হৃৎপিণ্ড ব্যাগে!

  যুগান্তর ডেস্ক ০২ ফেব্রুয়ারি ২০১৮, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

হৃৎপিণ্ড ব্যাগে!
ব্যাগে নিজের হৃৎপিণ্ড নিয়ে ঘুরছেন সালহা হোসেইন

ব্রিটেনের বাসিন্দা সালহা হোসেইনের শরীরে সত্যিকারের কোনো হৃৎপিণ্ড নেই। সেটি সব সময় থাকে তার সঙ্গের ব্যাগে। শুনতে অবিশ্বাস্য লাগলেও এটাই সত্যি।

সালহা হচ্ছেন যুক্তরাজ্যের প্রথম নারী যার শরীরের বাইরে একটি কৃত্রিম হৃৎপিণ্ড লাগানো হয়েছে। হৃৎপিণ্ডের সমস্যায় আক্রান্ত হওয়ার পর চিকিৎসকরা তার শরীরে একটি কৃত্রিম হৃৎপিণ্ড লাগিয়ে দিয়েছেন।

যতদিন তিনি একজন হৃৎপিণ্ডের ডোনার না পাচ্ছেন, ততদিন তাকে এটি বয়ে বেড়াতে হবে। সালহা হোসেইন বলছেন, ‘আমার মেয়ের বয়স যখন ছয় বছর, একদিন সকালে বুকে ভয়াবহ ব্যথা শুরু হয়। সেই সঙ্গে শ্বাসকষ্ট।

আমি বুঝতে পারছিলাম এটা মারাত্মক কিছু হয়েছে। দ্রুত হাসপাতালে যাওয়ার পর চিকিৎসকরা জানালেন, হৃৎপিণ্ড প্রতিস্থাপন করতে হবে। কিন্তু আমি এতটাই অসুস্থ ছিলাম, তারা আমাকে একটি কৃত্রিম হৃৎপিণ্ড সংযোজন করে দিতে বাধ্য হন।

এই বহনযোগ্য যন্ত্রটি শরীরের রক্ত সরবরাহ ঠিক রাখে।’ কিন্তু কিভাবে সেটি কাজ করে? নানা টিউবের মধ্য দিয়ে শরীরের রক্ত এই কৃত্রিম হৃৎপিণ্ডে এসে পরিশোধিত হয়ে আবার টিউবের মাধ্যমে শরীরে চলে যায়।

তার শরীরের ভেতরেও এরকম প্লাস্টিকের কৃত্রিম হৃৎপিণ্ড রয়েছে, যেগুলো সত্যিকারের হৃৎপিণ্ডের মতোই রক্ত পাম্প করে শরীরের নানা অঙ্গ-প্রত্যঙ্গে পাঠিয়ে দেয়। কৃত্রিম হৃৎপিণ্ড স্থাপনের পর সালহার চিন্তা-ভাবনায় বড় পরিবর্তন এসেছে।

তিনি জানান, ‘মৃত্যুশয্যায় শুয়ে অনেক কিছুই আমি উপলব্ধি করতে পেরেছি।’

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৮

converter