সুপ্রভাতের মালিকের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি
jugantor
বাসচাপায় শিক্ষার্থী আবরারের মৃত্যু
সুপ্রভাতের মালিকের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি

  যুগান্তর রিপোর্ট  

০৯ এপ্রিল ২০১৯, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

সুপ্রভাত
সুপ্রভাত বাস। ফাইল ছবি

বাসচাপায় বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালসের (বিইউপি) শিক্ষার্থী আবরার আহাম্মেদ চৌধুরীর মৃত্যুর ঘটনায় দায়ের করা মামলায় সুপ্রভাতের মালিক ননী গোপাল সরকার আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

সোমবার তিন দিনের রিমান্ড শেষে তাকে আদালতে হাজির করে জাবানবন্দি রেকর্ডের আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকা মহানগর হাকিম সাদবীর ইয়াছির আহসান চৌধুরী আসামির স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি রেকর্ড করেন। জবানবন্দি রেকর্ড শেষে আসামিকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন আদালত।

আদালত সূত্র জানায়, আসামি সুপ্রভাত বাসের চালক সিরাজুল ইসলাম ১৯ মার্চ সকাল ৭টা ২০ মিনিটের দিকে প্রগতি সরণি বাড্ডার দিক থেকে বেপরোয়া ও দ্রুতগতিতে বাস চালিয়ে গুলশান থানাধীন শাহজাদপুর বাঁশতলা এলাকায় মিরপুর গার্লস ল্যাবরেটরি কলেজের ১ম বর্ষের শিক্ষার্থী সিনথিয়া সুলতানা মুক্তাকে চাপা দেয়। এতে মুক্তা গুরুতর জখম হন। ওই ঘটনায় চালক সিরাজুল ইসলামকে সুপ্রভাতের যাত্রীরা ধরে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেন।

উপস্থিত জনতা বাসের ক্ষতিসাধন করতে পারেন- এটা ভেবে বাসের হেলপার মো. ইয়াসিন আরাফাত বাস মালিক ননী গোপাল সরকারের নির্দেশে দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে বাস চালিয়ে যাওয়ার সময় নদ্দার বিইউপি ছাত্র আবরারকে বাসচাপা দেয়। আসামি সিরাজুল ইসলাম, ইয়াসিন আরাফাত ও ইব্রাহিম হোসেনের পর বাস মালিক ননী গোপাল এবার জবানবন্দিতে দোষ স্বীকার করে এসব ঘটনার বর্ণনা দিয়েছেন। আসামিরা সবাই কারাগারে আছেন।

প্রসঙ্গত, বিইউপির আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের ১ম বর্ষের শিক্ষার্থী আবরার ১৯ মার্চ সকাল ৭টার দিকে বাসা থেকে বের হয়ে বসুন্ধরা গেটে যান। সেখান থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের গাড়িতে ওঠার জন্য জেব্রা ক্রসিং দিয়ে রাস্তার পূর্বদিক থেকে পশ্চিম দিকে যাওয়ার সময় ঘাতক বাস আবরারকে চাপা দেয়। ঘটনাস্থলেই আবরারের মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় আবরারের বাবা ব্রি. জে. (অব.) আরিফ আহম্মেদ চৌধুরী বাদী হয়ে গুলশান থানায় মামলা দায়ের করেন।

বাসচাপায় শিক্ষার্থী আবরারের মৃত্যু

সুপ্রভাতের মালিকের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি

 যুগান্তর রিপোর্ট 
০৯ এপ্রিল ২০১৯, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ
সুপ্রভাত
সুপ্রভাত বাস। ফাইল ছবি

বাসচাপায় বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালসের (বিইউপি) শিক্ষার্থী আবরার আহাম্মেদ চৌধুরীর মৃত্যুর ঘটনায় দায়ের করা মামলায় সুপ্রভাতের মালিক ননী গোপাল সরকার আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

সোমবার তিন দিনের রিমান্ড শেষে তাকে আদালতে হাজির করে জাবানবন্দি রেকর্ডের আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকা মহানগর হাকিম সাদবীর ইয়াছির আহসান চৌধুরী আসামির স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি রেকর্ড করেন। জবানবন্দি রেকর্ড শেষে আসামিকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন আদালত।

আদালত সূত্র জানায়, আসামি সুপ্রভাত বাসের চালক সিরাজুল ইসলাম ১৯ মার্চ সকাল ৭টা ২০ মিনিটের দিকে প্রগতি সরণি বাড্ডার দিক থেকে বেপরোয়া ও দ্রুতগতিতে বাস চালিয়ে গুলশান থানাধীন শাহজাদপুর বাঁশতলা এলাকায় মিরপুর গার্লস ল্যাবরেটরি কলেজের ১ম বর্ষের শিক্ষার্থী সিনথিয়া সুলতানা মুক্তাকে চাপা দেয়। এতে মুক্তা গুরুতর জখম হন। ওই ঘটনায় চালক সিরাজুল ইসলামকে সুপ্রভাতের যাত্রীরা ধরে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেন।

উপস্থিত জনতা বাসের ক্ষতিসাধন করতে পারেন- এটা ভেবে বাসের হেলপার মো. ইয়াসিন আরাফাত বাস মালিক ননী গোপাল সরকারের নির্দেশে দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে বাস চালিয়ে যাওয়ার সময় নদ্দার বিইউপি ছাত্র আবরারকে বাসচাপা দেয়। আসামি সিরাজুল ইসলাম, ইয়াসিন আরাফাত ও ইব্রাহিম হোসেনের পর বাস মালিক ননী গোপাল এবার জবানবন্দিতে দোষ স্বীকার করে এসব ঘটনার বর্ণনা দিয়েছেন। আসামিরা সবাই কারাগারে আছেন।

প্রসঙ্গত, বিইউপির আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের ১ম বর্ষের শিক্ষার্থী আবরার ১৯ মার্চ সকাল ৭টার দিকে বাসা থেকে বের হয়ে বসুন্ধরা গেটে যান। সেখান থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের গাড়িতে ওঠার জন্য জেব্রা ক্রসিং দিয়ে রাস্তার পূর্বদিক থেকে পশ্চিম দিকে যাওয়ার সময় ঘাতক বাস আবরারকে চাপা দেয়। ঘটনাস্থলেই আবরারের মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় আবরারের বাবা ব্রি. জে. (অব.) আরিফ আহম্মেদ চৌধুরী বাদী হয়ে গুলশান থানায় মামলা দায়ের করেন।