মুক্তিযোদ্ধা ফারুক হত্যা

সাবেক এমপি রানার জামিন স্থগিত

  যুগান্তর রিপোর্ট ২৬ মার্চ ২০১৯, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

এমপি রানা
এমপি রানা। ফাইল ছবি

মুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহমেদ হত্যা মামলায় টাঙ্গাইল-৩ আসনের সাবেক এমপি আমানুর রহমান খান রানাকে হাইকোর্টের দেয়া ছয় মাসের জামিন স্থগিত করেছেন চেম্বার আদালত।

একই সঙ্গে রাষ্ট্রপক্ষের জামিন স্থগিতের আবেদনটি ৩১ মার্চ শুনানির জন্য আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে পাঠানো হয়েছে। বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকীর চেম্বার আদালত সোমবার এ আদেশ দেন। রানার পক্ষে শুনানিতে ছিলেন সাইদ আহমেদ রাজা। স্থগিত আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম। সঙ্গে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বিশ্বজিৎ দেবনাথ ও বশির উল্লাহ।

বশির উল্লাহ সাংবাদিকদের বলেন, মুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহমেদ হত্যা মামলায় আমানুর রহমান খান রানাকে হাইকোর্ট গত ১৪ মার্চ ছয় মাসের জামিন দিয়েছিলেন। হাইকোর্টের ওই আদেশটি স্থগিত চেয়ে রাষ্ট্রপক্ষ রোববার চেম্বার আদালতে আবেদন করেছিল। হাইকোর্টের জামিন আদেশটি স্থগিত করে চেম্বার বিচারপতি আবেদনটি ৩১ মার্চ পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে শুনানির জন্য পাঠিয়েছেন।

বিচারিক আদালতে গত বছরের ৫ সেপ্টেম্বর ফারুক হত্যা মামলায় এবং ৩০ সেপ্টেম্বর যুবলীগের দুই নেতা হত্যা মামলায় রানার জামিন আবেদন নামঞ্জুর হয়। এরপর হাইকোর্টে আবেদন করেন তার আইনজীবীরা। গত ৬ মার্চ হাইকোর্ট যুবলীগের দুই নেতা হত্যা মামলায় ও ১৪ মার্চ ফারুক আহমেদ হত্যা মামলায় ছয় মাস করে জামিন পান রানা। তবে যুবলীগ নেতা হত্যা মামলায় পাওয়া জামিন ১৪ মার্চ স্থগিত করেন চেম্বার আদালত। ফলে কারাগার থেকে আর বের হতে পারেননি সাবেক এই এমপি।

আওয়ামী লীগের টাঙ্গাইল জেলা কমিটির সদস্য ফারুক আহমেদকে ২০১৩ সালের ১৮ জানুয়ারি গুলি চালিয়ে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় করা মামলায় তৎকালীন এমপি রানা ২০১৬ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর আত্মসমর্পণ করলে তাকে কারাগারে পাঠান টাঙ্গাইলের বিচারিক আদালত। এ মামলায় ২০১৭ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি রানা ও তার তিন ভাইসহ ১৪ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দেয় পুলিশ। ওই বছর ৬ সেপ্টেম্বর দণ্ডবিধির ৩০২, ১২০, ৩৪ ধারায় অভিযোগ গঠনের মধ্য দিয়ে তাদের বিচার শুরু হয়। মামলাটি বর্তমানে সাক্ষ্যগ্রহণ পর্যায়ে রয়েছে।

অন্যদিকে টাঙ্গাইল সদর উপজেলার বাঘিল ইউনিয়ন যুবলীগ নেতা শামীম ও মামুন ২০১২ সালের ১৬ জুলাই মোটরসাইকেলে টাঙ্গাইল শহরে গিয়ে নিখোঁজ হন। পরদিন শামীমের মা আছিয়া খাতুন টাঙ্গাইল সদর থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন। ওই ঘটনায় ২০১৩ সালের ৯ জুলাই মামুনের বাবা টাঙ্গাইল আদালতে হত্যা মামলা করলে তদন্ত করে ওই বছরের ২১ সেপ্টেম্বর মামলাটি তালিকাভুক্ত করে পুলিশ। পরে এ মামলায় গ্রেফতার খন্দকার জাহিদ, শাহাদত হোসেন ও হিরন মিয়া আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়, যাতে আমানুর রহমান খান রানার নাম আসে।

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

converter
×