৭ মার্চের ভাষণ বাস্তবায়ন করছেন প্রধানমন্ত্রী

গণপূর্তমন্ত্রী

  যুগান্তর রিপোর্ট ১৫ মার্চ ২০১৯, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

৭ মার্চের ভাষণ বাস্তবায়ন করছেন প্রধানমন্ত্রী

গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম বলেছেন, বঙ্গবন্ধু ছিলেন বাঙালির আত্মার আত্মীয়। বাঙালির হৃদয়ে তিনি চিরকাল জাতির জনক হিসেবে বেঁচে থাকবেন।

তার ভাষণ মানবাধিকারের জন্য বাঙালি জাতির জন্য ইতিহাসে প্রথম দলিল। এ ভাষণ বাঙালি জাতির জন্য নিজেই একটি ম্যাগনা কার্টা।

বাবার সেই ভাষণ বাস্তবায়ন করছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বঙ্গবন্ধুর প্রতিচ্ছবি। ৭ মার্চ বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ভাষণ স্মরণে বৃহস্পতিবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের মাওলানা আকবর খাঁ মিলনায়তনে সম্প্রীতি বাংলাদেশ আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।

শ ম রেজাউল করিম বলেন, ‘আরব্য রজনীর গল্পের মতো ইতিহাস রচনা করা যায় না। তেমনি পৃথিবীর অনেক ভাষণের সঙ্গে বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ তুলনা করা যায় না।

১৭ মিনিট ২৩ সেকেন্ড সময়ে দেয়া অল্প সময়ের এ ভাষণে তিনি সব বলে গেছেন; সব নির্দেশনা তিনি সেখানেই রেখেছেন। শুধু মুক্তিযুদ্ধ না বরং বাঙালি জাতির জন্য নির্দেশনা ছিল এ ভাষণে। তার ভাষণের প্রতিটি শব্দের মধ্যে অনেক দূরদর্শী তাৎপর্য আছে। যতকাল বাঙালি জাতি নির্যাতিত হবে ততকাল এ ভাষণের দিকনির্দেশনা সমাধান হিসেবে কাজ করবে। আপনি বিএনপি, জাতীয় পার্টি বা যে দলের মতাদর্শের হন না কেন, দলমত নির্বিশেষে এ ভাষণ নিয়ে গবেষণা করতে পারেন।’

সংগঠনের আহ্বায়ক পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়ের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি অধ্যাপক ডা. কামরুল হাসান খান বলেন, পাঠ্যপুস্তকে অনেক অসংলগ্ন বিষয় যাচ্ছে তবে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ মার্চের ভাষণ যাচ্ছে না। যে ভাষণ দিয়ে দেশের স্বাধীনতা এলো তা নতুন প্রজন্মকে জানানোর কোনো ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে না। বঙ্গবন্ধুর ভাষণের সঙ্গে পৃথিবীর অন্য কোনো ভাষণের তুলনা চলে না। তাই পাঠ্যপুস্তকে তার ভাষণ দ্রুত সংযুক্ত করতে হবে।

সভায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সম্প্রীতি বাংলাদেশের সদস্য সচিব ডা. মামুন আল মাহতাব স্বপ্নীল। তিনি তার প্রবন্ধে দুটি প্রস্তাব উপস্থাপন করেন। জাতির পিতার পূর্ণাঙ্গ জীবনীগ্রন্থ, রাষ্ট্রীয়ভাবে দেশের বিশিষ্ট ঐতিহাসিক ও মুক্তিযুদ্ধ গবেষকদের সমন্বয়ে একটি কমিশন গঠন করে মুজিববর্ষে জাতির পিতার একটি পূর্ণাঙ্গ আত্মজীবনী প্রকাশ করা এবং রাষ্ট্রীয়ভাবে মুজিববর্ষে ‘বঙ্গবন্ধু পদক’ প্রবর্তনের প্রস্তাব করা হয়। সভায় বক্তব্য রাখেন- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আ ব ম ফারুক, বাংলাদেশ পোস্টের সম্পাদক শরীফ শাহাবুদ্দিন, রাজনীতি ও নিরাপত্তা বিশ্লেষক মেজর জেনারেল (অব.) একে মোহাম্মদ আলী শিকদার, সাবেক রাষ্ট্রদূত একেএম আতিকুর রহমান, সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি গোলাম কুদ্দুছ, শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ডা. উত্তম বড়–য়া প্রমুখ।

--
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

converter
×