহিনী অত্যাচার চালিয়েছে, বঙ্গবন্ধুকে গ্রেফতার করে নিয়েছে, সে বাহিনীর কমান্ডারের হাতে শেখ হাসিনা নৌকা তুলে দিয়েছেন।

তারা বলে আমরা নাকি ঋণখেলাপিদের মনোনয়ন দিয়েছি। আমি বলি, তারা তো ব্যাংক ডাকাতদের মনোনয়ন দিয়েছে, শেয়ারবাজার লুটপাটকারীদের মনোনয়ন দিয়েছে।

তিনি বলেন, আমরা মুক্তিযুদ্ধ করেছি, মৃত্যুকে ভয় পাই না। আর শেখ হাসিনা, আপনি মুক্তিযুদ্ধ করেননি, মুক্তিযুদ্ধ দেখেননি। তিনি আরও বলেন, ৩০ ডিসেম্বর গণতন্ত্রের লড়াই, এতে জিততে হবে। এ লড়াই বাঁচা-মরার লড়াই।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান বলেন, ৩০ ডিসেম্বরের নির্বাচন বাংলাদেশের অস্তিত্ব রক্ষার নির্বাচন। এ নির্বাচন ব্যাংক ও শেয়ারবাজার লুটকারীদের কাছ থেকে দেশ বাঁচানোর নির্বাচন।

এ নির্বাচন খালেদা জিয়াকে কারাগার থেকে মুক্ত করার নির্বাচন। তিনি বলেন, আমরা নিরস্ত্র আর আওয়ামী লীগ সরকার সশস্ত্র। এরপরও তারা ক্ষমতা ছাড়তে ভয় পায়। মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানিরা ছিল সশস্ত্র আর আমরা ছিলাম নিরস্ত্র। তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে আমরা জিতেছি। তাই সশস্ত্র আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে ভোটযুদ্ধে আগামী ৩০ তারিখ আমরাই জিতব।

মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, সরকার নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি করতে ভয় পাচ্ছে। কারণ, লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি করলে তারা নিজেরাই লেভেল হয়ে যাবে। তিনি বলেন, আমরা একটি যুদ্ধে নেমেছি, যে যুদ্ধে আমাদের কাছে অস্ত্র নেই, ওদের কাছে অস্ত্র আছে।

তার পরও ওরা আমাদের কাছে পরাজিত হবে, কারণ আমাদের কাছে ব্যালট আছে। তিনি আরও বলেন, ওরা আমাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছে, ওরা মির্জা ফখরুলের গাড়িতে হামলা করে, মঈন খানের গাড়িতে হামলা করে, বিএনপির অফিসে ঢুকে পুলিশ গুলি করেছে।

মান্না বলেন, গত ৫ বছর আপনারা বাড়িতে থাকতে পারেননি। আর ১৫ দিন আপনারা ঘরে থাকবেন না। ৩০ তারিখে তারা যদি আমাদের মারে, অত্যাচার করে, ব্যালট ছিনিয়ে নিতে আসে, আমরা এমন জবাব দিব, তারা যাতে মুখ দিয়ে আওয়াজও করতে না পারে।

ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, আজ আপনাদের জয় হয়েছে। আজকের এ পথসভা সফিউদ্দিন সরকার একাডেমিতে হওয়ার কথা ছিল এবং প্রশাসন অনুমতিও দিয়েছিল। কিন্তু সরকারি দলের একটি অনুষ্ঠানের কথা বলে তা আবার বাতিল করে দেয়া হয়। এখানে অনুষ্ঠান করে বুদ্ধি দিয়ে আপনারা জয় পেয়েছেন। তিনি আরও বলেন, কারও দয়ায় নয়, ১০ জানুয়ারি খালেদা জিয়াকে মুক্ত করে আনব।

বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান সেলিমা রহমান বলেন, আর মাত্র ১৫ দিন পর এ সরকারের সময় শেষ। ৩০ ডিসেম্বর ধানের শীষে ভোট দিয়ে জুলমবাজ আওয়ামী লীগ সরকারের হাত থেকে দেশকে মুক্ত করতে হবে।

সভাপতির বক্তব্যে হাসান উদ্দিন সরকার বলেন, নির্বাচনী মাঠে কেউ মুনাফেকের ভূমিকায় থাকবেন না। কারণ, মুনাফেকের চরিত্র কাফেরের চেয়েও ভয়ঙ্কর।

২২ ডিসেম্বরের পর প্রশাসন সরকারের কথা শুনবে না : কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি কাদের সিদ্দিকী বলেছেন, এখনই সরকারের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা সরকারের কথা শোনে না।

আপনারা অপেক্ষা করেন, ২২ তারিখের (ডিসেম্বর) পরে পুলিশসহ প্রশাসনের সব স্তরের কর্মকর্তারা নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করবে। ২২ তারিখের পর ধরপাকড়, গ্রেফতার ও নির্যাতন হবে না।

তিনি বলেন, ৩০ ডিসেম্বর আপনারা কেন্দ্রে যাবেন এবং ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দেবেন। আপনাদের একেকটি ভোট খালেদা জিয়ার মুক্তির সনদ। আপনাদের ভোটে বিজয়ী হয়ে নতুন বছরের প্রথম দিনে খালেদা জিয়াকে মুক্ত করে নিয়ে আসব।

গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার মাওনা চৌরাস্তা উড়াল সেতুর পাশে পথসভায় শনিবার সন্ধ্যায় জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের গাজীপুর-৩ আসনের প্রার্থী ইকবাল সিদ্দিকীর নির্বাচনী পথসভায় কর্মীদের উদ্দেশে এসব কথা বলেন কাদের সিদ্দিকী।

এ সময় ঐক্যফ্রন্টের নেতারা ছাড়া আরও উপস্থিত ছিলেন গাজীপুর জেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক সাখাওয়াত হোসেন সবুজ, শ্রীপুর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ফজলুল হক, শ্রীপুর পৌর বিএনপির সভাপতি কাজী খান ও সাধারণ সম্পাদক শহিদুল্লাহ শহীদ প্রমুখ।

সরকারকে আলটিমেটাম দিয়ে নেতারা বলেন, কোনো নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করবেন না। তারা আরও বলেন, ঐক্যফ্রন্ট ক্ষমতায় গেলে বিরোধী দল যারাই থাকুক না কেন তাদের ওপর কোনো অত্যাচার-নির্যাতন করা হবে না। সভা শেষে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট নেতারা ময়মনসিংহের উদ্দেশে রওনা দেন।

এ ভোট খালেদা জিয়ার মুক্তির আন্দোলন ত্বরান্বিত করবে : জেএসডির সভাপতি আ স ম আবদুর রব বলেন, আমার ভোট আমি দেব, আমার ভোটের হিসাব নেব। তাই একটি ভোটও মূল্যবান।

এ ভোট খালেদা জিয়ার মুক্তির আন্দোলনকে ত্বরান্বিত করবে। তিনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে উদ্দেশ করে বলেন, আমি, জাফরুল্লাহ, কাদের সিদ্দিকী স্বাধীনতাবিরোধী হয়ে গেছি। স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় আপনি কোথায় ছিলেন?

আপনার মুখে স্বাধীনতার চেতনা শোভা পায় না। আপনি বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধকে অপমান করেছেন। আমরা আপনার বিরুদ্ধে মামলা করব না, জনতাই আপনার বিচার করবে। ৩০ ডিসেম্বর ঘর খালি থাকবে, রাস্তা ভরে যাবে।

স্বাধীনতা, বাংলাদেশ ও গণতন্ত্র রক্ষার জন্য তিনি ধানের শীষে ভোট দেয়ার আহ্বান জানান। ময়মনসিংহ শহরের রেলওয়ে কৃষ্ণচূড়া চত্বরে শনিবার রাতে জেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি অধ্যাপক এ কে এম শফিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন আ স ম আবদুর রব।

সভায় কাদের সিদ্দিকী বলেন, আমার নেতা, খালেদা জিয়ার নেতা ড. কামাল হোসেন। ড. কামাল শেখ হাসিনার হাঁটু ভেঙে দিয়েছেন। ড. কামালের নেতৃত্বে আমরা ধানের শীষ নিয়ে ভোটযুদ্ধে নেমেছি।

আমি ধানের শীষ ও খালেদা জিয়াকে চিনতে চাই, কোনো প্রার্থীকে নয়। তিনি বলেন, বাংলার মানুষ এত ভোটে দেবে, চুরি করেও জয় ছিনিয়ে নিতে পারবে না। পুলিশের আঙুল ব্যথা হয়ে যাবে, তবুও ভোট চুরি করে তাদের প্রার্থীকে বিজয়ী করা যাবে না।

আওয়ামী লীগের সমালোচনা করে মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, ওরা ব্যাংক ডাকাতি ও শেয়ার জালিয়াতি করে গরিব মানুষের টাকা নিজের পকেটে ভরে। তারা হাজার কোটি টাকা চুরি করে নির্বাচন করছে। ওরা ভোট চোর, ডাকাত।

এবার তা হবে না। আমরা ২৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত ধৈর্য ধরব, ৩০ ডিসেম্বর এ সবের জবাব দেব। তিনি বলেন, আমাদের মধ্যে নামকরা মুক্তিযোদ্ধা আছে। তাদের ক’জন মুক্তিযোদ্ধা আছে। ড. কামাল, ফখরুলসহ জাতীয় নেতাদের ওপর হামলা করে ভয় দেখিয়ে লাভ নেই।

আরও বক্তব্য রাখেন ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী, সেলিমা রহমান, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও ময়মনসিংহ সদর-৪ আসনের ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থী আবু ওয়াহাব আকন্দ ওয়াহিদ।

এদিকে রোডমার্চটি নকলায় শেরপুর-২ আসনের প্রার্থী ফাহিম চৌধুরী ও শেরপুর সদরে শেরপুর-১ আসনের প্রার্থী সানসিলা জেবরিন প্রিয়াঙ্কার সমর্থনে সমাবেশের মধ্য দিয়ে শেষ হওয়ার কথা থাকলেও সমাবেশ দুটি বাতিল করা হয়েছে বলে যুগান্তর প্রতিনিধিকে নিশ্চিত করেছেন জেলা বিএনপির সভাপতি মাহমুদুল হক রুবেল।

ঘটনাপ্রবাহ : একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন

আরও
আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৮

converter
×