আমদানি-রফতানি সনদপ্রাপ্তির জটিলতা কমল

  যুগান্তর রিপোর্ট ১৮ মার্চ ২০১৯, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

আমদানি-রফতানি সনদপ্রাপ্তির জটিলতা কমল

পণ্য আমদানি-রফতানির সনদপ্রাপ্তিতে জটিলতা কমেছে। আগে শিল্পের আমদানি সনদ (আইআরসি) পেতে আবেদনের সঙ্গে ২২ ধরনের কাগজপত্র জমা দিতে হতো। এখন থেকে ১৩ ধরনের কাগজ দিলেই সনদ মিলবে। একইভাবে বাণিজ্যিক আইআরসি, রফতানি সনদ (ইআরসি), ইনডেন্টিং সার্ভিসের ইআরসির ক্ষেত্রেও কাগজপত্রের সংখ্যা কমিয়ে আনা হয়েছে। গত ২৭ ফেব্রুয়ারি এ সংক্রান্ত অফিস আদেশ জারি করেছে আমদানি ও রফতানি প্রধান নিয়ন্ত্রকের দফতর।

সূত্র জানায়, সহজে ব্যবসা করার সুযোগ বা ইজ অফ ডুয়িং বিজনেস ইনডেক্সে বাংলাদেশ প্রতিযোগী দেশগুলোর তুলনায় পিছিয়ে আছে। এ অবস্থা থেকে উত্তরণের জন্য সরকার কাজ করছে। তার ধারাবাহিকতায় আইআরসি-ইআরসি সনদপ্রাপ্তিতে কাগজপত্রের সংখ্যা কমিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। একই সঙ্গে দ্রুততম সময়ের মধ্যে ব্যবসায়ীদের সনদ দেয়া হচ্ছে।

এ বিষয়ে আমদানি ও রফতানি প্রধান নিয়ন্ত্রকের দফতরের (সিসিআইই) অতিরিক্ত প্রধান নিয়ন্ত্রক অনুপ কুমার সাহা বলেন, বর্তমানে সিসিআইই’র সব সেবা সিটিজেন চার্টার অনুযায়ী তিন দিনের মধ্যে দেয়া হচ্ছে। আরও সহজে ব্যবসায়ীরা যাতে আমদানি-রফতানি সনদ পেতে পারেন সেজন্য নানামুখী উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। পরীক্ষামূলকভাবে অনলাইনে আবেদন গ্রহণ করা হচ্ছে। এটি পূর্ণাঙ্গরূপে চালু করা গেলে ঘরে বসেই ব্যবসায়ীরা সনদ পাবেন। এ ছাড়া লাইসেন্স ফি কমানোর জন্য বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে আবেদন করা হয়েছে।

শিল্প আইআরসি পেতে যা যা লাগবে : প্রতিষ্ঠানের প্যাডে মালিক/ব্যবস্থাপনা অংশীদার/ব্যবস্থাপনা পরিচালকের স্বাক্ষর ছবিসহ আবেদন করতে হবে।

সঙ্গে হালনাগাদ ট্রেড লাইসেন্স, আয়কর প্রত্যয়নপত্র, চেম্বার বা অ্যাসোসিয়েশনের সদস্য সনদপত্র, ব্যাংক প্রত্যয়নপত্র, ফায়ার লাইসেন্স, প্রযোজ্য ক্ষেত্রে পরিবেশ অধিদফতরের ছাড়পত্র, লিমিটেড কোম্পানির ক্ষেত্রে সার্টিফিকেট অব ইনকর্পোরেশন অথবা অংশীদারি প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে রেজিস্টার্ড অংশীদারি চুক্তিপত্র, আবেদনকারীর জাতীয় পরিচয়পত্র বা পাসপোর্ট বা নাগরিকত্বের সনদ, এলসিএ বিবরণী কপিসহ আমদানি স্বত্বের ৭০ শতাংশ ব্যবহারের দলিল, প্রযোজ্য ক্ষেত্রে জয়েন্ট ভেঞ্চার এগ্রিমেন্ট, লিস্ট অব এমপ্লয়ি (নাম, পদবি, বেতন ও জাতীয়তা সম্বলিত)। বাণিজ্যের আইআরসির জন্য ১১ ধরনের কাগজ জমা দিতে হবে।

এগুলো হচ্ছে- ট্রেড লাইসেন্স, বাণিজ্য চেম্বার বা অ্যাসোসিয়েশনের বৈধ মেম্বারশিপ সার্টিফিকেট, ফি’র কপি ও ভ্যাট চালানের কপি, লিমিটেড কোম্পানির ক্ষেত্রে সার্টিফিকেট অব ইনকর্পোরেশন অথবা অংশীদারি প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে রেজিস্টার্ড অংশীদারি চুক্তিপত্র, বিদেশে নিবন্ধিত কোম্পানির বাংলাদেশ শাখা অফিসের ক্ষেত্রে সার্টিফিকেট অব ফাইলিং ও বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) অনুমোদনের কপি, আয়কর প্রত্যয়নপত্র, জাতীয় পরিচয়পত্র, ব্যাংকের ইস্যুকৃত প্রতিষ্ঠানের আর্থিক স্বচ্ছতার প্রমাণপত্র, জয়েন্ট ভেঞ্চার এগ্রিমেন্টের কপি, লিস্ট অব এমপ্লয়ি (নাম, পদবি, বেতন ও জাতীয়তা সম্বলিত) এবং বিদেশিদের বৈধ ওয়ার্ক পারমিটসহ পাসপোর্টের কপি। একই কাগজপত্র জমা দেয়া লাগবে ইআরসি ও ইনডেন্টিং সার্ভিসের ইআরসি নিতে।

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

converter
×